বিনোদন ঢালিউড
হত্যাকাণ্ড নয়, পারিবারিক কলহে সালমান শাহ'র আত্মহত্যা: পিবিআই
প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ'র মৃত্যুর ঘটনা হত্যা নয়, বরং পারিবারিক কলহে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিআইবি প্রধান বনজ কুমার মজুমদার।
এসময় তিনি বলেন, '১৬৪ ধারায় ১০ জনের জবানবন্দি নিয়েছে পিবিআই। নতুন করে আলামত হিসেবে একটি ফ্যান জব্দ করেছে পিবিআই। সালমান শাহ এর গলায় অর্ধ চন্দ্রাকৃতির গাঢ় কালো রঙের দাগ পাওয়া গেছে। শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিলো না। কোনো বিষক্রিয়ার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।'
বনজ কুমার আরও বলেন, 'সালমানের এক বন্ধু (মো সুমিত রহমান) জবানবন্দিতে বলেন, সালমান ছিলেন অভিমানী। বন্ধুদের সঙ্গে ঝগড়া হলেও নিজের রক্ত দিয়ে চিঠে লিখতেন তিনি। মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করেও ওষুধ-স্যাভলন খেয়েছেন সালমান। নায়িকা শাবনূরের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতার কারণে তার পরিবারে অশান্তি ছিলো শুরু থেকেই। মারা যাবার দিন সালমান তার মামা আলমগীর মো. কুমকুমকে ফোনে তার স্ত্রীকে তালাক দেবার কথা জানান। চলচ্চিত্র অভিনেতা মো. আশরাফুল হক ডন জবানবন্দিতে সালমানের সঙ্গে তার মায়ের বনিবনা ছিলো না বলে জানান। আর, একজন কো আর্টিস্ট হিসেবে যেমন সম্পর্ক হওয়ার কথা, তেমনটাই ছিলো বলে পিবিআইকে জানায় শাবনূর। মূলত শাবনূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়া এবং মায়ের সঙ্গে নানা সময় বনিবনা না হওয়া, সব মিলিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সালমান শাহ।
সালমানের মা ১৯৯৭ সালের ২৪শে জুলাই অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন। ৩রা নভেম্বর আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। সেখানে সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। তবে, ২০১৪ সালের ২১শে ডিসেম্বর সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরী বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।
২০১৬ সালে এ মৃত্যুর রহস্যের তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। ৪৪ জনের জবানবন্দি নিয়ে অবশেষে ৬০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। আর সেটি জানাতে গিয়েই পিবিআই জানিয়েছে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন, এটি কোনো হত্যাকাণ্ড নয়।
দীর্ঘ ২৪ বছর পর হলেও এই তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে সালমান শাহ'র মৃত্যুর ঘটনার সুরাহা হলো বলেই মনে করছে পিবিআই।
সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর পরলোক গমন করেন। রাজধানী ঢাকার ইস্কাটনে তার নিজ বাস ভবনে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হলেও তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য রয়ে যায়।
বিনোদন ঢালিউড
হত্যাকাণ্ড নয়, পারিবারিক কলহে সালমান শাহ'র আত্মহত্যা: পিবিআই
প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ'র মৃত্যুর ঘটনা হত্যা নয়, বরং পারিবারিক কলহে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিআইবি প্রধান বনজ কুমার মজুমদার।
এসময় তিনি বলেন, '১৬৪ ধারায় ১০ জনের জবানবন্দি নিয়েছে পিবিআই। নতুন করে আলামত হিসেবে একটি ফ্যান জব্দ করেছে পিবিআই। সালমান শাহ এর গলায় অর্ধ চন্দ্রাকৃতির গাঢ় কালো রঙের দাগ পাওয়া গেছে। শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিলো না। কোনো বিষক্রিয়ার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।'
বনজ কুমার আরও বলেন, 'সালমানের এক বন্ধু (মো সুমিত রহমান) জবানবন্দিতে বলেন, সালমান ছিলেন অভিমানী। বন্ধুদের সঙ্গে ঝগড়া হলেও নিজের রক্ত দিয়ে চিঠে লিখতেন তিনি। মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করেও ওষুধ-স্যাভলন খেয়েছেন সালমান। নায়িকা শাবনূরের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতার কারণে তার পরিবারে অশান্তি ছিলো শুরু থেকেই। মারা যাবার দিন সালমান তার মামা আলমগীর মো. কুমকুমকে ফোনে তার স্ত্রীকে তালাক দেবার কথা জানান। চলচ্চিত্র অভিনেতা মো. আশরাফুল হক ডন জবানবন্দিতে সালমানের সঙ্গে তার মায়ের বনিবনা ছিলো না বলে জানান। আর, একজন কো আর্টিস্ট হিসেবে যেমন সম্পর্ক হওয়ার কথা, তেমনটাই ছিলো বলে পিবিআইকে জানায় শাবনূর। মূলত শাবনূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়া এবং মায়ের সঙ্গে নানা সময় বনিবনা না হওয়া, সব মিলিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সালমান শাহ।
