বাংলাদেশ জাতীয়

ঈদে পণ্য পরিবহন বন্ধ, গণপরিবহন চলবে


নিউজরুম ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০ ইং ০৫:৩২
NewsRoom


করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে আসন্ন ঈদুল আজহার আগের পাঁচদিন এবং ঈদের পরের তিনদিন মিলিয়ে মোট ৯ দিন পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ে আগের নিয়মে গণপরিবহন চালু রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে লঞ্চ, ফেরি, স্টিমার চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ কর্মপন্থা নির্ধারণ সংক্রান্ত বৈঠক শেষে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।

বৈঠকের শুরুতে খালিদ বলেন, ঈদের আগে ৫ দিন থেকে এবং ঈদের পরে তিনদিন গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে বৈঠক শেষে তিনি তার বক্তব্য থেকে সরে আসেন।

শুধু পণ্যবোঝাই যানবাহন এই ৯ দিন বন্ধ থাকবে, যোগ করেন তিনি।
 
কোরবানির পশু ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে, বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকের শুরুতে গণপরিবহন বন্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়। পরে কর্তৃপক্ষ শুধু পণ্যবোঝাই পরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সাথে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে আরও ৩ হাজার ৫৩৩ জনের শরীরে।

দেশে এখন করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৫৭ জন। আর মোট শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৯০ জন।

সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৫ হাজার ২৩ জন।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশ জাতীয়

ঈদে পণ্য পরিবহন বন্ধ, গণপরিবহন চলবে


নিউজরুম ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০ ইং ০৫:৩২
NewsRoom


করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে আসন্ন ঈদুল আজহার আগের পাঁচদিন এবং ঈদের পরের তিনদিন মিলিয়ে মোট ৯ দিন পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ে আগের নিয়মে গণপরিবহন চালু রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে লঞ্চ, ফেরি, স্টিমার চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ কর্মপন্থা নির্ধারণ সংক্রান্ত বৈঠক শেষে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।

বৈঠকের শুরুতে খালিদ বলেন, ঈদের আগে ৫ দিন থেকে এবং ঈদের পরে তিনদিন গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে বৈঠক শেষে তিনি তার বক্তব্য থেকে সরে আসেন।

শুধু পণ্যবোঝাই যানবাহন এই ৯ দিন বন্ধ থাকবে, যোগ করেন তিনি।
 
কোরবানির পশু ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে, বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকের শুরুতে গণপরিবহন বন্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়। পরে কর্তৃপক্ষ শুধু পণ্যবোঝাই পরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সাথে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে আরও ৩ হাজার ৫৩৩ জনের শরীরে।

দেশে এখন করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৫৭ জন। আর মোট শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৯০ জন।

সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৫ হাজার ২৩ জন।

আপনার মতামত লিখুন :


ঈদে পণ্য পরিবহন বন্ধ, গণপরিবহন চলবে

নিউজরুম ডেস্ক বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০ ইং ০৫:৩২ NewsRoom


করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে আসন্ন ঈদুল আজহার আগের পাঁচদিন এবং ঈদের পরের তিনদিন মিলিয়ে মোট ৯ দিন পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ে আগের নিয়মে গণপরিবহন চালু রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে লঞ্চ, ফেরি, স্টিমার চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ কর্মপন্থা নির্ধারণ সংক্রান্ত বৈঠক শেষে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।

বৈঠকের শুরুতে খালিদ বলেন, ঈদের আগে ৫ দিন থেকে এবং ঈদের পরে তিনদিন গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে বৈঠক শেষে তিনি তার বক্তব্য থেকে সরে আসেন।

শুধু পণ্যবোঝাই যানবাহন এই ৯ দিন বন্ধ থাকবে, যোগ করেন তিনি।
 
কোরবানির পশু ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে, বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকের শুরুতে গণপরিবহন বন্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়। পরে কর্তৃপক্ষ শুধু পণ্যবোঝাই পরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সাথে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে আরও ৩ হাজার ৫৩৩ জনের শরীরে।

দেশে এখন করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৫৭ জন। আর মোট শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৯০ জন।

সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৫ হাজার ২৩ জন।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd