আন্তর্জাতিক

সিঙ্গাপুরের করোনা ভাইরাস গবেষণায় ভয়ঙ্কর তথ্য 


নিউজরুম ডেস্ক
শনিবার, ৭ মার্চ ২০২০ ইং ১৪:৫৪
NewsRoom


চীন থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের কাছ থেকে খুব সহজেই অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে। আর এ কারণেই ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে গবেষণায় জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকসিয়াস ডিজিস (এনসিআইডি) এবং ডিএসও ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিজ।

বুধবার (০৪ মার্চ) আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নাল প্রতিষ্ঠান দুটির এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তরা চারপাশকে দ্রুতই ব্যাপকভাবে দূষিত করেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ভয়ঙ্কর এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণার জন্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন রোগীর ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তারা ২৪ জানুয়ারি থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোয়ারেনটাইনে ছিলেন।

১৪ দিন কোয়ারেনটাইনে থাকা অবস্থায় পাঁচদিন তাদের বসবাসের ঘরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে পরিষ্কার করার পর দু'জনের ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আর তৃতীয়জনের ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয় নিয়মিত পরিষ্কারের আগে।

এতে দেখা গেছে, পরিষ্কার না করা ঘরটিতে দূষণের মাত্রা বেশি। পরিষ্কার করার আগে তৃতীয় রোগীর ঘরের ১৫ স্থানের মধ্যে ১৩ জায়গায় করোনা ভাইরাসের নমুনা পাওয়া গেছে।

তৃতীয় রোগীর ব্যবহারের চেয়ার, বিছানা, জানালা, মেঝে, লাইটের সুইচ, টেবিল, গ্লাস এবং লকারে করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে। এমনকি তার ব্যবহারের টয়লেটেও পাঁচ জায়গার মধ্যে তিন জায়গায় ভাইরাসটি পাওয়া গেছে।

তবে অন্য দুইজনের ঘরে পরিষ্কারের পর ভাইরাসটির জীবাণু পাওয়া যায়নি। দিনে অন্তত দুইবার তাদের ঘর জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছিল।

আপনার মতামত লিখুন :

ডেটায় দেশ

আন্তর্জাতিক

সিঙ্গাপুরের করোনা ভাইরাস গবেষণায় ভয়ঙ্কর তথ্য 


নিউজরুম ডেস্ক
শনিবার, ৭ মার্চ ২০২০ ইং ১৪:৫৪
NewsRoom


চীন থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের কাছ থেকে খুব সহজেই অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে। আর এ কারণেই ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে গবেষণায় জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকসিয়াস ডিজিস (এনসিআইডি) এবং ডিএসও ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিজ।

বুধবার (০৪ মার্চ) আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নাল প্রতিষ্ঠান দুটির এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তরা চারপাশকে দ্রুতই ব্যাপকভাবে দূষিত করেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ভয়ঙ্কর এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণার জন্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন রোগীর ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তারা ২৪ জানুয়ারি থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোয়ারেনটাইনে ছিলেন।

১৪ দিন কোয়ারেনটাইনে থাকা অবস্থায় পাঁচদিন তাদের বসবাসের ঘরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে পরিষ্কার করার পর দু'জনের ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আর তৃতীয়জনের ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয় নিয়মিত পরিষ্কারের আগে।

এতে দেখা গেছে, পরিষ্কার না করা ঘরটিতে দূষণের মাত্রা বেশি। পরিষ্কার করার আগে তৃতীয় রোগীর ঘরের ১৫ স্থানের মধ্যে ১৩ জায়গায় করোনা ভাইরাসের নমুনা পাওয়া গেছে।

তৃতীয় রোগীর ব্যবহারের চেয়ার, বিছানা, জানালা, মেঝে, লাইটের সুইচ, টেবিল, গ্লাস এবং লকারে করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে। এমনকি তার ব্যবহারের টয়লেটেও পাঁচ জায়গার মধ্যে তিন জায়গায় ভাইরাসটি পাওয়া গেছে।

তবে অন্য দুইজনের ঘরে পরিষ্কারের পর ভাইরাসটির জীবাণু পাওয়া যায়নি। দিনে অন্তত দুইবার তাদের ঘর জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছিল।

আপনার মতামত লিখুন :


সিঙ্গাপুরের করোনা ভাইরাস গবেষণায় ভয়ঙ্কর তথ্য 

নিউজরুম ডেস্ক শনিবার, ৭ মার্চ ২০২০ ইং ১৪:৫৪ NewsRoom


চীন থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের কাছ থেকে খুব সহজেই অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে। আর এ কারণেই ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে গবেষণায় জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকসিয়াস ডিজিস (এনসিআইডি) এবং ডিএসও ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিজ।

বুধবার (০৪ মার্চ) আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নাল প্রতিষ্ঠান দুটির এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তরা চারপাশকে দ্রুতই ব্যাপকভাবে দূষিত করেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ভয়ঙ্কর এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণার জন্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন রোগীর ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তারা ২৪ জানুয়ারি থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোয়ারেনটাইনে ছিলেন।

১৪ দিন কোয়ারেনটাইনে থাকা অবস্থায় পাঁচদিন তাদের বসবাসের ঘরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে পরিষ্কার করার পর দু'জনের ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আর তৃতীয়জনের ঘর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয় নিয়মিত পরিষ্কারের আগে।

এতে দেখা গেছে, পরিষ্কার না করা ঘরটিতে দূষণের মাত্রা বেশি। পরিষ্কার করার আগে তৃতীয় রোগীর ঘরের ১৫ স্থানের মধ্যে ১৩ জায়গায় করোনা ভাইরাসের নমুনা পাওয়া গেছে।

তৃতীয় রোগীর ব্যবহারের চেয়ার, বিছানা, জানালা, মেঝে, লাইটের সুইচ, টেবিল, গ্লাস এবং লকারে করোনা ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে। এমনকি তার ব্যবহারের টয়লেটেও পাঁচ জায়গার মধ্যে তিন জায়গায় ভাইরাসটি পাওয়া গেছে।

তবে অন্য দুইজনের ঘরে পরিষ্কারের পর ভাইরাসটির জীবাণু পাওয়া যায়নি। দিনে অন্তত দুইবার তাদের ঘর জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছিল।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd