বাংলাদেশ অপরাধ
আদাবরে চার মাসের শিশুকে জবাই করে হত্যা
চার মাস বয়সী এক শিশুকে রাজধানীর আদাবরে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আদাবর থানার ‘আলিফ হাউজিং’ এর পাশের শাকিলের বস্তিতে শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি ওই বস্তির শাহজাহানের মেয়ে আয়শা আক্তার সাদিয়া। শাজাহান পেশায় একজন দিনমজুর।
শাজাহান প্রতিদিনের মত সকালে কাজের খোঁজে বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পঞ্চাশ গজ দূরে আরেকটি ঘরে সাদিয়াকে ঘরে রেখে রান্না করছিলেন তার মা। আট বছর বয়সী ভাই খেলতে বেরিয়েছিল। সাদিয়াকে ওই সময় কেউ ঘরে ঢুকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। রান্নাঘর থেকে ফিরে তার মা সাদিয়ার রক্তাক্ত দেহ দেখে চিৎকার শুরু করেন, বাঁচানোর জন্য সাদিয়াকে নিয়ে যান স্থানীয় একটি ক্লিনিকে। কিন্তু ততক্ষণে মেয়েটা মারা যায় বলে জানিয়েছেন আদাবর থানার এসআই সোহেল রানা।
সোহেল রানা একটি শিশুকে কেন এভাবে হত্যা করা হতে পারে, সে বিষয়ে কোনো ধারণো পাননি জানিয়ে বলেন, “হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি, বস্তির অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”
বাংলাদেশ অপরাধ
আদাবরে চার মাসের শিশুকে জবাই করে হত্যা
চার মাস বয়সী এক শিশুকে রাজধানীর আদাবরে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আদাবর থানার ‘আলিফ হাউজিং’ এর পাশের শাকিলের বস্তিতে শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি ওই বস্তির শাহজাহানের মেয়ে আয়শা আক্তার সাদিয়া। শাজাহান পেশায় একজন দিনমজুর।
শাজাহান প্রতিদিনের মত সকালে কাজের খোঁজে বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পঞ্চাশ গজ দূরে আরেকটি ঘরে সাদিয়াকে ঘরে রেখে রান্না করছিলেন তার মা। আট বছর বয়সী ভাই খেলতে বেরিয়েছিল। সাদিয়াকে ওই সময় কেউ ঘরে ঢুকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। রান্নাঘর থেকে ফিরে তার মা সাদিয়ার রক্তাক্ত দেহ দেখে চিৎকার শুরু করেন, বাঁচানোর জন্য সাদিয়াকে নিয়ে যান স্থানীয় একটি ক্লিনিকে। কিন্তু ততক্ষণে মেয়েটা মারা যায় বলে জানিয়েছেন আদাবর থানার এসআই সোহেল রানা।
সোহেল রানা একটি শিশুকে কেন এভাবে হত্যা করা হতে পারে, সে বিষয়ে কোনো ধারণো পাননি জানিয়ে বলেন, “হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি, বস্তির অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
চার মাস বয়সী এক শিশুকে রাজধানীর আদাবরে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আদাবর থানার ‘আলিফ হাউজিং’ এর পাশের শাকিলের বস্তিতে শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি ওই বস্তির শাহজাহানের মেয়ে আয়শা আক্তার সাদিয়া। শাজাহান পেশায় একজন দিনমজুর।
শাজাহান প্রতিদিনের মত সকালে কাজের খোঁজে বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পঞ্চাশ গজ দূরে আরেকটি ঘরে সাদিয়াকে ঘরে রেখে রান্না করছিলেন তার মা। আট বছর বয়সী ভাই খেলতে বেরিয়েছিল। সাদিয়াকে ওই সময় কেউ ঘরে ঢুকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। রান্নাঘর থেকে ফিরে তার মা সাদিয়ার রক্তাক্ত দেহ দেখে চিৎকার শুরু করেন, বাঁচানোর জন্য সাদিয়াকে নিয়ে যান স্থানীয় একটি ক্লিনিকে। কিন্তু ততক্ষণে মেয়েটা মারা যায় বলে জানিয়েছেন আদাবর থানার এসআই সোহেল রানা।
সোহেল রানা একটি শিশুকে কেন এভাবে হত্যা করা হতে পারে, সে বিষয়ে কোনো ধারণো পাননি জানিয়ে বলেন, “হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি, বস্তির অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”
আপনার মতামত লিখুন :