শিক্ষা
ঢাবির গণরুম সমস্যা সমাধান না হলে ভিসির বাসায় ওঠার হুমকি
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গণরুমের সমস্যা সমাধান না হলে উপাচার্যের বাসায় গিয়ে ওঠার হুমকি দিয়েছেন ডাকসুর সদস্য তানভীর হাসান সৈকত।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিভিন্ন হলের গণরুমের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
এ ছাড়া গণরুমের বর্তমান বৈধ শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রাখারও আহ্বান জানান ডাকসুর এ সদস্য।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা ‘আমরা এখন চুপসে গেছি, জ্ঞানশূন্য কালো মাছি’, ‘গণরুমের বঞ্চনা, মানি না মানব না’, ‘প্রথম বর্ষ থেকে বৈধ সিটের অধিকার চাই’ স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
সমাবেশে সৈকত বলেন, ‘ডাকসুর পক্ষ থেকে ভিসি স্যারকে আমি গণরুম সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তাব দিয়েছি। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এক মাসেও এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।’
তিনি বলেন, ‘আমি ভিসি স্যারের উদ্দেশে বলছি- আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে যদি গণরুম সমস্যা সমাধানের বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, তা হলে আমি গণরুমে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভিসি স্যারের বাসভবনে অবস্থান করব।’
সৈকত আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গণরুম টিকিয়ে রাখার মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনগুলো সবাই তাদের ফায়দা লুটে নেয়। তারা গণরুমকে তাদের দাসত্বের কারখানায় পরিণত করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এখানে দাস হওয়ার জন্য আসেনি।’
‘আজ বিশ্ববিদ্যালয় ১০০০ র্যাংকিংয়ে না থাকার মূল কারণ হচ্ছে- এ আবাসন সংকট। কেউ ছাত্রদের কথা বলে না। এখানে ভালো মানের কোনো গবেষণা নেই। শুধু ইট-পাথরের কয়েকটা দেয়াল থাকলেই সেটি কখনও বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে না।’
শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় প্রশ্নে ডাকসুর নির্লিপ্ততার সমালোচনা করেন ছাত্রলীগের গত কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সৈকত।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তারা এখন ব্যক্তিরাজনীতি নিয়ে বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকেন। ডাকসুর বড় বড় নেতারা শুধু টকশো নিয়েই ব্যস্ত আছেন আর একে অন্যকে দোষারোপ করে যাচ্ছেন। কেউ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলছেন না। উল্টো গণরুমকে পুঁজি করে রাজনৈতিক স্বার্থে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।’
সমাবেশে আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বিজয় বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ এমন হয় সেটা আমরা ভর্তির আগে কখনও ভাবিনি। আমাদের গণরুমগুলোতে পড়ার কোনো চেয়ার-টেবিল নেই, থাকার জায়গা হয় না। আবার লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির পেছনে অধিকাংশ সময় দিতে হয়।’
এসএম হলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময়ই আমাকে হল সংযুক্ত করে দেয়া হয়। সুতরাং আমি হলের একজন বৈধ ছাত্র। কিন্তু একজন বৈধ ছাত্র হয়েও আমাকে হলের বারান্দায় গাদাগাদি করে থাকতে হয়। সিট দেয়ার নামে এখানে বাণিজ্য হয়, এটা লজ্জার।’
সূর্যসেন হলের ছাত্র হাবিবুর রহমান মিশু বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে আমরা এখন পর্যন্ত প্রত্যাশার ছিটেফোঁটাও পাই না।’
প্রসঙ্গত শিক্ষার্থীদের ‘গণরুম’ নামের দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডাকসু নির্বাচনে ভোট চেয়েছিলেন ছাত্রলীগ নেতা তানভীর হাসান সৈকত। ডাকসুর সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছয় মাসেও কোনো সমাধান দিতে না পারার আক্ষেপ থেকে সিট ছেড়ে এক মাস ধরে নিজেই গণরুমে থাকছেন।
কবি জসীমউদ্দীন হলের আবাসিক ছাত্র সৈকত থাকতেন ৩২০ নম্বর কক্ষে। গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে সেখান থেকে তিনি গিয়ে ওঠেন ২০৮ নম্বর কক্ষে। এই হলের অনেকগুলো গণরুমের মধ্যে এটি একটি।
