বাংলাদেশ আইন ও আদালত
বড়পুকুরিয়ায় কয়লা লোপাট: ৭ এমডিসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার টাকার কয়লা লোপাটের মামলায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ৭ ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সামছুল আলম রোববার (২১ জুলাই) দিনাজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে অভিযোগপত্রটি জমা দেন।
গত বছরের জুনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে এক লাখ ৪৩ হাজার টন কয়লা গায়েব হয়ে যাওয়ার পরই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। যার বাজার মুল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা।
সেই ঘটনায় কোম্পানির কর্মকর্তারা দাবি করেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কোনো কয়লা চুরি হয়নি, ‘সিস্টেম লসের’ কারণে কয়লার ঘাটতি। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে বের হয়ে আসে ভিন্ন কিছু।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে জানান, তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা মূল্যের এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ মেট্রিক টন কয়লা আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে।
তিনি আরও জানান, তদন্তে এজাহারভুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে পাঁচজনের অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদের অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে নতুন করে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় মামলায় আরও নয়জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কয়লা লোপাটের ঘটনায় গত বছরের ২৪ জুলাই বিসিএমসিএলের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিছুর রহমান ১৯ জনকে আসামি করে দিনাজপুরের পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা করেন।
সেই মামলা তদন্তের ভার আসে দুদকের ওপর। দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়।
অভিযোগপত্রে এজাহারে থাকা ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের আসামি করা হয়নি। ঘটনার সঙ্গে নতুন করে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় মামলায় আরও নয়জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ আইন ও আদালত
বড়পুকুরিয়ায় কয়লা লোপাট: ৭ এমডিসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার টাকার কয়লা লোপাটের মামলায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ৭ ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সামছুল আলম রোববার (২১ জুলাই) দিনাজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে অভিযোগপত্রটি জমা দেন।
গত বছরের জুনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে এক লাখ ৪৩ হাজার টন কয়লা গায়েব হয়ে যাওয়ার পরই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। যার বাজার মুল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা।
সেই ঘটনায় কোম্পানির কর্মকর্তারা দাবি করেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কোনো কয়লা চুরি হয়নি, ‘সিস্টেম লসের’ কারণে কয়লার ঘাটতি। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে বের হয়ে আসে ভিন্ন কিছু।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে জানান, তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা মূল্যের এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ মেট্রিক টন কয়লা আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে।
তিনি আরও জানান, তদন্তে এজাহারভুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে পাঁচজনের অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদের অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে নতুন করে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় মামলায় আরও নয়জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কয়লা লোপাটের ঘটনায় গত বছরের ২৪ জুলাই বিসিএমসিএলের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিছুর রহমান ১৯ জনকে আসামি করে দিনাজপুরের পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা করেন।
সেই মামলা তদন্তের ভার আসে দুদকের ওপর। দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়।
অভিযোগপত্রে এজাহারে থাকা ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের আসামি করা হয়নি। ঘটনার সঙ্গে নতুন করে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় মামলায় আরও নয়জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার টাকার কয়লা লোপাটের মামলায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ৭ ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সামছুল আলম রোববার (২১ জুলাই) দিনাজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে অভিযোগপত্রটি জমা দেন।
গত বছরের জুনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে এক লাখ ৪৩ হাজার টন কয়লা গায়েব হয়ে যাওয়ার পরই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। যার বাজার মুল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা।
সেই ঘটনায় কোম্পানির কর্মকর্তারা দাবি করেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কোনো কয়লা চুরি হয়নি, ‘সিস্টেম লসের’ কারণে কয়লার ঘাটতি। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে বের হয়ে আসে ভিন্ন কিছু।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে জানান, তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা মূল্যের এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ মেট্রিক টন কয়লা আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে।
তিনি আরও জানান, তদন্তে এজাহারভুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে পাঁচজনের অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদের অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে নতুন করে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় মামলায় আরও নয়জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কয়লা লোপাটের ঘটনায় গত বছরের ২৪ জুলাই বিসিএমসিএলের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিছুর রহমান ১৯ জনকে আসামি করে দিনাজপুরের পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা করেন।
সেই মামলা তদন্তের ভার আসে দুদকের ওপর। দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়।
অভিযোগপত্রে এজাহারে থাকা ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের আসামি করা হয়নি। ঘটনার সঙ্গে নতুন করে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় মামলায় আরও নয়জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :