বাংলাদেশ জেলা
কর্ণফুলী ইউএনও’র বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শন
বেড়েছে কাজের গতিশীলতা
কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। ধারাবাহিক ভাবে দক্ষতার সাথে প্রতিনিয়ত পরিদর্শন করছেন সকল ইউনিয়নের বড় প্রকল্প গুলো।
উপজেলার জুলধা ইউনিয়নের রহমানিয়া জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ে বাউন্ডারি নির্মাণে উন্নয়ন কাজ, ডাঙারচর ইমাম আলী জামে মসজিদ বাউন্ডারির নির্মাণ কাজ, পশ্চিম জুলধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট কাজ ৩রা সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বিকেলে সরেজমিনে পরিদর্শনে করেন। এছাড়াও এর পূর্বে চরপাথরঘাটা, চরলক্ষ্যা, শিকলবাহা ও বড়উঠানের ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ তদারকি করেন।
ফলে অবকাঠামো উন্নয়ন সহ সার্বিক কর্মকান্ডে ফিরে এসেছে স্বচ্ছলতা ও গতিশীলতা।জনসেবার মানও বেড়েছে। প্রশাসনিক কাঠামো হয়েছে অনেকটা শক্তিশালী। জনপ্রতিনিধিদের কর্মকান্ডে বেড়েছে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা। দীর্ঘদিনের বেড়াজাল ছিন্ন করে কর্ণফুলী উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তার সততা ও নিষ্ঠার কারণে কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসনে আজ প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সেবার মান বেড়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নেওয়া পদক্ষেপ স্থানীয় সংসদ সদস্য মাননীয় ভূমিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি’র দিক-নির্দেশনা যথাযথভাবে উপজেলা প্রশাসন পালন করছে। ফলশ্রুতিতে তার দক্ষতা ও যোগ্যতা সবার নজর কেড়েছে।
সুুন্দর সমাজ বির্নিমাণের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের মাদকমুক্ত, যৌতুক-বাল্য বিবাহ সহ ইভটিজিং রোধে সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন ও দায়িত্ব তদারকি করে থাকেন তিনি।
বিশেষ করে জমি আছে, ঘর নেই প্রকল্প ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভিজিডি কার্ডের তালিকা প্রণয়নের কাজে সততার সঙ্গে কাজ করে সবার মন জয় করেছেন।
এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করায় কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতী, শিক্ষক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহ সকল স্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজে কর্মচাঞ্চল্য ও লক্ষ্য করা যায়। ইউএনও’র কঠোর তৎপরতার মুখে এখানকার অফিসগুলোতে যেমন জনসেবার মান বেড়েছে। তেমনি তাদের নানা কর্মকান্ডে ফিরে এসেছে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা।
ইতিমধ্যেই উপজেলার জনপ্রতিনিধিদের কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে তার কঠোরতার মুখে অনেক জনপ্রতিনিধি তার প্রতি নাখোশ। নিয়মিত মাসিক মিটিংয়ে তিনি কর্মকর্তা কর্মচারী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে উপস্থিত থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন এবং কারো কাজে গাফিলাতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা প্রহণের হুশিঁয়ার উচ্চারণ করেন। ফলে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তার প্রতি অনেকটা নাখোশ বলে জানা যায়। এদিকে উপজেলায় অনেক জনবল সঙ্কট থাকলেও স্বল্প জনবল নিয়ে এগিয়ে যেতে হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনকে। এক্ষেত্রে কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ বারংবার বিভাগীয় কমিশনারকে জনবল সঙ্কট পূরণে অবগত করে আসছেন বলে জানা যায়।
কর্ণফুলী উপজেলার ইউএনও সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রুপকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাননীয় ভূমিমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতায় তার মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
ইউএনও আরো বলেন, আমি জনগণের সেবায় নিয়োজিত। আমার দপ্তর মানুষের সেবায় সব সময়। আমি হয়তো একদিন থাকব না, মানুষ আমার ভালো কাজটাকে সারাজীবন মনে রাখবে। সুতরাং সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করে একটি জনকল্যাণমূখী গতিশীল প্রশাসন দাড় করাতে চেষ্ঠা করে যাচ্ছি’।
বাংলাদেশ জেলা
কর্ণফুলী ইউএনও’র বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শন
বেড়েছে কাজের গতিশীলতা
কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। ধারাবাহিক ভাবে দক্ষতার সাথে প্রতিনিয়ত পরিদর্শন করছেন সকল ইউনিয়নের বড় প্রকল্প গুলো।
উপজেলার জুলধা ইউনিয়নের রহমানিয়া জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ে বাউন্ডারি নির্মাণে উন্নয়ন কাজ, ডাঙারচর ইমাম আলী জামে মসজিদ বাউন্ডারির নির্মাণ কাজ, পশ্চিম জুলধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট কাজ ৩রা সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বিকেলে সরেজমিনে পরিদর্শনে করেন। এছাড়াও এর পূর্বে চরপাথরঘাটা, চরলক্ষ্যা, শিকলবাহা ও বড়উঠানের ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ তদারকি করেন।
ফলে অবকাঠামো উন্নয়ন সহ সার্বিক কর্মকান্ডে ফিরে এসেছে স্বচ্ছলতা ও গতিশীলতা।জনসেবার মানও বেড়েছে। প্রশাসনিক কাঠামো হয়েছে অনেকটা শক্তিশালী। জনপ্রতিনিধিদের কর্মকান্ডে বেড়েছে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা। দীর্ঘদিনের বেড়াজাল ছিন্ন করে কর্ণফুলী উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তার সততা ও নিষ্ঠার কারণে কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসনে আজ প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সেবার মান বেড়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নেওয়া পদক্ষেপ স্থানীয় সংসদ সদস্য মাননীয় ভূমিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি’র দিক-নির্দেশনা যথাযথভাবে উপজেলা প্রশাসন পালন করছে। ফলশ্রুতিতে তার দক্ষতা ও যোগ্যতা সবার নজর কেড়েছে।
সুুন্দর সমাজ বির্নিমাণের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের মাদকমুক্ত, যৌতুক-বাল্য বিবাহ সহ ইভটিজিং রোধে সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন ও দায়িত্ব তদারকি করে থাকেন তিনি।
বিশেষ করে জমি আছে, ঘর নেই প্রকল্প ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভিজিডি কার্ডের তালিকা প্রণয়নের কাজে সততার সঙ্গে কাজ করে সবার মন জয় করেছেন।
এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করায় কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতী, শিক্ষক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহ সকল স্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজে কর্মচাঞ্চল্য ও লক্ষ্য করা যায়। ইউএনও’র কঠোর তৎপরতার মুখে এখানকার অফিসগুলোতে যেমন জনসেবার মান বেড়েছে। তেমনি তাদের নানা কর্মকান্ডে ফিরে এসেছে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা।
ইতিমধ্যেই উপজেলার জনপ্রতিনিধিদের কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে তার কঠোরতার মুখে অনেক জনপ্রতিনিধি তার প্রতি নাখোশ। নিয়মিত মাসিক মিটিংয়ে তিনি কর্মকর্তা কর্মচারী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে উপস্থিত থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন এবং কারো কাজে গাফিলাতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা প্রহণের হুশিঁয়ার উচ্চারণ করেন। ফলে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তার প্রতি অনেকটা নাখোশ বলে জানা যায়। এদিকে উপজেলায় অনেক জনবল সঙ্কট থাকলেও স্বল্প জনবল নিয়ে এগিয়ে যেতে হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনকে। এক্ষেত্রে কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ বারংবার বিভাগীয় কমিশনারকে জনবল সঙ্কট পূরণে অবগত করে আসছেন বলে জানা যায়।
কর্ণফুলী উপজেলার ইউএনও সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রুপকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাননীয় ভূমিমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতায় তার মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
ইউএনও আরো বলেন, আমি জনগণের সেবায় নিয়োজিত। আমার দপ্তর মানুষের সেবায় সব সময়। আমি হয়তো একদিন থাকব না, মানুষ আমার ভালো কাজটাকে সারাজীবন মনে রাখবে। সুতরাং সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করে একটি জনকল্যাণমূখী গতিশীল প্রশাসন দাড় করাতে চেষ্ঠা করে যাচ্ছি’।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। ধারাবাহিক ভাবে দক্ষতার সাথে প্রতিনিয়ত পরিদর্শন করছেন সকল ইউনিয়নের বড় প্রকল্প গুলো।