শিক্ষা
ঢাবির গণরুম সমস্যা সমাধান না হলে ভিসির বাসায় ওঠার হুমকি
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গণরুমের সমস্যা সমাধান না হলে উপাচার্যের বাসায় গিয়ে ওঠার হুমকি দিয়েছেন ডাকসুর সদস্য তানভীর হাসান সৈকত।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিভিন্ন হলের গণরুমের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
এ ছাড়া গণরুমের বর্তমান বৈধ শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রাখারও আহ্বান জানান ডাকসুর এ সদস্য।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা ‘আমরা এখন চুপসে গেছি, জ্ঞানশূন্য কালো মাছি’, ‘গণরুমের বঞ্চনা, মানি না মানব না’, ‘প্রথম বর্ষ থেকে বৈধ সিটের অধিকার চাই’ স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
সমাবেশে সৈকত বলেন, ‘ডাকসুর পক্ষ থেকে ভিসি স্যারকে আমি গণরুম সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তাব দিয়েছি। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এক মাসেও এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।’
তিনি বলেন, ‘আমি ভিসি স্যারের উদ্দেশে বলছি- আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে যদি গণরুম সমস্যা সমাধানের বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, তা হলে আমি গণরুমে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভিসি স্যারের বাসভবনে অবস্থান করব।’
সৈকত আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গণরুম টিকিয়ে রাখার মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনগুলো সবাই তাদের ফায়দা লুটে নেয়। তারা গণরুমকে তাদের দাসত্বের কারখানায় পরিণত করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এখানে দাস হওয়ার জন্য আসেনি।’
‘আজ বিশ্ববিদ্যালয় ১০০০ র্যাংকিংয়ে না থাকার মূল কারণ হচ্ছে- এ আবাসন সংকট। কেউ ছাত্রদের কথা বলে না। এখানে ভালো মানের কোনো গবেষণা নেই। শুধু ইট-পাথরের কয়েকটা দেয়াল থাকলেই সেটি কখনও বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে না।’
শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় প্রশ্নে ডাকসুর নির্লিপ্ততার সমালোচনা করেন ছাত্রলীগের গত কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সৈকত।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তারা এখন ব্যক্তিরাজনীতি নিয়ে বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকেন। ডাকসুর বড় বড় নেতারা শুধু টকশো নিয়েই ব্যস্ত আছেন আর একে অন্যকে দোষারোপ করে যাচ্ছেন। কেউ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলছেন না। উল্টো গণরুমকে পুঁজি করে রাজনৈতিক স্বার্থে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।’
সমাবেশে আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বিজয় বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ এমন হয় সেটা আমরা ভর্তির আগে কখনও ভাবিনি। আমাদের গণরুমগুলোতে পড়ার কোনো চেয়ার-টেবিল নেই, থাকার জায়গা হয় না। আবার লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির পেছনে অধিকাংশ সময় দিতে হয়।’
এসএম হলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময়ই আমাকে হল সংযুক্ত করে দেয়া হয়। সুতরাং আমি হলের একজন বৈধ ছাত্র। কিন্তু একজন বৈধ ছাত্র হয়েও আমাকে হলের বারান্দায় গাদাগাদি করে থাকতে হয়। সিট দেয়ার নামে এখানে বাণিজ্য হয়, এটা লজ্জার।’
সূর্যসেন হলের ছাত্র হাবিবুর রহমান মিশু বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে আমরা এখন পর্যন্ত প্রত্যাশার ছিটেফোঁটাও পাই না।’
প্রসঙ্গত শিক্ষার্থীদের ‘গণরুম’ নামের দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডাকসু নির্বাচনে ভোট চেয়েছিলেন ছাত্রলীগ নেতা তানভীর হাসান সৈকত। ডাকসুর সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছয় মাসেও কোনো সমাধান দিতে না পারার আক্ষেপ থেকে সিট ছেড়ে এক মাস ধরে নিজেই গণরুমে থাকছেন।
