আন্তর্জাতিক
করোনার সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এখনো বাকি: ডব্লিউএইচও
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস মহামারির সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এখনো বাকি। তিনি বলেন, 'বর্তমান পরিবেশ এবং পরিস্থিতিতে আমরা সবচেয়ে খারাপ কিছুর আশঙ্কা করছি।'
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (২৯ জুন) এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক বলেন, আজ থেকে ছয় মাস আগে চীনের উহান শহরে রহস্যময় নিউমোনিয়ার মতো অসুস্থতার খবর প্রথম যখন পাওয়া যায় তখন যে আশঙ্কা করা হয়েছিল বর্তমান পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি খারাপ।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। ২৯ ডিসেম্বর এই ভাইরাসে সেখানকার নাগরিকদের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য প্রথমবারের মতো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানায় চীনা কর্তৃপক্ষ। ওই সময়ে ডব্লিউএইচও’র আশঙ্কা ছিল নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ সার্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মতো হতে পারে। ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওই সার্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয়।
গেব্রিয়াসিস বলেন, 'নতুন এই ভাইরাস আমাদের পৃথিবী, আমাদের জীবনকে কোন ধরনের বিপর্যয়ের মধ্যে ঠেলে দিতে পারে, তা ছয় মাস আগে আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি।'
তিনি বলেন, 'বেশিরভাগ মানুষ এখনও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকায় এখনও ভাইরাসটির বিস্তারের যথেষ্ট সুযোগ আছে। আমরা সবাই চাই এর অবসান হোক। আমরা সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই। কিন্তু কঠিন সত্য হলো এটা অবসানের কাছাকাছিও পৌঁছায়নি। বিশ্বের কয়েকটি দেশ খানিকটা অগ্রগতি অর্জন করলেও, সত্যিকার অর্থে মহামারির গতি বাড়ছে। বলতে খারাপ লাগছে, কিন্তু সত্য হলো সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এখনও আসেনি।'
ডব্লিউএইচও’র জরুরি কর্মসূচি বিষয়ক প্রধান মাইক রায়ান ওই ব্রিফিংয়ে বলেন, সংক্রমণ রোধে একটি কার্যকর ও নিরাপদ টিকা উদ্ভাবনে অসাধারণ অগ্রগতি অর্জিত হলেও, এখন পর্যন্ত কোনও নিশ্চয়তা নেই যে এই উদ্যোগ সফল হবে। ফলে এই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটি মোকাবিলা করতে সরকারগুলোকে পরীক্ষার বিস্তার ঘটাতে হবে, আক্রান্ত নিশ্চিত হওয়াদের বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে আর তাদের সংস্পর্শে আসা মানুষদের চিহ্নিত করতে হবে বলে জানান তিনি। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানি ভাইরাসটি মোকাবিলায় বিস্তৃত ও টেকসই কৌশল নিতে পেরেছে বলে ইঙ্গিত দেন মাইক রায়ান।
ব্রিফিংয়ে টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস জানান, ভাইরাসটি প্রতিরোধের উপায় খোঁজার গবেষণার অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে এই সপ্তাহে একটি বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ডব্লিউএইচও।
আন্তর্জাতিক
করোনার সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এখনো বাকি: ডব্লিউএইচও
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস মহামারির সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এখনো বাকি। তিনি বলেন, 'বর্তমান পরিবেশ এবং পরিস্থিতিতে আমরা সবচেয়ে খারাপ কিছুর আশঙ্কা করছি।'
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (২৯ জুন) এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক বলেন, আজ থেকে ছয় মাস আগে চীনের উহান শহরে রহস্যময় নিউমোনিয়ার মতো অসুস্থতার খবর প্রথম যখন পাওয়া যায় তখন যে আশঙ্কা করা হয়েছিল বর্তমান পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি খারাপ।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। ২৯ ডিসেম্বর এই ভাইরাসে সেখানকার নাগরিকদের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য প্রথমবারের মতো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানায় চীনা কর্তৃপক্ষ। ওই সময়ে ডব্লিউএইচও’র আশঙ্কা ছিল নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ সার্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মতো হতে পারে। ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওই সার্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয়।
গেব্রিয়াসিস বলেন, 'নতুন এই ভাইরাস আমাদের পৃথিবী, আমাদের জীবনকে কোন ধরনের বিপর্যয়ের মধ্যে ঠেলে দিতে পারে, তা ছয় মাস আগে আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি।'
তিনি বলেন, 'বেশিরভাগ মানুষ এখনও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকায় এখনও ভাইরাসটির বিস্তারের যথেষ্ট সুযোগ আছে। আমরা সবাই চাই এর অবসান হোক। আমরা সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই। কিন্তু কঠিন সত্য হলো এটা অবসানের কাছাকাছিও পৌঁছায়নি। বিশ্বের কয়েকটি দেশ খানিকটা অগ্রগতি অর্জন করলেও, সত্যিকার অর্থে মহামারির গতি বাড়ছে। বলতে খারাপ লাগছে, কিন্তু সত্য হলো সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এখনও আসেনি।'
ডব্লিউএইচও’র জরুরি কর্মসূচি বিষয়ক প্রধান মাইক রায়ান ওই ব্রিফিংয়ে বলেন, সংক্রমণ রোধে একটি কার্যকর ও নিরাপদ টিকা উদ্ভাবনে অসাধারণ অগ্রগতি অর্জিত হলেও, এখন পর্যন্ত কোনও নিশ্চয়তা নেই যে এই উদ্যোগ সফল হবে। ফলে এই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটি মোকাবিলা করতে সরকারগুলোকে পরীক্ষার বিস্তার ঘটাতে হবে, আক্রান্ত নিশ্চিত হওয়াদের বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে আর তাদের সংস্পর্শে আসা মানুষদের চিহ্নিত করতে হবে বলে জানান তিনি। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানি ভাইরাসটি মোকাবিলায় বিস্তৃত ও টেকসই কৌশল নিতে পেরেছে বলে ইঙ্গিত দেন মাইক রায়ান।
ব্রিফিংয়ে টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস জানান, ভাইরাসটি প্রতিরোধের উপায় খোঁজার গবেষণার অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে এই সপ্তাহে একটি বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ডব্লিউএইচও।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস মহামারির সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এখনো বাকি। তিনি বলেন, 'বর্তমান পরিবেশ এবং পরিস্থিতিতে আমরা সবচেয়ে খারাপ কিছুর আশঙ্কা করছি।'
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (২৯ জুন) এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক বলেন, আজ থেকে ছয় মাস আগে চীনের উহান শহরে রহস্যময় নিউমোনিয়ার মতো অসুস্থতার খবর প্রথম যখন পাওয়া যায় তখন যে আশঙ্কা করা হয়েছিল বর্তমান পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি খারাপ।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। ২৯ ডিসেম্বর এই ভাইরাসে সেখানকার নাগরিকদের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য প্রথমবারের মতো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানায় চীনা কর্তৃপক্ষ। ওই সময়ে ডব্লিউএইচও’র আশঙ্কা ছিল নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ সার্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মতো হতে পারে। ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওই সার্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয়।
গেব্রিয়াসিস বলেন, 'নতুন এই ভাইরাস আমাদের পৃথিবী, আমাদের জীবনকে কোন ধরনের বিপর্যয়ের মধ্যে ঠেলে দিতে পারে, তা ছয় মাস আগে আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি।'
তিনি বলেন, 'বেশিরভাগ মানুষ এখনও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকায় এখনও ভাইরাসটির বিস্তারের যথেষ্ট সুযোগ আছে। আমরা সবাই চাই এর অবসান হোক। আমরা সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই। কিন্তু কঠিন সত্য হলো এটা অবসানের কাছাকাছিও পৌঁছায়নি। বিশ্বের কয়েকটি দেশ খানিকটা অগ্রগতি অর্জন করলেও, সত্যিকার অর্থে মহামারির গতি বাড়ছে। বলতে খারাপ লাগছে, কিন্তু সত্য হলো সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এখনও আসেনি।'
ডব্লিউএইচও’র জরুরি কর্মসূচি বিষয়ক প্রধান মাইক রায়ান ওই ব্রিফিংয়ে বলেন, সংক্রমণ রোধে একটি কার্যকর ও নিরাপদ টিকা উদ্ভাবনে অসাধারণ অগ্রগতি অর্জিত হলেও, এখন পর্যন্ত কোনও নিশ্চয়তা নেই যে এই উদ্যোগ সফল হবে। ফলে এই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটি মোকাবিলা করতে সরকারগুলোকে পরীক্ষার বিস্তার ঘটাতে হবে, আক্রান্ত নিশ্চিত হওয়াদের বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে আর তাদের সংস্পর্শে আসা মানুষদের চিহ্নিত করতে হবে বলে জানান তিনি। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানি ভাইরাসটি মোকাবিলায় বিস্তৃত ও টেকসই কৌশল নিতে পেরেছে বলে ইঙ্গিত দেন মাইক রায়ান।
ব্রিফিংয়ে টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস জানান, ভাইরাসটি প্রতিরোধের উপায় খোঁজার গবেষণার অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে এই সপ্তাহে একটি বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ডব্লিউএইচও।
আপনার মতামত লিখুন :