বাংলাদেশ বিবিধ

তিন রাষ্ট্রদূতকে যেসব কারণে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে


নিউজরুম ডেস্ক
সোমবার, ২৬ মে ২০২৫ ইং ২১:০৭
NewsRoom


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষ ও অভিজ্ঞ তিন রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা হলেন— একেএম শহীদুল করিম, মনোয়ার হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও সদর দফতরকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ে দক্ষ কর্মকর্তা প্রয়োজন এবং এই তাগিদ থেকে তাদের ফিরিয়ে এনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশে অনেক দিন ধরে অবস্থান করছে—এমন কূটনীতিকদের পর্যায়ক্রমে ফেরত আনা হয় মন্ত্রণালয়ে। আগে রাষ্ট্রদূত হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফেরত আনা হতো না। কিন্তু এখন ফেরত আনা হবে।’

তিন রাষ্ট্রদূত কে কোথায়

যে তিন জন রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফেরত আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে একেএম শহীদুল করিম বর্তমানে ডেনমার্কে, মনোয়ার হোসেন মিয়ানমারে এবং মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উজবেকিস্তানে দায়িত্ব পালন করছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, তারা তিন জনই প্রায় আট বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। সাধারণভাবে তিন বছর করে দুটি পোস্টিংয়ের পর, অর্থাৎ ছয় বছর হলে কর্মকর্তাদের ফেরত আনার নিয়ম। তবে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই নিয়ম পালন করা হয় না।

এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে কূটনীতিকদের বিদেশ পোস্টিং ও দেশে ফেরত আসার সংস্কৃতি তৈরি হলে মন্ত্রণালয় উপকৃত হবে। এর মাধ্যমে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন করা সম্ভব।’

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ২০টিরও বেশি দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে পরিবর্তন করা হয়েছে। সরকার এই পরিবর্তন নিয়মিতভাবে করার বিষয়ে, অর্থাৎ কোনও ধরনের এক্সটেনশন দেওয়ার বিরোধী বলে তিনি জানান।

অতিরিক্ত সচিবের ফাঁকা পদ

মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বা অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দফতরে মোট পাঁচটি অতিরিক্ত সচিব পদ রয়েছে। এর মধ্যে মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের অতিরিক্ত সচিবের পদ ব্যতীত বাকিগুলো ফাঁকা রয়েছে। যাদের ফেরত আনা হবে, তাদের দিয়ে ওই পদগুলো পূরণ করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে আরেকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘অতিরিক্ত সচিবের পদগুলো পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে দক্ষ ব্যবস্থাপনার যে ঘাটতি রয়েছে, সেটি পূরণ করা সম্ভব।’

নতুন পররাষ্ট্র সচিব

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়ামকে নতুন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে পদায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী মাসে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনি। তার দায়িত্ব গ্রহণের আগে মন্ত্রণালয়ে বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রদূতই নয়, বেশ কিছু কর্মকর্তাকে ফেরত নিয়ে আসবো এবং কিছু দূতাবাস পরিবর্তন হবে। এদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজ নিজ দায়িত্বে যোগ দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। এছাড়া সদর দফতর থেকেও বেশ কিছু কর্মকর্তাকে বিভিন্ন দূতাবাসে পদায়ন করা হয়েছে। তাদের দ্রুত চলে যেতে বলা হয়েছে।’

নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ওয়াশিংটনসহ মোট চারটি দেশে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে এখন কাজ করতে হবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে। এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা ও দক্ষতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছে আরেকটি সূত্র।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশ বিবিধ

তিন রাষ্ট্রদূতকে যেসব কারণে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে


নিউজরুম ডেস্ক
সোমবার, ২৬ মে ২০২৫ ইং ২১:০৭
NewsRoom


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষ ও অভিজ্ঞ তিন রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা হলেন— একেএম শহীদুল করিম, মনোয়ার হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও সদর দফতরকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ে দক্ষ কর্মকর্তা প্রয়োজন এবং এই তাগিদ থেকে তাদের ফিরিয়ে এনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশে অনেক দিন ধরে অবস্থান করছে—এমন কূটনীতিকদের পর্যায়ক্রমে ফেরত আনা হয় মন্ত্রণালয়ে। আগে রাষ্ট্রদূত হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফেরত আনা হতো না। কিন্তু এখন ফেরত আনা হবে।’

তিন রাষ্ট্রদূত কে কোথায়

যে তিন জন রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফেরত আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে একেএম শহীদুল করিম বর্তমানে ডেনমার্কে, মনোয়ার হোসেন মিয়ানমারে এবং মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উজবেকিস্তানে দায়িত্ব পালন করছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, তারা তিন জনই প্রায় আট বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। সাধারণভাবে তিন বছর করে দুটি পোস্টিংয়ের পর, অর্থাৎ ছয় বছর হলে কর্মকর্তাদের ফেরত আনার নিয়ম। তবে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই নিয়ম পালন করা হয় না।

এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে কূটনীতিকদের বিদেশ পোস্টিং ও দেশে ফেরত আসার সংস্কৃতি তৈরি হলে মন্ত্রণালয় উপকৃত হবে। এর মাধ্যমে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন করা সম্ভব।’

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ২০টিরও বেশি দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে পরিবর্তন করা হয়েছে। সরকার এই পরিবর্তন নিয়মিতভাবে করার বিষয়ে, অর্থাৎ কোনও ধরনের এক্সটেনশন দেওয়ার বিরোধী বলে তিনি জানান।

অতিরিক্ত সচিবের ফাঁকা পদ

মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বা অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দফতরে মোট পাঁচটি অতিরিক্ত সচিব পদ রয়েছে। এর মধ্যে মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের অতিরিক্ত সচিবের পদ ব্যতীত বাকিগুলো ফাঁকা রয়েছে। যাদের ফেরত আনা হবে, তাদের দিয়ে ওই পদগুলো পূরণ করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে আরেকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘অতিরিক্ত সচিবের পদগুলো পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে দক্ষ ব্যবস্থাপনার যে ঘাটতি রয়েছে, সেটি পূরণ করা সম্ভব।’

নতুন পররাষ্ট্র সচিব

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়ামকে নতুন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে পদায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী মাসে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনি। তার দায়িত্ব গ্রহণের আগে মন্ত্রণালয়ে বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রদূতই নয়, বেশ কিছু কর্মকর্তাকে ফেরত নিয়ে আসবো এবং কিছু দূতাবাস পরিবর্তন হবে। এদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজ নিজ দায়িত্বে যোগ দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। এছাড়া সদর দফতর থেকেও বেশ কিছু কর্মকর্তাকে বিভিন্ন দূতাবাসে পদায়ন করা হয়েছে। তাদের দ্রুত চলে যেতে বলা হয়েছে।’

নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ওয়াশিংটনসহ মোট চারটি দেশে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে এখন কাজ করতে হবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে। এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা ও দক্ষতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছে আরেকটি সূত্র।

আপনার মতামত লিখুন :


তিন রাষ্ট্রদূতকে যেসব কারণে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে

নিউজরুম ডেস্ক সোমবার, ২৬ মে ২০২৫ ইং ২১:০৭ NewsRoom


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষ ও অভিজ্ঞ তিন রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা হলেন— একেএম শহীদুল করিম, মনোয়ার হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও সদর দফতরকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ে দক্ষ কর্মকর্তা প্রয়োজন এবং এই তাগিদ থেকে তাদের ফিরিয়ে এনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশে অনেক দিন ধরে অবস্থান করছে—এমন কূটনীতিকদের পর্যায়ক্রমে ফেরত আনা হয় মন্ত্রণালয়ে। আগে রাষ্ট্রদূত হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফেরত আনা হতো না। কিন্তু এখন ফেরত আনা হবে।’

তিন রাষ্ট্রদূত কে কোথায়

যে তিন জন রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফেরত আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে একেএম শহীদুল করিম বর্তমানে ডেনমার্কে, মনোয়ার হোসেন মিয়ানমারে এবং মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উজবেকিস্তানে দায়িত্ব পালন করছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, তারা তিন জনই প্রায় আট বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। সাধারণভাবে তিন বছর করে দুটি পোস্টিংয়ের পর, অর্থাৎ ছয় বছর হলে কর্মকর্তাদের ফেরত আনার নিয়ম। তবে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই নিয়ম পালন করা হয় না।

এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে কূটনীতিকদের বিদেশ পোস্টিং ও দেশে ফেরত আসার সংস্কৃতি তৈরি হলে মন্ত্রণালয় উপকৃত হবে। এর মাধ্যমে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন করা সম্ভব।’

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ২০টিরও বেশি দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে পরিবর্তন করা হয়েছে। সরকার এই পরিবর্তন নিয়মিতভাবে করার বিষয়ে, অর্থাৎ কোনও ধরনের এক্সটেনশন দেওয়ার বিরোধী বলে তিনি জানান।

অতিরিক্ত সচিবের ফাঁকা পদ

মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বা অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দফতরে মোট পাঁচটি অতিরিক্ত সচিব পদ রয়েছে। এর মধ্যে মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের অতিরিক্ত সচিবের পদ ব্যতীত বাকিগুলো ফাঁকা রয়েছে। যাদের ফেরত আনা হবে, তাদের দিয়ে ওই পদগুলো পূরণ করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে আরেকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘অতিরিক্ত সচিবের পদগুলো পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে দক্ষ ব্যবস্থাপনার যে ঘাটতি রয়েছে, সেটি পূরণ করা সম্ভব।’

নতুন পররাষ্ট্র সচিব

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়ামকে নতুন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে পদায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী মাসে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনি। তার দায়িত্ব গ্রহণের আগে মন্ত্রণালয়ে বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রদূতই নয়, বেশ কিছু কর্মকর্তাকে ফেরত নিয়ে আসবো এবং কিছু দূতাবাস পরিবর্তন হবে। এদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজ নিজ দায়িত্বে যোগ দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। এছাড়া সদর দফতর থেকেও বেশ কিছু কর্মকর্তাকে বিভিন্ন দূতাবাসে পদায়ন করা হয়েছে। তাদের দ্রুত চলে যেতে বলা হয়েছে।’

নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ওয়াশিংটনসহ মোট চারটি দেশে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে এখন কাজ করতে হবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে। এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা ও দক্ষতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছে আরেকটি সূত্র।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd