বাংলাদেশ আইন ও আদালত
ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা: রায় বুধবার
ফাইল ছবি
পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে বোমা হামলা ও গুলি ছোড়ার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার রায় বুধবার ঘোষণা করা হবে।
যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ সোমবার (১ জুলাই) পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রুস্তম আলী রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন।
এর আগে জেলহাজতে থাকা বিএনপির ৩০ নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি তুলে ধরেন।
গত রোববার ৩০ জন আসামি জামিন আবেদন করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা দলীয় কর্মসূচির পালনে ট্রেনে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে শেখ হাসিনার পথসভা হওয়ার কথা ছিল। তাকে বহনকারী ট্রেনটি পাকশী স্টেশনে পৌঁছার পরপরই ওই ট্রেনে ব্যাপক গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা চালানো হয়।
এতে শেখ হাসিনার কামরার জানালার কাঁচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ঈশ্বরদী জংশনে দলীয় পথসভার কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে শেখ হাসিনা দ্রুত ঈশ্বরদী ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় ঈশ্বরদী জিআরপি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তৎকালীন ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।
পুলিশ এক মাসের মধ্যে ঘটনার তদন্ত শেষ করে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। পাবনা কগনাইজিং আদালত-২ এর তৎকালীন বিচারক মো. তোফাজ্জল হোসেন স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য সিআইডিতে পাঠান।
গত ২৫ বছরে এই মামলার ৫২ জন আসামির মধ্যে পাঁচজন মারা গেছেন। তারা লেন- ওসিয়া, আলী আজগর, খোকন, তুহিন ও আলমগীর।
বাংলাদেশ আইন ও আদালত
ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা: রায় বুধবার
ফাইল ছবি
পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে বোমা হামলা ও গুলি ছোড়ার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার রায় বুধবার ঘোষণা করা হবে।
যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ সোমবার (১ জুলাই) পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রুস্তম আলী রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন।
এর আগে জেলহাজতে থাকা বিএনপির ৩০ নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি তুলে ধরেন।
গত রোববার ৩০ জন আসামি জামিন আবেদন করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা দলীয় কর্মসূচির পালনে ট্রেনে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে শেখ হাসিনার পথসভা হওয়ার কথা ছিল। তাকে বহনকারী ট্রেনটি পাকশী স্টেশনে পৌঁছার পরপরই ওই ট্রেনে ব্যাপক গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা চালানো হয়।
এতে শেখ হাসিনার কামরার জানালার কাঁচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ঈশ্বরদী জংশনে দলীয় পথসভার কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে শেখ হাসিনা দ্রুত ঈশ্বরদী ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় ঈশ্বরদী জিআরপি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তৎকালীন ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।
পুলিশ এক মাসের মধ্যে ঘটনার তদন্ত শেষ করে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। পাবনা কগনাইজিং আদালত-২ এর তৎকালীন বিচারক মো. তোফাজ্জল হোসেন স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য সিআইডিতে পাঠান।
গত ২৫ বছরে এই মামলার ৫২ জন আসামির মধ্যে পাঁচজন মারা গেছেন। তারা লেন- ওসিয়া, আলী আজগর, খোকন, তুহিন ও আলমগীর।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
ফাইল ছবি
পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে বোমা হামলা ও গুলি ছোড়ার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার রায় বুধবার ঘোষণা করা হবে।
যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ সোমবার (১ জুলাই) পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রুস্তম আলী রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন।
এর আগে জেলহাজতে থাকা বিএনপির ৩০ নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি তুলে ধরেন।
গত রোববার ৩০ জন আসামি জামিন আবেদন করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা দলীয় কর্মসূচির পালনে ট্রেনে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে শেখ হাসিনার পথসভা হওয়ার কথা ছিল। তাকে বহনকারী ট্রেনটি পাকশী স্টেশনে পৌঁছার পরপরই ওই ট্রেনে ব্যাপক গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা চালানো হয়।
এতে শেখ হাসিনার কামরার জানালার কাঁচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ঈশ্বরদী জংশনে দলীয় পথসভার কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে শেখ হাসিনা দ্রুত ঈশ্বরদী ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় ঈশ্বরদী জিআরপি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তৎকালীন ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।
পুলিশ এক মাসের মধ্যে ঘটনার তদন্ত শেষ করে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। পাবনা কগনাইজিং আদালত-২ এর তৎকালীন বিচারক মো. তোফাজ্জল হোসেন স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য সিআইডিতে পাঠান।
গত ২৫ বছরে এই মামলার ৫২ জন আসামির মধ্যে পাঁচজন মারা গেছেন। তারা লেন- ওসিয়া, আলী আজগর, খোকন, তুহিন ও আলমগীর।
আপনার মতামত লিখুন :