সালমানের মা ১৯৯৭ সালের ২৪শে জুলাই অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন। ৩রা নভেম্বর আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। সেখানে সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। তবে, ২০১৪ সালের ২১শে ডিসেম্বর সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরী বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।
২০১৬ সালে এ মৃত্যুর রহস্যের তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। ৪৪ জনের জবানবন্দি নিয়ে অবশেষে ৬০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। আর সেটি জানাতে গিয়েই পিবিআই জানিয়েছে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন, এটি কোনো হত্যাকাণ্ড নয়।
দীর্ঘ ২৪ বছর পর হলেও এই তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে সালমান শাহ'র মৃত্যুর ঘটনার সুরাহা হলো বলেই মনে করছে পিবিআই।
সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর পরলোক গমন করেন। রাজধানী ঢাকার ইস্কাটনে তার নিজ বাস ভবনে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হলেও তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য রয়ে যায়।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ'র মৃত্যুর ঘটনা হত্যা নয়, বরং পারিবারিক কলহে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিআইবি প্রধান বনজ কুমার মজুমদার।
এসময় তিনি বলেন, '১৬৪ ধারায় ১০ জনের জবানবন্দি নিয়েছে পিবিআই। নতুন করে আলামত হিসেবে একটি ফ্যান জব্দ করেছে পিবিআই। সালমান শাহ এর গলায় অর্ধ চন্দ্রাকৃতির গাঢ় কালো রঙের দাগ পাওয়া গেছে। শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিলো না। কোনো বিষক্রিয়ার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।'
বনজ কুমার আরও বলেন, 'সালমানের এক বন্ধু (মো সুমিত রহমান) জবানবন্দিতে বলেন, সালমান ছিলেন অভিমানী। বন্ধুদের সঙ্গে ঝগড়া হলেও নিজের রক্ত দিয়ে চিঠে লিখতেন তিনি। মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করেও ওষুধ-স্যাভলন খেয়েছেন সালমান। নায়িকা শাবনূরের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতার কারণে তার পরিবারে অশান্তি ছিলো শুরু থেকেই। মারা যাবার দিন সালমান তার মামা আলমগীর মো. কুমকুমকে ফোনে তার স্ত্রীকে তালাক দেবার কথা জানান। চলচ্চিত্র অভিনেতা মো. আশরাফুল হক ডন জবানবন্দিতে সালমানের সঙ্গে তার মায়ের বনিবনা ছিলো না বলে জানান। আর, একজন কো আর্টিস্ট হিসেবে যেমন সম্পর্ক হওয়ার কথা, তেমনটাই ছিলো বলে পিবিআইকে জানায় শাবনূর। মূলত শাবনূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়া এবং মায়ের সঙ্গে নানা সময় বনিবনা না হওয়া, সব মিলিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সালমান শাহ।
সালমানের মা ১৯৯৭ সালের ২৪শে জুলাই অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন। ৩রা নভেম্বর আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। সেখানে সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। তবে, ২০১৪ সালের ২১শে ডিসেম্বর সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরী বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।
২০১৬ সালে এ মৃত্যুর রহস্যের তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। ৪৪ জনের জবানবন্দি নিয়ে অবশেষে ৬০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। আর সেটি জানাতে গিয়েই পিবিআই জানিয়েছে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন, এটি কোনো হত্যাকাণ্ড নয়।
দীর্ঘ ২৪ বছর পর হলেও এই তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে সালমান শাহ'র মৃত্যুর ঘটনার সুরাহা হলো বলেই মনে করছে পিবিআই।
সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর পরলোক গমন করেন। রাজধানী ঢাকার ইস্কাটনে তার নিজ বাস ভবনে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হলেও তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য রয়ে যায়।
আপনার মতামত লিখুন :