উপজেলার জুলধা ইউনিয়নের রহমানিয়া জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ে বাউন্ডারি নির্মাণে উন্নয়ন কাজ, ডাঙারচর ইমাম আলী জামে মসজিদ বাউন্ডারির নির্মাণ কাজ, পশ্চিম জুলধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট কাজ ৩রা সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বিকেলে সরেজমিনে পরিদর্শনে করেন। এছাড়াও এর পূর্বে চরপাথরঘাটা, চরলক্ষ্যা, শিকলবাহা ও বড়উঠানের ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ তদারকি করেন।
ফলে অবকাঠামো উন্নয়ন সহ সার্বিক কর্মকান্ডে ফিরে এসেছে স্বচ্ছলতা ও গতিশীলতা।জনসেবার মানও বেড়েছে। প্রশাসনিক কাঠামো হয়েছে অনেকটা শক্তিশালী। জনপ্রতিনিধিদের কর্মকান্ডে বেড়েছে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা। দীর্ঘদিনের বেড়াজাল ছিন্ন করে কর্ণফুলী উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তার সততা ও নিষ্ঠার কারণে কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসনে আজ প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সেবার মান বেড়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নেওয়া পদক্ষেপ স্থানীয় সংসদ সদস্য মাননীয় ভূমিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি’র দিক-নির্দেশনা যথাযথভাবে উপজেলা প্রশাসন পালন করছে। ফলশ্রুতিতে তার দক্ষতা ও যোগ্যতা সবার নজর কেড়েছে।
সুুন্দর সমাজ বির্নিমাণের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের মাদকমুক্ত, যৌতুক-বাল্য বিবাহ সহ ইভটিজিং রোধে সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন ও দায়িত্ব তদারকি করে থাকেন তিনি।
বিশেষ করে জমি আছে, ঘর নেই প্রকল্প ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভিজিডি কার্ডের তালিকা প্রণয়নের কাজে সততার সঙ্গে কাজ করে সবার মন জয় করেছেন।
এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করায় কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতী, শিক্ষক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহ সকল স্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজে কর্মচাঞ্চল্য ও লক্ষ্য করা যায়। ইউএনও’র কঠোর তৎপরতার মুখে এখানকার অফিসগুলোতে যেমন জনসেবার মান বেড়েছে। তেমনি তাদের নানা কর্মকান্ডে ফিরে এসেছে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা।
ইতিমধ্যেই উপজেলার জনপ্রতিনিধিদের কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে তার কঠোরতার মুখে অনেক জনপ্রতিনিধি তার প্রতি নাখোশ। নিয়মিত মাসিক মিটিংয়ে তিনি কর্মকর্তা কর্মচারী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে উপস্থিত থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন এবং কারো কাজে গাফিলাতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা প্রহণের হুশিঁয়ার উচ্চারণ করেন। ফলে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তার প্রতি অনেকটা নাখোশ বলে জানা যায়। এদিকে উপজেলায় অনেক জনবল সঙ্কট থাকলেও স্বল্প জনবল নিয়ে এগিয়ে যেতে হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনকে। এক্ষেত্রে কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ বারংবার বিভাগীয় কমিশনারকে জনবল সঙ্কট পূরণে অবগত করে আসছেন বলে জানা যায়।
কর্ণফুলী উপজেলার ইউএনও সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রুপকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাননীয় ভূমিমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতায় তার মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
ইউএনও আরো বলেন, আমি জনগণের সেবায় নিয়োজিত। আমার দপ্তর মানুষের সেবায় সব সময়। আমি হয়তো একদিন থাকব না, মানুষ আমার ভালো কাজটাকে সারাজীবন মনে রাখবে। সুতরাং সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করে একটি জনকল্যাণমূখী গতিশীল প্রশাসন দাড় করাতে চেষ্ঠা করে যাচ্ছি’।
আপনার মতামত লিখুন :