বাংলাদেশ দুর্ঘটনা
ময়মনসিংহে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিশুসহ নিহত ৮
ময়মনসিংহের ফুলপুরে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে ডুবে নারী ও শিশুসহ আটজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের ফুলপুর উপজেলার বাসাটি নামক স্থানে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- গফরগাঁও উপজেলার আঠারোদানা গ্রামের এলাহি বক্সের স্ত্রী রেজিয়া খাতুন (৭০), একই গ্রামের রতন মিয়ার মেয়ে রিপা আক্তার (২৫), মশাখালি গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রী পারুল বেগম (৪৫) ও মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে শামসুল হক (৫৫), ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া গ্রামের শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী বেগম (৩০), তারাকান্দা উপজেলার দাদরা গ্রামের নবী হোসেন (৩০), ভালুকা উপজেলার শাহজাহানের শিশু কন্যা বুলবুলি (৫) ও সামমুন শেখের স্ত্রী মিলন (৬০)।
হতাহত সবাই নিকট আত্মীয় এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও, ভালুকা ও তারাকান্দা উপজেলার বাসিন্দা। তারা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার বারোমারিতে হাসান আলী নামে তাদের এক আত্মীয়ের জানাজায় শরিক হওয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
ফুলপুর থানার ওসি ইমারত হোসেন গাজী জানান, ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে যাত্রীবোঝাই একটি মাইক্রোবাস শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার বারোমারি যাবার পথে সকাল পৌণে ৮টার দিকে ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের ফুলপুর উপজেলার বাসাটি নামক স্থানে পৌঁছালে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে এক শিশু, পাঁচজন নারী ও দুইজন পুরুষ রয়েছেন। মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ ১৪ জন যাত্রী ছিলেন।
মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধারকৃতরা হলেন- গফরগাঁও উপজেলার আঠারোদানা গ্রামের এলাহি বক্সের ছেলে রতন মিয়া (৫৩), মশাখালী গ্রামের মৃত উসমানের ছেলে হাবি (৫৫), ভালুকা উপজেলার কাইচান গ্রামের মিলনের ছেলে মিজান (২৮) ও রাজৈ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে সোহরাব (২৮)। তাদেরকে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ দুর্ঘটনা
ময়মনসিংহে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিশুসহ নিহত ৮
ময়মনসিংহের ফুলপুরে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে ডুবে নারী ও শিশুসহ আটজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের ফুলপুর উপজেলার বাসাটি নামক স্থানে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- গফরগাঁও উপজেলার আঠারোদানা গ্রামের এলাহি বক্সের স্ত্রী রেজিয়া খাতুন (৭০), একই গ্রামের রতন মিয়ার মেয়ে রিপা আক্তার (২৫), মশাখালি গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রী পারুল বেগম (৪৫) ও মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে শামসুল হক (৫৫), ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া গ্রামের শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী বেগম (৩০), তারাকান্দা উপজেলার দাদরা গ্রামের নবী হোসেন (৩০), ভালুকা উপজেলার শাহজাহানের শিশু কন্যা বুলবুলি (৫) ও সামমুন শেখের স্ত্রী মিলন (৬০)।
হতাহত সবাই নিকট আত্মীয় এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও, ভালুকা ও তারাকান্দা উপজেলার বাসিন্দা। তারা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার বারোমারিতে হাসান আলী নামে তাদের এক আত্মীয়ের জানাজায় শরিক হওয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
ফুলপুর থানার ওসি ইমারত হোসেন গাজী জানান, ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে যাত্রীবোঝাই একটি মাইক্রোবাস শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার বারোমারি যাবার পথে সকাল পৌণে ৮টার দিকে ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের ফুলপুর উপজেলার বাসাটি নামক স্থানে পৌঁছালে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে এক শিশু, পাঁচজন নারী ও দুইজন পুরুষ রয়েছেন। মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ ১৪ জন যাত্রী ছিলেন।
মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধারকৃতরা হলেন- গফরগাঁও উপজেলার আঠারোদানা গ্রামের এলাহি বক্সের ছেলে রতন মিয়া (৫৩), মশাখালী গ্রামের মৃত উসমানের ছেলে হাবি (৫৫), ভালুকা উপজেলার কাইচান গ্রামের মিলনের ছেলে মিজান (২৮) ও রাজৈ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে সোহরাব (২৮)। তাদেরকে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
ময়মনসিংহের ফুলপুরে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে ডুবে নারী ও শিশুসহ আটজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের ফুলপুর উপজেলার বাসাটি নামক স্থানে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- গফরগাঁও উপজেলার আঠারোদানা গ্রামের এলাহি বক্সের স্ত্রী রেজিয়া খাতুন (৭০), একই গ্রামের রতন মিয়ার মেয়ে রিপা আক্তার (২৫), মশাখালি গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রী পারুল বেগম (৪৫) ও মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে শামসুল হক (৫৫), ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া গ্রামের শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী বেগম (৩০), তারাকান্দা উপজেলার দাদরা গ্রামের নবী হোসেন (৩০), ভালুকা উপজেলার শাহজাহানের শিশু কন্যা বুলবুলি (৫) ও সামমুন শেখের স্ত্রী মিলন (৬০)।
হতাহত সবাই নিকট আত্মীয় এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও, ভালুকা ও তারাকান্দা উপজেলার বাসিন্দা। তারা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার বারোমারিতে হাসান আলী নামে তাদের এক আত্মীয়ের জানাজায় শরিক হওয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
ফুলপুর থানার ওসি ইমারত হোসেন গাজী জানান, ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে যাত্রীবোঝাই একটি মাইক্রোবাস শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার বারোমারি যাবার পথে সকাল পৌণে ৮টার দিকে ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের ফুলপুর উপজেলার বাসাটি নামক স্থানে পৌঁছালে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে এক শিশু, পাঁচজন নারী ও দুইজন পুরুষ রয়েছেন। মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ ১৪ জন যাত্রী ছিলেন।
মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধারকৃতরা হলেন- গফরগাঁও উপজেলার আঠারোদানা গ্রামের এলাহি বক্সের ছেলে রতন মিয়া (৫৩), মশাখালী গ্রামের মৃত উসমানের ছেলে হাবি (৫৫), ভালুকা উপজেলার কাইচান গ্রামের মিলনের ছেলে মিজান (২৮) ও রাজৈ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে সোহরাব (২৮)। তাদেরকে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :