বাংলাদেশ আইন ও আদালত
বিডিআর বিদ্রোহ: প্রকাশের অপেক্ষায় পূর্ণাঙ্গ রায়
বহুল আলোচিত বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস) বিদ্রোহের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার রায় প্রকাশ করার জন্য প্রস্তুতি চলছে। ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত এবং বড় এ মামলায় এখন প্রকাশের অপেক্ষায় ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়।
জানা গেছে, ইতোমধ্যে হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চের বিচারপতিদের দুই বিচারপতি রায়ে স্বাক্ষর করেছেন। অন্য বিচারপতির স্বাক্ষরের পরপরই রায় প্রকাশ করা হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যার্টর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রায় দুই বছর আগে ঘোষিত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি আজ মঙ্গলবারই (৭ জানুয়ারি) প্রকাশ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহের নামে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে ঘটেছিল এক নারকীয় হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রাণ হারান। বিচারের মুখোমুখি করা হয় ৮৪৬ বিডিআর জওয়ানকে। মামলার অন্য চার আসামি বিচার চলাকালে মারা যান। আসামির সংখ্যার দিক থেকে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হত্যা মামলা।
২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ মামলায় ১৫২ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুর আদেশ দেন বিচারিক আদালত। এদের একজন ছাড়া সবাই তৎকালীন বিডিআরের সদস্য। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় ১৬১ জনকে। সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পান আরও ২৫৬ জন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পান ২৭৮ জন আসামি। সাজা হয় মোট ৫৬৮ জনের।
আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহে অভ্যন্তরীণ ও বাইরের ষড়যন্ত্র ছিল। আদালত বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে গণতন্ত্র ধ্বংস করাই ছিল বিদ্রোহের অন্যতম উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশ আইন ও আদালত
বিডিআর বিদ্রোহ: প্রকাশের অপেক্ষায় পূর্ণাঙ্গ রায়
বহুল আলোচিত বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস) বিদ্রোহের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার রায় প্রকাশ করার জন্য প্রস্তুতি চলছে। ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত এবং বড় এ মামলায় এখন প্রকাশের অপেক্ষায় ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়।
জানা গেছে, ইতোমধ্যে হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চের বিচারপতিদের দুই বিচারপতি রায়ে স্বাক্ষর করেছেন। অন্য বিচারপতির স্বাক্ষরের পরপরই রায় প্রকাশ করা হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যার্টর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রায় দুই বছর আগে ঘোষিত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি আজ মঙ্গলবারই (৭ জানুয়ারি) প্রকাশ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহের নামে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে ঘটেছিল এক নারকীয় হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রাণ হারান। বিচারের মুখোমুখি করা হয় ৮৪৬ বিডিআর জওয়ানকে। মামলার অন্য চার আসামি বিচার চলাকালে মারা যান। আসামির সংখ্যার দিক থেকে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হত্যা মামলা।
২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ মামলায় ১৫২ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুর আদেশ দেন বিচারিক আদালত। এদের একজন ছাড়া সবাই তৎকালীন বিডিআরের সদস্য। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় ১৬১ জনকে। সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পান আরও ২৫৬ জন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পান ২৭৮ জন আসামি। সাজা হয় মোট ৫৬৮ জনের।
আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহে অভ্যন্তরীণ ও বাইরের ষড়যন্ত্র ছিল। আদালত বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে গণতন্ত্র ধ্বংস করাই ছিল বিদ্রোহের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
বহুল আলোচিত বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস) বিদ্রোহের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার রায় প্রকাশ করার জন্য প্রস্তুতি চলছে। ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত এবং বড় এ মামলায় এখন প্রকাশের অপেক্ষায় ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়।
জানা গেছে, ইতোমধ্যে হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চের বিচারপতিদের দুই বিচারপতি রায়ে স্বাক্ষর করেছেন। অন্য বিচারপতির স্বাক্ষরের পরপরই রায় প্রকাশ করা হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যার্টর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রায় দুই বছর আগে ঘোষিত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি আজ মঙ্গলবারই (৭ জানুয়ারি) প্রকাশ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহের নামে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে ঘটেছিল এক নারকীয় হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রাণ হারান। বিচারের মুখোমুখি করা হয় ৮৪৬ বিডিআর জওয়ানকে। মামলার অন্য চার আসামি বিচার চলাকালে মারা যান। আসামির সংখ্যার দিক থেকে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হত্যা মামলা।
২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ মামলায় ১৫২ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুর আদেশ দেন বিচারিক আদালত। এদের একজন ছাড়া সবাই তৎকালীন বিডিআরের সদস্য। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় ১৬১ জনকে। সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পান আরও ২৫৬ জন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পান ২৭৮ জন আসামি। সাজা হয় মোট ৫৬৮ জনের।
আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহে অভ্যন্তরীণ ও বাইরের ষড়যন্ত্র ছিল। আদালত বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে গণতন্ত্র ধ্বংস করাই ছিল বিদ্রোহের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আপনার মতামত লিখুন :