বাংলাদেশ বিবিধ
মানবতার ফেরিওয়ালা প্রর্বতন
করোনাভাইরাস যখন বাংলাদেশে তার জায়গা করে নিতে ব্যস্ত ঠিক তখন ঝিনাইদহের একঝাঁক তরুণ-কিশোর কিশোরী দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে পাড়া-মহল্লা তৈরি করেছেন প্রবর্তন নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই ভয়ঙ্কর মহামারীর সময় সবাই যখন ঘরে কিন্তু তারা ঘরে বসে থাকেনি। দিন রাত কজ করে যাচ্ছেন তারা। অসহায় মানুষের কল ফোনে পেলেই ছুটে যাচ্ছে তারা। অসহায় মানুষের পাশে থাকায় যে তাদের মূল উদ্দেশ্য।
তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত তিন ধাপে ৩০০ টি পরিবারের মাঝে ১,২৫,০০০ টাকার খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন। প্রথম ধাপে ৬০ টি পরিবারের মাঝে প্রায় ২০ হাজার টাকার এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে প্রায় ২৪০ টি পরিবারের মাঝে ১,০৫,০০০ টাকার খাদ্য সহায়তা করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
তাদের সংগঠন সম্পর্কে জানতে চাইলে নাহিদুজ্জামান সম্রাট বলেন, আমরা বিভিন্ন ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থী সামাজিক দ্বায়বদ্ধতার জায়গা থেকে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার মাধ্যমে আমাদের ফান্ড কালেকশন শুরু করি। আল্লাহর রহমতে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীর টিফিনে জমানো ৩০ টাকা থেকে শুরু করে আমাদের বেশ কিছু সিনিয়র, ব্যাচমেট জুনিয়র সবার অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। তাদের এই সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ আমাদের চতুর্থ ধাপে অসহায় মানুষদের ঈদ বাজার করে দেয়ার সাহস যোগাচ্ছে আবারো। আমাদের পাশে নতুন করে "এস এস সি-২০১৮" ব্যাচের কিছু ছোটোভাই কাজ করবে। ইনশাআল্লাহ এভাবে ঝিনাইদহের সকল সামর্থ্যবান এগিয়ে আসলে দেশের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আমাদের প্রতিবেশী কাওকে ক্ষুধার্ত থাকা লাগবে না। সবাই মিলে আবার ইনশাআল্লাহ সুস্থ স্বাভাবিক পৃথিবীতে একসাথে বাঁচবো
তারা স্বাস্থ্যনীতি মেনে কাজ করছে কিনা জানতে চাইলে রিপা কুন্ডু জানান, আমাদের সকল স্বেচ্ছাসেবক স্বাস্থ্যনীতি ও বাংলাদেশ সরকারের সকল দিক নির্দেশনা মেনেই সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা একটানা কাজ করছে। ছবি প্রদানের উদ্দেশ্য অন্যদেরকেও অনুপ্রানিত করা। আমাদের পরিশ্রম দেখে কোনো পরিবারের যদি একবেলা খাবার ও জোটে সেইটাই হবে আমাদের সফলতা।-2020-05-10-5eb7d25d4c9c5.jpg)
আরও যারা কাজ করছেন, সবুজ, আশিক, আশিক, অলিভ, শিহাব, সায়েম, সানি, টাইসন, প্রান্ত, লিজা, তথি , অনিক সহ অনেকে দিন রাত খেটে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জন্য।
বাংলাদেশ বিবিধ
মানবতার ফেরিওয়ালা প্রর্বতন
করোনাভাইরাস যখন বাংলাদেশে তার জায়গা করে নিতে ব্যস্ত ঠিক তখন ঝিনাইদহের একঝাঁক তরুণ-কিশোর কিশোরী দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে পাড়া-মহল্লা তৈরি করেছেন প্রবর্তন নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই ভয়ঙ্কর মহামারীর সময় সবাই যখন ঘরে কিন্তু তারা ঘরে বসে থাকেনি। দিন রাত কজ করে যাচ্ছেন তারা। অসহায় মানুষের কল ফোনে পেলেই ছুটে যাচ্ছে তারা। অসহায় মানুষের পাশে থাকায় যে তাদের মূল উদ্দেশ্য।
তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত তিন ধাপে ৩০০ টি পরিবারের মাঝে ১,২৫,০০০ টাকার খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন। প্রথম ধাপে ৬০ টি পরিবারের মাঝে প্রায় ২০ হাজার টাকার এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে প্রায় ২৪০ টি পরিবারের মাঝে ১,০৫,০০০ টাকার খাদ্য সহায়তা করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
তাদের সংগঠন সম্পর্কে জানতে চাইলে নাহিদুজ্জামান সম্রাট বলেন, আমরা বিভিন্ন ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থী সামাজিক দ্বায়বদ্ধতার জায়গা থেকে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার মাধ্যমে আমাদের ফান্ড কালেকশন শুরু করি। আল্লাহর রহমতে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীর টিফিনে জমানো ৩০ টাকা থেকে শুরু করে আমাদের বেশ কিছু সিনিয়র, ব্যাচমেট জুনিয়র সবার অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। তাদের এই সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ আমাদের চতুর্থ ধাপে অসহায় মানুষদের ঈদ বাজার করে দেয়ার সাহস যোগাচ্ছে আবারো। আমাদের পাশে নতুন করে "এস এস সি-২০১৮" ব্যাচের কিছু ছোটোভাই কাজ করবে। ইনশাআল্লাহ এভাবে ঝিনাইদহের সকল সামর্থ্যবান এগিয়ে আসলে দেশের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আমাদের প্রতিবেশী কাওকে ক্ষুধার্ত থাকা লাগবে না। সবাই মিলে আবার ইনশাআল্লাহ সুস্থ স্বাভাবিক পৃথিবীতে একসাথে বাঁচবো
তারা স্বাস্থ্যনীতি মেনে কাজ করছে কিনা জানতে চাইলে রিপা কুন্ডু জানান, আমাদের সকল স্বেচ্ছাসেবক স্বাস্থ্যনীতি ও বাংলাদেশ সরকারের সকল দিক নির্দেশনা মেনেই সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা একটানা কাজ করছে। ছবি প্রদানের উদ্দেশ্য অন্যদেরকেও অনুপ্রানিত করা। আমাদের পরিশ্রম দেখে কোনো পরিবারের যদি একবেলা খাবার ও জোটে সেইটাই হবে আমাদের সফলতা।-2020-05-10-5eb7d25d4c9c5.jpg)
আরও যারা কাজ করছেন, সবুজ, আশিক, আশিক, অলিভ, শিহাব, সায়েম, সানি, টাইসন, প্রান্ত, লিজা, তথি , অনিক সহ অনেকে দিন রাত খেটে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জন্য।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
করোনাভাইরাস যখন বাংলাদেশে তার জায়গা করে নিতে ব্যস্ত ঠিক তখন ঝিনাইদহের একঝাঁক তরুণ-কিশোর কিশোরী দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে পাড়া-মহল্লা তৈরি করেছেন প্রবর্তন নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই ভয়ঙ্কর মহামারীর সময় সবাই যখন ঘরে কিন্তু তারা ঘরে বসে থাকেনি। দিন রাত কজ করে যাচ্ছেন তারা। অসহায় মানুষের কল ফোনে পেলেই ছুটে যাচ্ছে তারা। অসহায় মানুষের পাশে থাকায় যে তাদের মূল উদ্দেশ্য।
তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত তিন ধাপে ৩০০ টি পরিবারের মাঝে ১,২৫,০০০ টাকার খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন। প্রথম ধাপে ৬০ টি পরিবারের মাঝে প্রায় ২০ হাজার টাকার এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে প্রায় ২৪০ টি পরিবারের মাঝে ১,০৫,০০০ টাকার খাদ্য সহায়তা করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
তাদের সংগঠন সম্পর্কে জানতে চাইলে নাহিদুজ্জামান সম্রাট বলেন, আমরা বিভিন্ন ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থী সামাজিক দ্বায়বদ্ধতার জায়গা থেকে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার মাধ্যমে আমাদের ফান্ড কালেকশন শুরু করি। আল্লাহর রহমতে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীর টিফিনে জমানো ৩০ টাকা থেকে শুরু করে আমাদের বেশ কিছু সিনিয়র, ব্যাচমেট জুনিয়র সবার অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। তাদের এই সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ আমাদের চতুর্থ ধাপে অসহায় মানুষদের ঈদ বাজার করে দেয়ার সাহস যোগাচ্ছে আবারো। আমাদের পাশে নতুন করে "এস এস সি-২০১৮" ব্যাচের কিছু ছোটোভাই কাজ করবে। ইনশাআল্লাহ এভাবে ঝিনাইদহের সকল সামর্থ্যবান এগিয়ে আসলে দেশের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আমাদের প্রতিবেশী কাওকে ক্ষুধার্ত থাকা লাগবে না। সবাই মিলে আবার ইনশাআল্লাহ সুস্থ স্বাভাবিক পৃথিবীতে একসাথে বাঁচবো
তারা স্বাস্থ্যনীতি মেনে কাজ করছে কিনা জানতে চাইলে রিপা কুন্ডু জানান, আমাদের সকল স্বেচ্ছাসেবক স্বাস্থ্যনীতি ও বাংলাদেশ সরকারের সকল দিক নির্দেশনা মেনেই সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা একটানা কাজ করছে। ছবি প্রদানের উদ্দেশ্য অন্যদেরকেও অনুপ্রানিত করা। আমাদের পরিশ্রম দেখে কোনো পরিবারের যদি একবেলা খাবার ও জোটে সেইটাই হবে আমাদের সফলতা।-2020-05-10-5eb7d25d4c9c5.jpg)
আরও যারা কাজ করছেন, সবুজ, আশিক, আশিক, অলিভ, শিহাব, সায়েম, সানি, টাইসন, প্রান্ত, লিজা, তথি , অনিক সহ অনেকে দিন রাত খেটে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জন্য।
আপনার মতামত লিখুন :