কবি জসীমউদ্দীন হলের আবাসিক ছাত্র সৈকত থাকতেন ৩২০ নম্বর কক্ষে। গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে সেখান থেকে তিনি গিয়ে ওঠেন ২০৮ নম্বর কক্ষে। এই হলের অনেকগুলো গণরুমের মধ্যে এটি একটি।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গণরুমের সমস্যা সমাধান না হলে উপাচার্যের বাসায় গিয়ে ওঠার হুমকি দিয়েছেন ডাকসুর সদস্য তানভীর হাসান সৈকত।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিভিন্ন হলের গণরুমের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
এ ছাড়া গণরুমের বর্তমান বৈধ শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রাখারও আহ্বান জানান ডাকসুর এ সদস্য।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা ‘আমরা এখন চুপসে গেছি, জ্ঞানশূন্য কালো মাছি’, ‘গণরুমের বঞ্চনা, মানি না মানব না’, ‘প্রথম বর্ষ থেকে বৈধ সিটের অধিকার চাই’ স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
সমাবেশে সৈকত বলেন, ‘ডাকসুর পক্ষ থেকে ভিসি স্যারকে আমি গণরুম সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তাব দিয়েছি। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এক মাসেও এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।’
তিনি বলেন, ‘আমি ভিসি স্যারের উদ্দেশে বলছি- আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে যদি গণরুম সমস্যা সমাধানের বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, তা হলে আমি গণরুমে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভিসি স্যারের বাসভবনে অবস্থান করব।’
সৈকত আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গণরুম টিকিয়ে রাখার মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনগুলো সবাই তাদের ফায়দা লুটে নেয়। তারা গণরুমকে তাদের দাসত্বের কারখানায় পরিণত করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এখানে দাস হওয়ার জন্য আসেনি।’
‘আজ বিশ্ববিদ্যালয় ১০০০ র্যাংকিংয়ে না থাকার মূল কারণ হচ্ছে- এ আবাসন সংকট। কেউ ছাত্রদের কথা বলে না। এখানে ভালো মানের কোনো গবেষণা নেই। শুধু ইট-পাথরের কয়েকটা দেয়াল থাকলেই সেটি কখনও বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে না।’
শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় প্রশ্নে ডাকসুর নির্লিপ্ততার সমালোচনা করেন ছাত্রলীগের গত কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সৈকত।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তারা এখন ব্যক্তিরাজনীতি নিয়ে বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকেন। ডাকসুর বড় বড় নেতারা শুধু টকশো নিয়েই ব্যস্ত আছেন আর একে অন্যকে দোষারোপ করে যাচ্ছেন। কেউ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলছেন না। উল্টো গণরুমকে পুঁজি করে রাজনৈতিক স্বার্থে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।’
সমাবেশে আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বিজয় বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ এমন হয় সেটা আমরা ভর্তির আগে কখনও ভাবিনি। আমাদের গণরুমগুলোতে পড়ার কোনো চেয়ার-টেবিল নেই, থাকার জায়গা হয় না। আবার লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির পেছনে অধিকাংশ সময় দিতে হয়।’
এসএম হলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময়ই আমাকে হল সংযুক্ত করে দেয়া হয়। সুতরাং আমি হলের একজন বৈধ ছাত্র। কিন্তু একজন বৈধ ছাত্র হয়েও আমাকে হলের বারান্দায় গাদাগাদি করে থাকতে হয়। সিট দেয়ার নামে এখানে বাণিজ্য হয়, এটা লজ্জার।’
সূর্যসেন হলের ছাত্র হাবিবুর রহমান মিশু বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে আমরা এখন পর্যন্ত প্রত্যাশার ছিটেফোঁটাও পাই না।’
প্রসঙ্গত শিক্ষার্থীদের ‘গণরুম’ নামের দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডাকসু নির্বাচনে ভোট চেয়েছিলেন ছাত্রলীগ নেতা তানভীর হাসান সৈকত। ডাকসুর সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছয় মাসেও কোনো সমাধান দিতে না পারার আক্ষেপ থেকে সিট ছেড়ে এক মাস ধরে নিজেই গণরুমে থাকছেন।
কবি জসীমউদ্দীন হলের আবাসিক ছাত্র সৈকত থাকতেন ৩২০ নম্বর কক্ষে। গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে সেখান থেকে তিনি গিয়ে ওঠেন ২০৮ নম্বর কক্ষে। এই হলের অনেকগুলো গণরুমের মধ্যে এটি একটি।
আপনার মতামত লিখুন :