বাংলাদেশ
বিনামূল্যে ৬৮ লাখ মাস্ক দিচ্ছে জাপান
সম্প্রতি করোনাভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বজুড়ে মাস্কের ব্যবহার বেড়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মাঝেও বেড়েছে মাস্ক ব্যবহারের পরিমাণ। ফলে হঠাৎ করে এর দাম কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
বাজারে মাস্কের সঙ্কট ও দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হলেও মাস্কের সঙ্কট হবে না। আগামী সপ্তাহ থেকেই বাজারে দৈনিক ১ লাখ মাস্কের সরবরাহ হবে বলে জানান মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।
তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও সংক্রমণ রোধে জাপান সরকার ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৬৮ লাখ পিস মাস্ক বিনামূল্যে সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ফলে মাস্কের সঙ্কট হওয়ার কোন কারণ নেই। জনগণ যেন অযথা ভয় না পায় সেজন্য গণমাধ্যমকে সঠিক তথ্য প্রচার করতে অনুরোধ জানান তিনি। মুনাফার আশায় অনেক ব্যবসায়ী দোকান ও ফার্মেসিতে মাস্ক মজুদ রাখছেন। সরবরাহ কম বলে বেশি দাম হাঁকছেন। ক্রেতার কেউ কেউ ভয়ে আগাম মাস্ক কিনে রাখতে দোকানে ঢুঁ মারছেন। এ কারণে মাস্কের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি হয়েছে।
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, দেশে দুটি কোম্পানি মাস্ক তৈরি করে। একটি নরসিংদীর গেট ওয়েল অপরটি রাজশাহীর হ্যালো ইউ। এ দুটি কোম্পানির একটি দৈনিক ১৫ হাজার ও অপরটি ৫০ হাজার মাস্ক তৈরি করে। সম্প্রতি চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে গত সপ্তাহে মাস্ক উৎপাদনকারী এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরী বৈঠক করেন তিনি। জরুরী বৈঠকে তিনি জানতে পারেন, হ্যালো ইউ নামের প্রতিষ্ঠানটির কাছে বর্তমানে মাস্ক তৈরির কাঁচামাল নেই। তবে গেট ওয়েল কোম্পানি যেটি দৈনিক ১৫ হাজার মাস্ক উৎপাদন করে তাদের কাছে পর্যাপ্ত কাঁচামাল মজুদ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি হ্যালো ইউ কোম্পানির কাছে গেটওয়েল কোম্পানিকে কাঁচামাল দেয়ার আহ্বান জানালে তারা রাজি হয়। শুধু তাই নয়, হ্যালো ইউ কোম্পানিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারে মাস্কের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে দৈনিক ১৫ হাজারের বদলে ৫০ হাজার মাস্ক উৎপাদনের প্রস্তাব দিলেও রাজি হয়।
বাংলাদেশ
বিনামূল্যে ৬৮ লাখ মাস্ক দিচ্ছে জাপান
সম্প্রতি করোনাভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বজুড়ে মাস্কের ব্যবহার বেড়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মাঝেও বেড়েছে মাস্ক ব্যবহারের পরিমাণ। ফলে হঠাৎ করে এর দাম কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
বাজারে মাস্কের সঙ্কট ও দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হলেও মাস্কের সঙ্কট হবে না। আগামী সপ্তাহ থেকেই বাজারে দৈনিক ১ লাখ মাস্কের সরবরাহ হবে বলে জানান মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।
তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও সংক্রমণ রোধে জাপান সরকার ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৬৮ লাখ পিস মাস্ক বিনামূল্যে সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ফলে মাস্কের সঙ্কট হওয়ার কোন কারণ নেই। জনগণ যেন অযথা ভয় না পায় সেজন্য গণমাধ্যমকে সঠিক তথ্য প্রচার করতে অনুরোধ জানান তিনি। মুনাফার আশায় অনেক ব্যবসায়ী দোকান ও ফার্মেসিতে মাস্ক মজুদ রাখছেন। সরবরাহ কম বলে বেশি দাম হাঁকছেন। ক্রেতার কেউ কেউ ভয়ে আগাম মাস্ক কিনে রাখতে দোকানে ঢুঁ মারছেন। এ কারণে মাস্কের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি হয়েছে।
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, দেশে দুটি কোম্পানি মাস্ক তৈরি করে। একটি নরসিংদীর গেট ওয়েল অপরটি রাজশাহীর হ্যালো ইউ। এ দুটি কোম্পানির একটি দৈনিক ১৫ হাজার ও অপরটি ৫০ হাজার মাস্ক তৈরি করে। সম্প্রতি চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে গত সপ্তাহে মাস্ক উৎপাদনকারী এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরী বৈঠক করেন তিনি। জরুরী বৈঠকে তিনি জানতে পারেন, হ্যালো ইউ নামের প্রতিষ্ঠানটির কাছে বর্তমানে মাস্ক তৈরির কাঁচামাল নেই। তবে গেট ওয়েল কোম্পানি যেটি দৈনিক ১৫ হাজার মাস্ক উৎপাদন করে তাদের কাছে পর্যাপ্ত কাঁচামাল মজুদ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি হ্যালো ইউ কোম্পানির কাছে গেটওয়েল কোম্পানিকে কাঁচামাল দেয়ার আহ্বান জানালে তারা রাজি হয়। শুধু তাই নয়, হ্যালো ইউ কোম্পানিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারে মাস্কের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে দৈনিক ১৫ হাজারের বদলে ৫০ হাজার মাস্ক উৎপাদনের প্রস্তাব দিলেও রাজি হয়।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
সম্প্রতি করোনাভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বজুড়ে মাস্কের ব্যবহার বেড়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মাঝেও বেড়েছে মাস্ক ব্যবহারের পরিমাণ। ফলে হঠাৎ করে এর দাম কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
বাজারে মাস্কের সঙ্কট ও দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হলেও মাস্কের সঙ্কট হবে না। আগামী সপ্তাহ থেকেই বাজারে দৈনিক ১ লাখ মাস্কের সরবরাহ হবে বলে জানান মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।
তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও সংক্রমণ রোধে জাপান সরকার ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৬৮ লাখ পিস মাস্ক বিনামূল্যে সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ফলে মাস্কের সঙ্কট হওয়ার কোন কারণ নেই। জনগণ যেন অযথা ভয় না পায় সেজন্য গণমাধ্যমকে সঠিক তথ্য প্রচার করতে অনুরোধ জানান তিনি। মুনাফার আশায় অনেক ব্যবসায়ী দোকান ও ফার্মেসিতে মাস্ক মজুদ রাখছেন। সরবরাহ কম বলে বেশি দাম হাঁকছেন। ক্রেতার কেউ কেউ ভয়ে আগাম মাস্ক কিনে রাখতে দোকানে ঢুঁ মারছেন। এ কারণে মাস্কের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি হয়েছে।
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, দেশে দুটি কোম্পানি মাস্ক তৈরি করে। একটি নরসিংদীর গেট ওয়েল অপরটি রাজশাহীর হ্যালো ইউ। এ দুটি কোম্পানির একটি দৈনিক ১৫ হাজার ও অপরটি ৫০ হাজার মাস্ক তৈরি করে। সম্প্রতি চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে গত সপ্তাহে মাস্ক উৎপাদনকারী এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরী বৈঠক করেন তিনি। জরুরী বৈঠকে তিনি জানতে পারেন, হ্যালো ইউ নামের প্রতিষ্ঠানটির কাছে বর্তমানে মাস্ক তৈরির কাঁচামাল নেই। তবে গেট ওয়েল কোম্পানি যেটি দৈনিক ১৫ হাজার মাস্ক উৎপাদন করে তাদের কাছে পর্যাপ্ত কাঁচামাল মজুদ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি হ্যালো ইউ কোম্পানির কাছে গেটওয়েল কোম্পানিকে কাঁচামাল দেয়ার আহ্বান জানালে তারা রাজি হয়। শুধু তাই নয়, হ্যালো ইউ কোম্পানিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারে মাস্কের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে দৈনিক ১৫ হাজারের বদলে ৫০ হাজার মাস্ক উৎপাদনের প্রস্তাব দিলেও রাজি হয়।
আপনার মতামত লিখুন :