বাংলাদেশ জাতীয়
কোভিড-১৯
করোনা চিকিৎসায় প্রস্তুত প্রাণ-আরএফএল-এর আইসোলেশন ইউনিট
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ মোকাবিলায় রোগীদের চিকিৎসা দিতে আমজাদ খান চৌধুরী মেমোরিয়াল হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে।
নাটোর সদরের চাঁদপুরে অবস্থিত আমজাদ খান চৌধুরী মেমোরিয়াল হাসপাতাল সংলগ্ন এই আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত করেছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।
সেখানে চিকিৎসক ও নার্সরা ২৪ ঘণ্টা রোগীদের সেবা দেবেন।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, আমাদের আইসোলেশন ইউনিটটি স্থাপনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রোগীদের বিনামূল্যে আমরা চিকিৎসাসেবা দেব। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে অনুমোদন চেয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। আশা করছি এ সপ্তাহের মধ্যে অনুমোদনটি পেয়ে যাব।
আমজাদ খান চৌধুরী মেমোরিয়াল হাসপাতালের সমন্বয়কারী ডা. রাজিব উল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ২০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। হাসপাতালের মেডিসিনসহ কয়েকটি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত টিম ২৪ ঘণ্টা রোগীদের সেবা দেয়ার জন্য প্রস্তুত। এজন্য তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালের একটি ভবনে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জনের পরামর্শে এই আইসোলেশন ইউনিট পরিচালিত হবে। এজন্য প্রাথমিকভাবে ২০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া গুরুতর রোগীদের জন্য রয়েছে আইসিইউ সুবিধা।
ডা. রাজিব উল ইসলাম বলেন, আমরা রোগীদের কয়েকটি পরিস্থিতি যাচাই করে ভর্তি করবো। তাদের সেবার জন্য যেসব সরঞ্জাম দরকার সেগুলো আমরা এরই মধ্যে ব্যবস্থা করেছি। চিকিৎসক ও ডাক্তাদের জন্যও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। এই ইউনিটটি পৃথক বিল্ডিংয়ে হওয়ায় হাসপাতালে অন্য রোগীদের চিকিৎসাসেবা যথারীতি চলবে।
বাংলাদেশ জাতীয়
কোভিড-১৯
করোনা চিকিৎসায় প্রস্তুত প্রাণ-আরএফএল-এর আইসোলেশন ইউনিট
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ মোকাবিলায় রোগীদের চিকিৎসা দিতে আমজাদ খান চৌধুরী মেমোরিয়াল হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে।
নাটোর সদরের চাঁদপুরে অবস্থিত আমজাদ খান চৌধুরী মেমোরিয়াল হাসপাতাল সংলগ্ন এই আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত করেছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।
সেখানে চিকিৎসক ও নার্সরা ২৪ ঘণ্টা রোগীদের সেবা দেবেন।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, আমাদের আইসোলেশন ইউনিটটি স্থাপনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রোগীদের বিনামূল্যে আমরা চিকিৎসাসেবা দেব। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে অনুমোদন চেয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। আশা করছি এ সপ্তাহের মধ্যে অনুমোদনটি পেয়ে যাব।
আমজাদ খান চৌধুরী মেমোরিয়াল হাসপাতালের সমন্বয়কারী ডা. রাজিব উল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ২০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। হাসপাতালের মেডিসিনসহ কয়েকটি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত টিম ২৪ ঘণ্টা রোগীদের সেবা দেয়ার জন্য প্রস্তুত। এজন্য তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালের একটি ভবনে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জনের পরামর্শে এই আইসোলেশন ইউনিট পরিচালিত হবে। এজন্য প্রাথমিকভাবে ২০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া গুরুতর রোগীদের জন্য রয়েছে আইসিইউ সুবিধা।
ডা. রাজিব উল ইসলাম বলেন, আমরা রোগীদের কয়েকটি পরিস্থিতি যাচাই করে ভর্তি করবো। তাদের সেবার জন্য যেসব সরঞ্জাম দরকার সেগুলো আমরা এরই মধ্যে ব্যবস্থা করেছি। চিকিৎসক ও ডাক্তাদের জন্যও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। এই ইউনিটটি পৃথক বিল্ডিংয়ে হওয়ায় হাসপাতালে অন্য রোগীদের চিকিৎসাসেবা যথারীতি চলবে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ মোকাবিলায় রোগীদের চিকিৎসা দিতে আমজাদ খান চৌধুরী মেমোরিয়াল হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে।
নাটোর সদরের চাঁদপুরে অবস্থিত আমজাদ খান চৌধুরী মেমোরিয়াল হাসপাতাল সংলগ্ন এই আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত করেছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।
সেখানে চিকিৎসক ও নার্সরা ২৪ ঘণ্টা রোগীদের সেবা দেবেন।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, আমাদের আইসোলেশন ইউনিটটি স্থাপনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রোগীদের বিনামূল্যে আমরা চিকিৎসাসেবা দেব। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে অনুমোদন চেয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। আশা করছি এ সপ্তাহের মধ্যে অনুমোদনটি পেয়ে যাব।
আমজাদ খান চৌধুরী মেমোরিয়াল হাসপাতালের সমন্বয়কারী ডা. রাজিব উল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ২০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। হাসপাতালের মেডিসিনসহ কয়েকটি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত টিম ২৪ ঘণ্টা রোগীদের সেবা দেয়ার জন্য প্রস্তুত। এজন্য তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালের একটি ভবনে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জনের পরামর্শে এই আইসোলেশন ইউনিট পরিচালিত হবে। এজন্য প্রাথমিকভাবে ২০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া গুরুতর রোগীদের জন্য রয়েছে আইসিইউ সুবিধা।
ডা. রাজিব উল ইসলাম বলেন, আমরা রোগীদের কয়েকটি পরিস্থিতি যাচাই করে ভর্তি করবো। তাদের সেবার জন্য যেসব সরঞ্জাম দরকার সেগুলো আমরা এরই মধ্যে ব্যবস্থা করেছি। চিকিৎসক ও ডাক্তাদের জন্যও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। এই ইউনিটটি পৃথক বিল্ডিংয়ে হওয়ায় হাসপাতালে অন্য রোগীদের চিকিৎসাসেবা যথারীতি চলবে।
আপনার মতামত লিখুন :