বাংলাদেশ জাতীয়
বড় স্থানে ঈদ জামাত আয়োজন করা যাবে না
আসন্ন ঈদুল ফিতরের জামাত বড় উন্মুক্ত স্থানে আয়োজন করা যাবে না। ঈদ জামাতের ক্ষেত্রেও দেশে বর্তমান বিদ্যমান বিধি-বিধান প্রযোজ্য হবে। এ বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরবর্তিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপনে ঈদ জামাতের ক্ষেত্রে এই বিধি নিষেধ জানানো হয়।
এতে আরও জানানো হয়, সাধারণ ছুটির এই সময়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলা এবং এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় বেচাকেনা, ওষুধ কেনা, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না।
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফায় বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। চতুর্থ দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। আরেক দফায় ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ এই ছুটি ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এখন আবার নতুন ছুটির সিদ্ধান্ত হলো।
বাংলাদেশ জাতীয়
বড় স্থানে ঈদ জামাত আয়োজন করা যাবে না
আসন্ন ঈদুল ফিতরের জামাত বড় উন্মুক্ত স্থানে আয়োজন করা যাবে না। ঈদ জামাতের ক্ষেত্রেও দেশে বর্তমান বিদ্যমান বিধি-বিধান প্রযোজ্য হবে। এ বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরবর্তিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপনে ঈদ জামাতের ক্ষেত্রে এই বিধি নিষেধ জানানো হয়।
এতে আরও জানানো হয়, সাধারণ ছুটির এই সময়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলা এবং এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় বেচাকেনা, ওষুধ কেনা, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না।
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফায় বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। চতুর্থ দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। আরেক দফায় ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ এই ছুটি ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এখন আবার নতুন ছুটির সিদ্ধান্ত হলো।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
আসন্ন ঈদুল ফিতরের জামাত বড় উন্মুক্ত স্থানে আয়োজন করা যাবে না। ঈদ জামাতের ক্ষেত্রেও দেশে বর্তমান বিদ্যমান বিধি-বিধান প্রযোজ্য হবে। এ বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরবর্তিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপনে ঈদ জামাতের ক্ষেত্রে এই বিধি নিষেধ জানানো হয়।
এতে আরও জানানো হয়, সাধারণ ছুটির এই সময়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলা এবং এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় বেচাকেনা, ওষুধ কেনা, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না।
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফায় বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। চতুর্থ দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। আরেক দফায় ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ এই ছুটি ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এখন আবার নতুন ছুটির সিদ্ধান্ত হলো।
আপনার মতামত লিখুন :