আন্তর্জাতিক
করোনায় আক্রান্তের সংখ্যায় চীনকে টপকাল ভারত
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যার হিসেবে করোনার আঁতুড়ঘর চীনকে ছাড়িয়ে গেছে ভারত। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ৮৫ হাজার ৯৪০ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়েছে।
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, আক্রান্তের সংখ্যায় বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ১১তম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশটিতে সংক্রমণের হার এখন কিছুটা কমে আসতে দেখা গেছে।
এদিকে শনাক্তের সংখ্যা ৮৫ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও ভারতে এ মারণ ভাইরাসে মৃত্যুর পরিমাণ অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম দেখা যাচ্ছে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল পর্যন্ত প্রাণঘাতী নতুন করোনাভাইরাসে দুই হাজার ৭৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগই হয় উপসর্গবিহীন, নয় তো হালকা উপসর্গ থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাদুর্ভাবের শুরুতেই দেশজুড়ে লকডাউন দিয়ে দেয়াও এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশ করা তথ্যমতে, চীনে শনিবার পর্যন্ত শনাক্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪ হাজার ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আর আক্রান্তদের মধ্যে ৪ হাজার ৬৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভারতের ঠিক পরেই অবস্থান করা পেরুতে আক্রান্ত-মৃত্যুর অনুপাত অনেকটা ভারতের মতোই। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত ৮৪ হাজার ৪৯৫, মৃত্যু ২ হাজার ৩৯২।
ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব অনুযায়ী, মহামারি করোনা সবচে বেশি তাণ্ডব চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যার হিসেবে দেশটির ধারেকাছেও নেই অন্য কোনো দেশ। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে দেশটিতে শনিবার পর্যন্ত ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ২৮৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছে ৮৮ হাজার ৫০০ জনের বেশি।
আন্তর্জাতিক
করোনায় আক্রান্তের সংখ্যায় চীনকে টপকাল ভারত
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যার হিসেবে করোনার আঁতুড়ঘর চীনকে ছাড়িয়ে গেছে ভারত। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ৮৫ হাজার ৯৪০ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়েছে।
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, আক্রান্তের সংখ্যায় বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ১১তম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশটিতে সংক্রমণের হার এখন কিছুটা কমে আসতে দেখা গেছে।
এদিকে শনাক্তের সংখ্যা ৮৫ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও ভারতে এ মারণ ভাইরাসে মৃত্যুর পরিমাণ অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম দেখা যাচ্ছে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল পর্যন্ত প্রাণঘাতী নতুন করোনাভাইরাসে দুই হাজার ৭৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগই হয় উপসর্গবিহীন, নয় তো হালকা উপসর্গ থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাদুর্ভাবের শুরুতেই দেশজুড়ে লকডাউন দিয়ে দেয়াও এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশ করা তথ্যমতে, চীনে শনিবার পর্যন্ত শনাক্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪ হাজার ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আর আক্রান্তদের মধ্যে ৪ হাজার ৬৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভারতের ঠিক পরেই অবস্থান করা পেরুতে আক্রান্ত-মৃত্যুর অনুপাত অনেকটা ভারতের মতোই। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত ৮৪ হাজার ৪৯৫, মৃত্যু ২ হাজার ৩৯২।
ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব অনুযায়ী, মহামারি করোনা সবচে বেশি তাণ্ডব চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যার হিসেবে দেশটির ধারেকাছেও নেই অন্য কোনো দেশ। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে দেশটিতে শনিবার পর্যন্ত ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ২৮৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছে ৮৮ হাজার ৫০০ জনের বেশি।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যার হিসেবে করোনার আঁতুড়ঘর চীনকে ছাড়িয়ে গেছে ভারত। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ৮৫ হাজার ৯৪০ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়েছে।
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, আক্রান্তের সংখ্যায় বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ১১তম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশটিতে সংক্রমণের হার এখন কিছুটা কমে আসতে দেখা গেছে।
এদিকে শনাক্তের সংখ্যা ৮৫ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও ভারতে এ মারণ ভাইরাসে মৃত্যুর পরিমাণ অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম দেখা যাচ্ছে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল পর্যন্ত প্রাণঘাতী নতুন করোনাভাইরাসে দুই হাজার ৭৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগই হয় উপসর্গবিহীন, নয় তো হালকা উপসর্গ থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাদুর্ভাবের শুরুতেই দেশজুড়ে লকডাউন দিয়ে দেয়াও এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশ করা তথ্যমতে, চীনে শনিবার পর্যন্ত শনাক্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪ হাজার ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আর আক্রান্তদের মধ্যে ৪ হাজার ৬৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভারতের ঠিক পরেই অবস্থান করা পেরুতে আক্রান্ত-মৃত্যুর অনুপাত অনেকটা ভারতের মতোই। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত ৮৪ হাজার ৪৯৫, মৃত্যু ২ হাজার ৩৯২।
ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব অনুযায়ী, মহামারি করোনা সবচে বেশি তাণ্ডব চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যার হিসেবে দেশটির ধারেকাছেও নেই অন্য কোনো দেশ। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে দেশটিতে শনিবার পর্যন্ত ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ২৮৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছে ৮৮ হাজার ৫০০ জনের বেশি।
আপনার মতামত লিখুন :