লাইফস্টাইল পরামর্শ
জানেন কি ! সকালে ঘুম থেকে উঠে কি খাওয়া উচিত ?
অনেকেই আছেন, যারা সকালে ঘুম থেকে উঠেই ধোঁয়া ওঠা এক কাপ গরম চা কিংবা কফিতে চুমুক না দিলে দিন যেন শুরুই হয় না। আবার অনেকে আছেন পানি ছাড়া আর কিছুই খান না। বিশেষজ্ঞদের মতে এই দুই কাজই স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর। ঘুম থেকে উঠে যেমন খালি পেটে থাকা উচিত নয়, তেমনি চা বা কফি পান করলেও গ্যাস্ট্রিক, পেট ফাঁপা ধরা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
এখন প্রশ্ন, সকালে ঘুম থেকে উঠে কি খেয়ে দিন শুরু করবেন ?
সকালে ঘুম থেকে উঠে পান করুন এক গ্লাস লেবু পানি। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নিন একটি পাতি লেবুর রস। বড় লেবু হলে অর্ধেক মেশানোই যথেষ্ট। এই লেবু পানি পানের পর খেতে পারেন সারা রাত ভিজিয়ে রাখা কাঠবাদাম। তবে খুব বেশি নয়, ৪/৫টি বাদামই যথেষ্ট। যেসব নারীরা পিসিও সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য খুবই উপকারী পথ্য এই ভেজানো বাদাম। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটি উপকারী।
যেসব নারীর প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম রয়েছে তারা রাতে ভেজানো কিসমিসের সঙ্গে সামান্য জাফরান খেতে পারেন। সকালে মিষ্টি কিছু মুখে না দিলে অনেকের দিন শুরু হয় না। তা চা বা কফি পানের আগে একটি কলা বা অন্য কোনো মৌসুমী তাজা ফল খেতে পারেন।
এসব খাওয়ার ১৫/২০ মিনিট পর চা বা কফি পান করুন। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখবেন যে পুরো দিনে আপনি যা খান তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সকালের নাশতা। তাই ঘুম থেকে ওঠার এক-দেড় ঘণ্টার মধ্যেই সেরে ফেলুন প্রাতরাশ। আর এ সময় যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের চেষ্টা করুন।
মনে রাখবেন, সকালের নাশতা কখনোই এড়িয়ে যাওয়া চলবে না । আগে নাশতা , এরপর চা বা কফি । খালিপেটে চা-কফি বা একেবারেই না খেয়ে থাকা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর । দিনের শুরুর খাওয়াদাওয়া যদি ঠিকঠাক না হয় , তবে সারাদিনের কাজের শক্তি পাওয়া না , আর দিনদিন অসুখ-বিসুখের কোলে ঢোলে পরার সম্ভাবনা থাকে।
তাই অনিয়ম না করে নিজের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে খাবার খান। মনে রাখবেন, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।
লাইফস্টাইল পরামর্শ
জানেন কি ! সকালে ঘুম থেকে উঠে কি খাওয়া উচিত ?
অনেকেই আছেন, যারা সকালে ঘুম থেকে উঠেই ধোঁয়া ওঠা এক কাপ গরম চা কিংবা কফিতে চুমুক না দিলে দিন যেন শুরুই হয় না। আবার অনেকে আছেন পানি ছাড়া আর কিছুই খান না। বিশেষজ্ঞদের মতে এই দুই কাজই স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর। ঘুম থেকে উঠে যেমন খালি পেটে থাকা উচিত নয়, তেমনি চা বা কফি পান করলেও গ্যাস্ট্রিক, পেট ফাঁপা ধরা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
এখন প্রশ্ন, সকালে ঘুম থেকে উঠে কি খেয়ে দিন শুরু করবেন ?
