বাংলাদেশ আইন ও আদালত

এফ আর টাওয়ারের সভাপতি তাসভীর গ্রেপ্তার


নিউজরুম ডেস্ক
সোমবার, ১৯ আগষ্ট ২০১৯ ইং ০৫:০৪
NewsRoom


রাজধানীর বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তাসভীর উল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাসভীর এফ আর টাওয়ারের পরিচালনা কমিটির সভাপতি।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে তাসভীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চলতি বছরের ২৮ মার্চ এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ২৭ জন মারা যান। তাঁদের মধ্যে কেউ ভবন থেকে পড়ে আবার কেউ আগুনে পুড়ে মারা যান।

প্রণব ভট্টাচার্য বলেন, ব্যবসায়ী তাসভীর উল ইসলাম এফ আর টাওয়ারের ২১, ২২ ও ২৩তম তলা বন্ধক রেখে আর্থিক প্রতিষ্ঠান জিএসপি ফিন্যান্স থেকে ৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

তাসভীর উল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপিরও সভাপতি। ওই টাওয়ারের ২১, ২২ ও ২৩তম তলার মালিকানা রয়েছে প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের হাতে। এই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাসভীর।

সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভবনটির ভূমিমালিক ইঞ্জিনিয়ার ফারুক ও রূপায়ণ গ্রুপ যৌথভাবে নকশা অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। তখন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ১৮ তলা ভবন নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন দেয়। পরে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর ভবনটিকে ২৩ তলা পর্যন্ত বর্ধিত করে নির্মাণ করা হয়।

ডেভেলপার কোম্পানি রূপায়ণ ভবনটির ২০ ও ২১তম তলাটি জাতীয় পার্টির প্রয়াত সাবেক সাংসদ মাইদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে। মাইদুল ইসলামের কাছ থেকে ফ্লোর দুইটি কিনে নেন কাশেম ড্রাইসেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএনপি নেতা তাসভীর উল ইসলাম। এরপর তিনি নকশা পরিবর্তন করে ছাদের ওপর আর দুইটি তলা নির্মাণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশ আইন ও আদালত

এফ আর টাওয়ারের সভাপতি তাসভীর গ্রেপ্তার


নিউজরুম ডেস্ক
সোমবার, ১৯ আগষ্ট ২০১৯ ইং ০৫:০৪
NewsRoom


রাজধানীর বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তাসভীর উল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাসভীর এফ আর টাওয়ারের পরিচালনা কমিটির সভাপতি।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে তাসভীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চলতি বছরের ২৮ মার্চ এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ২৭ জন মারা যান। তাঁদের মধ্যে কেউ ভবন থেকে পড়ে আবার কেউ আগুনে পুড়ে মারা যান।

প্রণব ভট্টাচার্য বলেন, ব্যবসায়ী তাসভীর উল ইসলাম এফ আর টাওয়ারের ২১, ২২ ও ২৩তম তলা বন্ধক রেখে আর্থিক প্রতিষ্ঠান জিএসপি ফিন্যান্স থেকে ৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

তাসভীর উল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপিরও সভাপতি। ওই টাওয়ারের ২১, ২২ ও ২৩তম তলার মালিকানা রয়েছে প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের হাতে। এই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাসভীর।

সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভবনটির ভূমিমালিক ইঞ্জিনিয়ার ফারুক ও রূপায়ণ গ্রুপ যৌথভাবে নকশা অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। তখন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ১৮ তলা ভবন নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন দেয়। পরে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর ভবনটিকে ২৩ তলা পর্যন্ত বর্ধিত করে নির্মাণ করা হয়।

ডেভেলপার কোম্পানি রূপায়ণ ভবনটির ২০ ও ২১তম তলাটি জাতীয় পার্টির প্রয়াত সাবেক সাংসদ মাইদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে। মাইদুল ইসলামের কাছ থেকে ফ্লোর দুইটি কিনে নেন কাশেম ড্রাইসেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএনপি নেতা তাসভীর উল ইসলাম। এরপর তিনি নকশা পরিবর্তন করে ছাদের ওপর আর দুইটি তলা নির্মাণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :


এফ আর টাওয়ারের সভাপতি তাসভীর গ্রেপ্তার

নিউজরুম ডেস্ক সোমবার, ১৯ আগষ্ট ২০১৯ ইং ০৫:০৪ NewsRoom


রাজধানীর বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তাসভীর উল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাসভীর এফ আর টাওয়ারের পরিচালনা কমিটির সভাপতি।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে তাসভীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চলতি বছরের ২৮ মার্চ এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ২৭ জন মারা যান। তাঁদের মধ্যে কেউ ভবন থেকে পড়ে আবার কেউ আগুনে পুড়ে মারা যান।

প্রণব ভট্টাচার্য বলেন, ব্যবসায়ী তাসভীর উল ইসলাম এফ আর টাওয়ারের ২১, ২২ ও ২৩তম তলা বন্ধক রেখে আর্থিক প্রতিষ্ঠান জিএসপি ফিন্যান্স থেকে ৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

তাসভীর উল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপিরও সভাপতি। ওই টাওয়ারের ২১, ২২ ও ২৩তম তলার মালিকানা রয়েছে প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের হাতে। এই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাসভীর।

সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভবনটির ভূমিমালিক ইঞ্জিনিয়ার ফারুক ও রূপায়ণ গ্রুপ যৌথভাবে নকশা অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। তখন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ১৮ তলা ভবন নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন দেয়। পরে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর ভবনটিকে ২৩ তলা পর্যন্ত বর্ধিত করে নির্মাণ করা হয়।

ডেভেলপার কোম্পানি রূপায়ণ ভবনটির ২০ ও ২১তম তলাটি জাতীয় পার্টির প্রয়াত সাবেক সাংসদ মাইদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে। মাইদুল ইসলামের কাছ থেকে ফ্লোর দুইটি কিনে নেন কাশেম ড্রাইসেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএনপি নেতা তাসভীর উল ইসলাম। এরপর তিনি নকশা পরিবর্তন করে ছাদের ওপর আর দুইটি তলা নির্মাণ করেন।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd