স্বাস্থ

করোনা চিকিৎসায় প্রথম প্লাজমা দিলেন দুই চিকিৎসক


নিউজরুম ডেস্ক
রবিবার, ১৭ মে ২০২০ ইং ২১:১৬
NewsRoom


প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্লাজমা দিয়েছেন করোনাজয়ী দুই চিকিৎসক।

শনিবার (১৬ মে) ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্লাজমা সংগ্রহের উদ্বোধনের পর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. দিলদার হোসেন বাদল ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের ডা. রওনক জামিল পিয়াসের প্লাজমা নেয়া হয়।

এ বিষয়ে প্লাজমা-সংক্রান্ত সরকারি কারিগরি উপ-কমিটির প্রধান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলোজি বিভাগের প্রধান ডা. এম এ খান বলেন, সংগ্রহ করা প্লাজমা পরীক্ষা করে দেখা হবে এতে অ্যান্টিবডি কতটুকু আছে। পরে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে রোগীর শরীরে পুশ করতে পারবো। সাধারণ জনগণ যারা করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন, তারা যেন প্লাজমা দেয়ার জন্য এগিয়ে আসেন, সে আহ্বান জানাই আমরা।

ঢামেক হাসপাতালের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মাজহারুল হক তপন বলেন, এমন না যে প্লাজমার চিকিৎসা পদ্ধতি চালু হয়েছে। এখন আমরা রিসার্চ করছি। কার শরীরে কতটুকু অ্যান্টিবডি আছে তা দেখা হবে। সেটা দেখে আমরা ব্লাড ট্রান্সফার করবো।

প্লাজমা হলো রক্তের জলীয় অংশ। রক্তের তিন প্রকারের কণিকা বাদ দিলে যে বাকি অংশ থাকে, সেটাই রক্তরস। কোনো মেরুদণ্ডী প্রাণীর শরীরের রক্তের প্রায় ৫৫ শতাংশই হলো রক্তরস।

সেরে ওঠা ব্যক্তির রক্তরস আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে দিয়ে চিকিৎসা দেয়ার এ প্রাচীন পদ্ধতি প্লাজমা থেরাপি নামে পরিচিত।

আপনার মতামত লিখুন :

ডেটায় দেশ

স্বাস্থ

করোনা চিকিৎসায় প্রথম প্লাজমা দিলেন দুই চিকিৎসক


নিউজরুম ডেস্ক
রবিবার, ১৭ মে ২০২০ ইং ২১:১৬
NewsRoom


প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্লাজমা দিয়েছেন করোনাজয়ী দুই চিকিৎসক।

শনিবার (১৬ মে) ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্লাজমা সংগ্রহের উদ্বোধনের পর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. দিলদার হোসেন বাদল ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের ডা. রওনক জামিল পিয়াসের প্লাজমা নেয়া হয়।

এ বিষয়ে প্লাজমা-সংক্রান্ত সরকারি কারিগরি উপ-কমিটির প্রধান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলোজি বিভাগের প্রধান ডা. এম এ খান বলেন, সংগ্রহ করা প্লাজমা পরীক্ষা করে দেখা হবে এতে অ্যান্টিবডি কতটুকু আছে। পরে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে রোগীর শরীরে পুশ করতে পারবো। সাধারণ জনগণ যারা করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন, তারা যেন প্লাজমা দেয়ার জন্য এগিয়ে আসেন, সে আহ্বান জানাই আমরা।

ঢামেক হাসপাতালের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মাজহারুল হক তপন বলেন, এমন না যে প্লাজমার চিকিৎসা পদ্ধতি চালু হয়েছে। এখন আমরা রিসার্চ করছি। কার শরীরে কতটুকু অ্যান্টিবডি আছে তা দেখা হবে। সেটা দেখে আমরা ব্লাড ট্রান্সফার করবো।

প্লাজমা হলো রক্তের জলীয় অংশ। রক্তের তিন প্রকারের কণিকা বাদ দিলে যে বাকি অংশ থাকে, সেটাই রক্তরস। কোনো মেরুদণ্ডী প্রাণীর শরীরের রক্তের প্রায় ৫৫ শতাংশই হলো রক্তরস।

সেরে ওঠা ব্যক্তির রক্তরস আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে দিয়ে চিকিৎসা দেয়ার এ প্রাচীন পদ্ধতি প্লাজমা থেরাপি নামে পরিচিত।

আপনার মতামত লিখুন :


করোনা চিকিৎসায় প্রথম প্লাজমা দিলেন দুই চিকিৎসক

নিউজরুম ডেস্ক রবিবার, ১৭ মে ২০২০ ইং ২১:১৬ NewsRoom


প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্লাজমা দিয়েছেন করোনাজয়ী দুই চিকিৎসক।

শনিবার (১৬ মে) ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্লাজমা সংগ্রহের উদ্বোধনের পর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. দিলদার হোসেন বাদল ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের ডা. রওনক জামিল পিয়াসের প্লাজমা নেয়া হয়।

এ বিষয়ে প্লাজমা-সংক্রান্ত সরকারি কারিগরি উপ-কমিটির প্রধান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলোজি বিভাগের প্রধান ডা. এম এ খান বলেন, সংগ্রহ করা প্লাজমা পরীক্ষা করে দেখা হবে এতে অ্যান্টিবডি কতটুকু আছে। পরে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে রোগীর শরীরে পুশ করতে পারবো। সাধারণ জনগণ যারা করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন, তারা যেন প্লাজমা দেয়ার জন্য এগিয়ে আসেন, সে আহ্বান জানাই আমরা।

ঢামেক হাসপাতালের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মাজহারুল হক তপন বলেন, এমন না যে প্লাজমার চিকিৎসা পদ্ধতি চালু হয়েছে। এখন আমরা রিসার্চ করছি। কার শরীরে কতটুকু অ্যান্টিবডি আছে তা দেখা হবে। সেটা দেখে আমরা ব্লাড ট্রান্সফার করবো।

প্লাজমা হলো রক্তের জলীয় অংশ। রক্তের তিন প্রকারের কণিকা বাদ দিলে যে বাকি অংশ থাকে, সেটাই রক্তরস। কোনো মেরুদণ্ডী প্রাণীর শরীরের রক্তের প্রায় ৫৫ শতাংশই হলো রক্তরস।

সেরে ওঠা ব্যক্তির রক্তরস আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে দিয়ে চিকিৎসা দেয়ার এ প্রাচীন পদ্ধতি প্লাজমা থেরাপি নামে পরিচিত।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd