লাইফস্টাইল
মটরশুঁটির যত গুনাগুন !!!
সবজির মধ্যে মটরশুঁটি প্রায় সকলেরই প্রিয় । খেতে যেমন মজা তেমনি পুষ্টিগুণও অনেক। নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে ক্যানসার প্রতিরোধ, ওজন নিয়ন্ত্রণসহ নানাধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা দূর হয়।
জেনে নেয়া যাক মটরশুঁটির গুনাগুন -
ওজন নিয়ন্ত্রণ: ১ কাপ মটরশুঁটিতে প্রোটিন, আঁশ ও পুষ্টি উপাদান থাকলেও শক্তি থাকে ১০০ ক্যালরিরও কম। মটরশুঁটিতে চর্বি নেই বললেই চলে। তাই মটরশুঁটি ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।
সুস্থ্য থাকা: মটরশুঁটিতে থাকে জিংক, আয়রন ও ক্যালসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যার ফলে নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
ক্যান্সারে ঝুঁকি কমায়: প্রতিদিন অন্তত ২ মিলিগ্রাম মটরশুঁটি খাওয়া ভালো। মটরশুঁটির দানাতে পলিফেনন থাকে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া মটরশুঁটিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি, যা সব ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
বয়সের ছাপ কমানো: মটরশুঁটিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফেনোলিক এসিড, পলিফেনন, ক্যারোটিন ও ক্যাটিসিন নামক উপাদান থাকে। তাই প্রতিদিন মটরশুঁটি খেলে সহজে বয়সের ছাপ পড়েনা।
হজম শক্তি বৃদ্ধি: মটরশুঁটিতে থাকে ফাইবার, যা হজমে সাহায্য করে। তাই যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য মটরশুঁটি খুবই উপযোগি খাবার।
দৃষ্টিশক্তি: মটরশুঁটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
ক্ষত সারানো: মটরশুঁটি ত্বকের জন্য ভালো। এতে থাকে ভিটামিন সি, যা ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়। তাছাড়া কোথাও পুড়ে গেলে দ্রুত সারিয়ে ফেলার জন্য মটরশুঁটির জুড়ি নেই।
ত্বকের উজ্জ্বলতা: মটরশুঁটি সেদ্ধ করে পেষ্ট বানিয়ে লাগাতে পারেন ত্বকে। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
চুল পড়া রোধ: নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে চুল পড়া অনেকটা কমে যায়। মটরশুঁটিতে ভিটামিন বি১২, ফলিক ও ভিটামিন বি৬ থাকে। এই উপাদানগুলো রক্তে লৌহ কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। লৌহ কণিকা শরীরের সমস্ত কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি বহন করে। ফলে চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও অক্সিজেন পায়।
সংরক্ষন: মটরশুঁটি শীতকালীন সবজি হলেও কাঁচা মটরশুঁটির দানা ছাড়িয়ে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করে অথবা গরম পানিতে হালকা সেদ্ধ করে নরমাল ফ্রিজে রেখে সারাবছরই মটরশুঁটি খেতে পারেন।
লাইফস্টাইল
মটরশুঁটির যত গুনাগুন !!!
সবজির মধ্যে মটরশুঁটি প্রায় সকলেরই প্রিয় । খেতে যেমন মজা তেমনি পুষ্টিগুণও অনেক। নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে ক্যানসার প্রতিরোধ, ওজন নিয়ন্ত্রণসহ নানাধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা দূর হয়।
জেনে নেয়া যাক মটরশুঁটির গুনাগুন -
ওজন নিয়ন্ত্রণ: ১ কাপ মটরশুঁটিতে প্রোটিন, আঁশ ও পুষ্টি উপাদান থাকলেও শক্তি থাকে ১০০ ক্যালরিরও কম। মটরশুঁটিতে চর্বি নেই বললেই চলে। তাই মটরশুঁটি ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।
সুস্থ্য থাকা: মটরশুঁটিতে থাকে জিংক, আয়রন ও ক্যালসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যার ফলে নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
ক্যান্সারে ঝুঁকি কমায়: প্রতিদিন অন্তত ২ মিলিগ্রাম মটরশুঁটি খাওয়া ভালো। মটরশুঁটির দানাতে পলিফেনন থাকে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া মটরশুঁটিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি, যা সব ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
বয়সের ছাপ কমানো: মটরশুঁটিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফেনোলিক এসিড, পলিফেনন, ক্যারোটিন ও ক্যাটিসিন নামক উপাদান থাকে। তাই প্রতিদিন মটরশুঁটি খেলে সহজে বয়সের ছাপ পড়েনা।
হজম শক্তি বৃদ্ধি: মটরশুঁটিতে থাকে ফাইবার, যা হজমে সাহায্য করে। তাই যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য মটরশুঁটি খুবই উপযোগি খাবার।
দৃষ্টিশক্তি: মটরশুঁটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
ক্ষত সারানো: মটরশুঁটি ত্বকের জন্য ভালো। এতে থাকে ভিটামিন সি, যা ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়। তাছাড়া কোথাও পুড়ে গেলে দ্রুত সারিয়ে ফেলার জন্য মটরশুঁটির জুড়ি নেই।
ত্বকের উজ্জ্বলতা: মটরশুঁটি সেদ্ধ করে পেষ্ট বানিয়ে লাগাতে পারেন ত্বকে। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
চুল পড়া রোধ: নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে চুল পড়া অনেকটা কমে যায়। মটরশুঁটিতে ভিটামিন বি১২, ফলিক ও ভিটামিন বি৬ থাকে। এই উপাদানগুলো রক্তে লৌহ কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। লৌহ কণিকা শরীরের সমস্ত কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি বহন করে। ফলে চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও অক্সিজেন পায়।
সংরক্ষন: মটরশুঁটি শীতকালীন সবজি হলেও কাঁচা মটরশুঁটির দানা ছাড়িয়ে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করে অথবা গরম পানিতে হালকা সেদ্ধ করে নরমাল ফ্রিজে রেখে সারাবছরই মটরশুঁটি খেতে পারেন।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
সবজির মধ্যে মটরশুঁটি প্রায় সকলেরই প্রিয় । খেতে যেমন মজা তেমনি পুষ্টিগুণও অনেক। নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে ক্যানসার প্রতিরোধ, ওজন নিয়ন্ত্রণসহ নানাধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা দূর হয়।
জেনে নেয়া যাক মটরশুঁটির গুনাগুন -
ওজন নিয়ন্ত্রণ: ১ কাপ মটরশুঁটিতে প্রোটিন, আঁশ ও পুষ্টি উপাদান থাকলেও শক্তি থাকে ১০০ ক্যালরিরও কম। মটরশুঁটিতে চর্বি নেই বললেই চলে। তাই মটরশুঁটি ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।
সুস্থ্য থাকা: মটরশুঁটিতে থাকে জিংক, আয়রন ও ক্যালসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যার ফলে নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
ক্যান্সারে ঝুঁকি কমায়: প্রতিদিন অন্তত ২ মিলিগ্রাম মটরশুঁটি খাওয়া ভালো। মটরশুঁটির দানাতে পলিফেনন থাকে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া মটরশুঁটিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি, যা সব ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
বয়সের ছাপ কমানো: মটরশুঁটিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফেনোলিক এসিড, পলিফেনন, ক্যারোটিন ও ক্যাটিসিন নামক উপাদান থাকে। তাই প্রতিদিন মটরশুঁটি খেলে সহজে বয়সের ছাপ পড়েনা।
হজম শক্তি বৃদ্ধি: মটরশুঁটিতে থাকে ফাইবার, যা হজমে সাহায্য করে। তাই যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য মটরশুঁটি খুবই উপযোগি খাবার।
দৃষ্টিশক্তি: মটরশুঁটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
ক্ষত সারানো: মটরশুঁটি ত্বকের জন্য ভালো। এতে থাকে ভিটামিন সি, যা ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়। তাছাড়া কোথাও পুড়ে গেলে দ্রুত সারিয়ে ফেলার জন্য মটরশুঁটির জুড়ি নেই।
ত্বকের উজ্জ্বলতা: মটরশুঁটি সেদ্ধ করে পেষ্ট বানিয়ে লাগাতে পারেন ত্বকে। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
চুল পড়া রোধ: নিয়মিত মটরশুঁটি খেলে চুল পড়া অনেকটা কমে যায়। মটরশুঁটিতে ভিটামিন বি১২, ফলিক ও ভিটামিন বি৬ থাকে। এই উপাদানগুলো রক্তে লৌহ কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। লৌহ কণিকা শরীরের সমস্ত কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি বহন করে। ফলে চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও অক্সিজেন পায়।
সংরক্ষন: মটরশুঁটি শীতকালীন সবজি হলেও কাঁচা মটরশুঁটির দানা ছাড়িয়ে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করে অথবা গরম পানিতে হালকা সেদ্ধ করে নরমাল ফ্রিজে রেখে সারাবছরই মটরশুঁটি খেতে পারেন।
আপনার মতামত লিখুন :