ফিচার
মুক্তাগাছায় ফুঁটেছে আদিকালের দৃষ্টিনন্দন নাগলিঙ্গম ফুল
নাগলিঙ্গম ফুল || ছবি: নকুল চন্দ্র দে পাপ্পু
মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ির জলটুঙ্গি পুকুরের সম্মুখে প্রায় দু'শত বৎসরের পুরাতন নাগলিঙ্গম তিনটি গাছে ফুঁটেছে মনোমুগ্ধকর ফুল। গাছ তিনটি সারিবদ্ধভাবে রয়েছে। তিনটি গাছই বেশ বড় আকৃতির। গাছের মধ্যভাগের ডালপালার অংশ থেকেই ফুলের কলি ও ফুল ফুঁটেছে। গাছের গোড়ালি ঘেঁষে পুকুর থাকায় ঝড়ে পরা ফুল পানিতে ভাসতে দেখা যায় যা আরেকটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।
বাংলাদেশে প্রায় ৭০-৮০ টির মতো গাছের অস্তিত্ব রয়েছে। আদি তিনটি গাছ। নাগলিঙ্গম (cannon ball tree) এর বৈজ্ঞানিক নাম (couroupita guiancnsis) পরিবার Lecythidaceae. দক্ষিন আমেরিকা এর আদিনিবাস। এই উদ্ভিদটি আজ বিলুপ্তির পথে।
নাগলিঙ্গমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর পরাগ চক্র সাপের ফণার মত বাঁকানো, রাতের বেলায় ফুল থেকে সুবাস বেড় হয়। এই ফুল হিন্দু ধর্মালম্বীদের মনসা পূজায় ব্যবহৃত হতো।তবে এই ফুল গাছ কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ির ইতিহাস থেকে জানা যায়, এই নাগলিঙ্গমের গাছের ফুল এবং বাকল দিয়ে জমিদার এবং জমিদারবাড়ির প্রজাদের চিকিৎসার ঔষধি হিসাবে ব্যবহৃত হতো। এমনকি জমিদারবাড়ির প্রোষিত হাতির নানা সমস্যা ও চিকিৎসায় ঔষধ হিসাবেও ব্যবহৃত করতেন রাজ বৈর্ধরা।
আদিকালের এই নাগলিঙ্গম গাছের ফুল, পাতা এবং বাকলের নির্যাস পেটের পীড়া ও পাতা ম্যালেরিয়া এবং ডায়াবেটিস রোগ নিরাময় সহ বহু রোগের চিকিৎসায় বেশ উপকারী।
ফিচার
মুক্তাগাছায় ফুঁটেছে আদিকালের দৃষ্টিনন্দন নাগলিঙ্গম ফুল
নাগলিঙ্গম ফুল || ছবি: নকুল চন্দ্র দে পাপ্পু
মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ির জলটুঙ্গি পুকুরের সম্মুখে প্রায় দু'শত বৎসরের পুরাতন নাগলিঙ্গম তিনটি গাছে ফুঁটেছে মনোমুগ্ধকর ফুল। গাছ তিনটি সারিবদ্ধভাবে রয়েছে। তিনটি গাছই বেশ বড় আকৃতির। গাছের মধ্যভাগের ডালপালার অংশ থেকেই ফুলের কলি ও ফুল ফুঁটেছে। গাছের গোড়ালি ঘেঁষে পুকুর থাকায় ঝড়ে পরা ফুল পানিতে ভাসতে দেখা যায় যা আরেকটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।
বাংলাদেশে প্রায় ৭০-৮০ টির মতো গাছের অস্তিত্ব রয়েছে। আদি তিনটি গাছ। নাগলিঙ্গম (cannon ball tree) এর বৈজ্ঞানিক নাম (couroupita guiancnsis) পরিবার Lecythidaceae. দক্ষিন আমেরিকা এর আদিনিবাস। এই উদ্ভিদটি আজ বিলুপ্তির পথে।
নাগলিঙ্গমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর পরাগ চক্র সাপের ফণার মত বাঁকানো, রাতের বেলায় ফুল থেকে সুবাস বেড় হয়। এই ফুল হিন্দু ধর্মালম্বীদের মনসা পূজায় ব্যবহৃত হতো।তবে এই ফুল গাছ কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ির ইতিহাস থেকে জানা যায়, এই নাগলিঙ্গমের গাছের ফুল এবং বাকল দিয়ে জমিদার এবং জমিদারবাড়ির প্রজাদের চিকিৎসার ঔষধি হিসাবে ব্যবহৃত হতো। এমনকি জমিদারবাড়ির প্রোষিত হাতির নানা সমস্যা ও চিকিৎসায় ঔষধ হিসাবেও ব্যবহৃত করতেন রাজ বৈর্ধরা।
আদিকালের এই নাগলিঙ্গম গাছের ফুল, পাতা এবং বাকলের নির্যাস পেটের পীড়া ও পাতা ম্যালেরিয়া এবং ডায়াবেটিস রোগ নিরাময় সহ বহু রোগের চিকিৎসায় বেশ উপকারী।
আপনার মতামত লিখুন :
নাগলিঙ্গম ফুল || ছবি: নকুল চন্দ্র দে পাপ্পু
মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ির জলটুঙ্গি পুকুরের সম্মুখে প্রায় দু'শত বৎসরের পুরাতন নাগলিঙ্গম তিনটি গাছে ফুঁটেছে মনোমুগ্ধকর ফুল। গাছ তিনটি সারিবদ্ধভাবে রয়েছে। তিনটি গাছই বেশ বড় আকৃতির। গাছের মধ্যভাগের ডালপালার অংশ থেকেই ফুলের কলি ও ফুল ফুঁটেছে। গাছের গোড়ালি ঘেঁষে পুকুর থাকায় ঝড়ে পরা ফুল পানিতে ভাসতে দেখা যায় যা আরেকটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।
বাংলাদেশে প্রায় ৭০-৮০ টির মতো গাছের অস্তিত্ব রয়েছে। আদি তিনটি গাছ। নাগলিঙ্গম (cannon ball tree) এর বৈজ্ঞানিক নাম (couroupita guiancnsis) পরিবার Lecythidaceae. দক্ষিন আমেরিকা এর আদিনিবাস। এই উদ্ভিদটি আজ বিলুপ্তির পথে।
নাগলিঙ্গমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর পরাগ চক্র সাপের ফণার মত বাঁকানো, রাতের বেলায় ফুল থেকে সুবাস বেড় হয়। এই ফুল হিন্দু ধর্মালম্বীদের মনসা পূজায় ব্যবহৃত হতো।তবে এই ফুল গাছ কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ির ইতিহাস থেকে জানা যায়, এই নাগলিঙ্গমের গাছের ফুল এবং বাকল দিয়ে জমিদার এবং জমিদারবাড়ির প্রজাদের চিকিৎসার ঔষধি হিসাবে ব্যবহৃত হতো। এমনকি জমিদারবাড়ির প্রোষিত হাতির নানা সমস্যা ও চিকিৎসায় ঔষধ হিসাবেও ব্যবহৃত করতেন রাজ বৈর্ধরা।
আদিকালের এই নাগলিঙ্গম গাছের ফুল, পাতা এবং বাকলের নির্যাস পেটের পীড়া ও পাতা ম্যালেরিয়া এবং ডায়াবেটিস রোগ নিরাময় সহ বহু রোগের চিকিৎসায় বেশ উপকারী।
আপনার মতামত লিখুন :