বাংলাদেশ আইন ও আদালত
ওসির রুম থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
বরগুনার আমতলী থানা পুলিশের ওসির (তদন্ত) কক্ষ থেকে মোহাম্মদ সানু হাওলাদার নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ওসি ও এক এসআইকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত ২৪ মার্চ একটি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করে আমতলী থানা পুলিশ। নিহতের বাড়ি উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামে।
নিহত যুবকের স্ত্রী ঝরনা বেগমের অভিযোগ, ৩ লাখ টাকা ঘুষ না দেয়ায় থানায় পিটিয়ে হত্যার পর তার স্বামীর লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ও ডিউটি অফিসার এসআই আরিফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার তদন্তে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফায়েল আহমেদকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায় সেজন্য সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমন আশ্বাস দিয়েছেন বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।
বাংলাদেশ আইন ও আদালত
ওসির রুম থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
বরগুনার আমতলী থানা পুলিশের ওসির (তদন্ত) কক্ষ থেকে মোহাম্মদ সানু হাওলাদার নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ওসি ও এক এসআইকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত ২৪ মার্চ একটি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করে আমতলী থানা পুলিশ। নিহতের বাড়ি উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামে।
নিহত যুবকের স্ত্রী ঝরনা বেগমের অভিযোগ, ৩ লাখ টাকা ঘুষ না দেয়ায় থানায় পিটিয়ে হত্যার পর তার স্বামীর লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ও ডিউটি অফিসার এসআই আরিফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার তদন্তে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফায়েল আহমেদকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায় সেজন্য সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমন আশ্বাস দিয়েছেন বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
বরগুনার আমতলী থানা পুলিশের ওসির (তদন্ত) কক্ষ থেকে মোহাম্মদ সানু হাওলাদার নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ওসি ও এক এসআইকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত ২৪ মার্চ একটি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করে আমতলী থানা পুলিশ। নিহতের বাড়ি উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামে।
নিহত যুবকের স্ত্রী ঝরনা বেগমের অভিযোগ, ৩ লাখ টাকা ঘুষ না দেয়ায় থানায় পিটিয়ে হত্যার পর তার স্বামীর লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ও ডিউটি অফিসার এসআই আরিফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার তদন্তে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফায়েল আহমেদকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায় সেজন্য সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমন আশ্বাস দিয়েছেন বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।
আপনার মতামত লিখুন :