সকালে ঘুম থেকে উঠে পান করুন এক গ্লাস লেবু পানি। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নিন একটি পাতি লেবুর রস। বড় লেবু হলে অর্ধেক মেশানোই যথেষ্ট। এই লেবু পানি পানের পর খেতে পারেন সারা রাত ভিজিয়ে রাখা কাঠবাদাম। তবে খুব বেশি নয়, ৪/৫টি বাদামই যথেষ্ট। যেসব নারীরা পিসিও সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য খুবই উপকারী পথ্য এই ভেজানো বাদাম। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটি উপকারী।
যেসব নারীর প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম রয়েছে তারা রাতে ভেজানো কিসমিসের সঙ্গে সামান্য জাফরান খেতে পারেন। সকালে মিষ্টি কিছু মুখে না দিলে অনেকের দিন শুরু হয় না। তা চা বা কফি পানের আগে একটি কলা বা অন্য কোনো মৌসুমী তাজা ফল খেতে পারেন।
এসব খাওয়ার ১৫/২০ মিনিট পর চা বা কফি পান করুন। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখবেন যে পুরো দিনে আপনি যা খান তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সকালের নাশতা। তাই ঘুম থেকে ওঠার এক-দেড় ঘণ্টার মধ্যেই সেরে ফেলুন প্রাতরাশ। আর এ সময় যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের চেষ্টা করুন।
মনে রাখবেন, সকালের নাশতা কখনোই এড়িয়ে যাওয়া চলবে না । আগে নাশতা , এরপর চা বা কফি । খালিপেটে চা-কফি বা একেবারেই না খেয়ে থাকা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর । দিনের শুরুর খাওয়াদাওয়া যদি ঠিকঠাক না হয় , তবে সারাদিনের কাজের শক্তি পাওয়া না , আর দিনদিন অসুখ-বিসুখের কোলে ঢোলে পরার সম্ভাবনা থাকে।
তাই অনিয়ম না করে নিজের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে খাবার খান। মনে রাখবেন, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
অনেকেই আছেন, যারা সকালে ঘুম থেকে উঠেই ধোঁয়া ওঠা এক কাপ গরম চা কিংবা কফিতে চুমুক না দিলে দিন যেন শুরুই হয় না। আবার অনেকে আছেন পানি ছাড়া আর কিছুই খান না। বিশেষজ্ঞদের মতে এই দুই কাজই স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর। ঘুম থেকে উঠে যেমন খালি পেটে থাকা উচিত নয়, তেমনি চা বা কফি পান করলেও গ্যাস্ট্রিক, পেট ফাঁপা ধরা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
এখন প্রশ্ন, সকালে ঘুম থেকে উঠে কি খেয়ে দিন শুরু করবেন ?
সকালে ঘুম থেকে উঠে পান করুন এক গ্লাস লেবু পানি। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নিন একটি পাতি লেবুর রস। বড় লেবু হলে অর্ধেক মেশানোই যথেষ্ট। এই লেবু পানি পানের পর খেতে পারেন সারা রাত ভিজিয়ে রাখা কাঠবাদাম। তবে খুব বেশি নয়, ৪/৫টি বাদামই যথেষ্ট। যেসব নারীরা পিসিও সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য খুবই উপকারী পথ্য এই ভেজানো বাদাম। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটি উপকারী।
যেসব নারীর প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম রয়েছে তারা রাতে ভেজানো কিসমিসের সঙ্গে সামান্য জাফরান খেতে পারেন। সকালে মিষ্টি কিছু মুখে না দিলে অনেকের দিন শুরু হয় না। তা চা বা কফি পানের আগে একটি কলা বা অন্য কোনো মৌসুমী তাজা ফল খেতে পারেন।
এসব খাওয়ার ১৫/২০ মিনিট পর চা বা কফি পান করুন। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখবেন যে পুরো দিনে আপনি যা খান তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সকালের নাশতা। তাই ঘুম থেকে ওঠার এক-দেড় ঘণ্টার মধ্যেই সেরে ফেলুন প্রাতরাশ। আর এ সময় যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের চেষ্টা করুন।
মনে রাখবেন, সকালের নাশতা কখনোই এড়িয়ে যাওয়া চলবে না । আগে নাশতা , এরপর চা বা কফি । খালিপেটে চা-কফি বা একেবারেই না খেয়ে থাকা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর । দিনের শুরুর খাওয়াদাওয়া যদি ঠিকঠাক না হয় , তবে সারাদিনের কাজের শক্তি পাওয়া না , আর দিনদিন অসুখ-বিসুখের কোলে ঢোলে পরার সম্ভাবনা থাকে।
তাই অনিয়ম না করে নিজের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে খাবার খান। মনে রাখবেন, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।
আপনার মতামত লিখুন :