অর্থনীতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
করোনাভাইরাস
করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
করোনা প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে তহবিল ছাড় করার অংশ হিসেবে এই অর্থ বাংলাদেশকে দেওয়া হচ্ছে।
ইতোমধ্যে ডলার প্রতি ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৬০ কোটি টাকার এই অর্থায়ন অনুমোদনও দিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি।
এই অর্থ দিয়ে করোনাভাইরাস চিহ্নিত করা ও প্রতিরোধ করায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করায় খরচ করা হবে। করোনাভাইরাস ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপার্ডনেস প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করতে নির্বাচিত হাসপাতালে টেস্টিং সুবিধা, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণসহ নানা সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, করোনার বিস্তার রোধে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের অর্থ করোনা প্রতিরোধে এ দেশের জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, এটি কার্যকর নজরদারি এবং ডায়াগনস্টিক সিস্টেমগুলো রয়েছে কিনা তা নির্ধারণের মাধ্যমে এবং দেশের স্বাস্থ্যবিধি, ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম, ভেন্টিলেটর এবং বিচ্ছিন্ন ইউনিট নির্ধারিত হাসপাতালে উপলব্ধি রয়েছে তা নিশ্চিত করে দেশের প্রতিক্রিয়া জোরদার করতে সহায়তা করবে।
বিশ্বব্যাংক করোনা প্রতিরোধে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিশেষ তহবিল গঠন করেছে। ইতিমধ্যে ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ বিশ্বব্যাংকের এই জরুরি তহবিল থেকে অর্থ নিয়েছে।
অর্থনীতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
করোনাভাইরাস
করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
করোনা প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে তহবিল ছাড় করার অংশ হিসেবে এই অর্থ বাংলাদেশকে দেওয়া হচ্ছে।
ইতোমধ্যে ডলার প্রতি ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৬০ কোটি টাকার এই অর্থায়ন অনুমোদনও দিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি।
এই অর্থ দিয়ে করোনাভাইরাস চিহ্নিত করা ও প্রতিরোধ করায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করায় খরচ করা হবে। করোনাভাইরাস ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপার্ডনেস প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করতে নির্বাচিত হাসপাতালে টেস্টিং সুবিধা, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণসহ নানা সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, করোনার বিস্তার রোধে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের অর্থ করোনা প্রতিরোধে এ দেশের জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, এটি কার্যকর নজরদারি এবং ডায়াগনস্টিক সিস্টেমগুলো রয়েছে কিনা তা নির্ধারণের মাধ্যমে এবং দেশের স্বাস্থ্যবিধি, ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম, ভেন্টিলেটর এবং বিচ্ছিন্ন ইউনিট নির্ধারিত হাসপাতালে উপলব্ধি রয়েছে তা নিশ্চিত করে দেশের প্রতিক্রিয়া জোরদার করতে সহায়তা করবে।
বিশ্বব্যাংক করোনা প্রতিরোধে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিশেষ তহবিল গঠন করেছে। ইতিমধ্যে ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ বিশ্বব্যাংকের এই জরুরি তহবিল থেকে অর্থ নিয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
করোনা প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে তহবিল ছাড় করার অংশ হিসেবে এই অর্থ বাংলাদেশকে দেওয়া হচ্ছে।
ইতোমধ্যে ডলার প্রতি ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৬০ কোটি টাকার এই অর্থায়ন অনুমোদনও দিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি।
এই অর্থ দিয়ে করোনাভাইরাস চিহ্নিত করা ও প্রতিরোধ করায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করায় খরচ করা হবে। করোনাভাইরাস ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপার্ডনেস প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করতে নির্বাচিত হাসপাতালে টেস্টিং সুবিধা, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণসহ নানা সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, করোনার বিস্তার রোধে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের অর্থ করোনা প্রতিরোধে এ দেশের জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, এটি কার্যকর নজরদারি এবং ডায়াগনস্টিক সিস্টেমগুলো রয়েছে কিনা তা নির্ধারণের মাধ্যমে এবং দেশের স্বাস্থ্যবিধি, ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম, ভেন্টিলেটর এবং বিচ্ছিন্ন ইউনিট নির্ধারিত হাসপাতালে উপলব্ধি রয়েছে তা নিশ্চিত করে দেশের প্রতিক্রিয়া জোরদার করতে সহায়তা করবে।
বিশ্বব্যাংক করোনা প্রতিরোধে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিশেষ তহবিল গঠন করেছে। ইতিমধ্যে ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ বিশ্বব্যাংকের এই জরুরি তহবিল থেকে অর্থ নিয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :