বাংলাদেশ রাজধানী
যাত্রী নেই গণপরিবহনে
চলছে না ২৫ শতাংশের বেশি বাস
করোনাভাইরাসের কারণে দূরপাল্লার পথে মাত্র এক–চতুর্থাংশ বাস চলছে। সেই সাথে রাজধানীতেও বাস চলাচল এখনো অনেকটাই সীমিত। রাজধানীতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অর্ধেক বাস চলছে বলে জানিয়েছেন পরিবহনমালিকেরা।
রাজধানীসহ সারা দেশে ১ জুন থেকে ৬৭ দিন বন্ধ থাকার পর বাস–মিনিবাস চালু হয়েছে।প্রতিটি বাসে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চালাতে হবে বলে সিদ্ধান্ত ছিল সরকারের। যাত্রী কম বলে স্বাস্থ্যবিধির এই কড়াকড়ি না মানার মতো পরিস্থিতিই তৈরি হয়নি। সরকার অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার শর্তের কারণে বাসের ভাড়াও ৬০ শতাংশ বাড়িয়েছে। তবে অভিযোগ আছে রাজধানীতে বাসে এর চেয়ে বাড়তি ভাড়া আদায়ের ।
রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী টার্মিনাল থেকে স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক গড়ে চার হাজার বাস যাতায়াত করে। এখন তা হাজারখানেকে নেমে এসেছে। সেই সাথে সব যাত্রায় পূর্ণ হচ্ছে না বাসের অর্ধেক আসনও । দূরপাল্লার পথে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসসেবা প্রায় বন্ধই রয়েছে। সব মিলিয়ে ২৫ শতাংশের বেশি বাস চলছে না বলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ রাজধানী
যাত্রী নেই গণপরিবহনে
চলছে না ২৫ শতাংশের বেশি বাস
করোনাভাইরাসের কারণে দূরপাল্লার পথে মাত্র এক–চতুর্থাংশ বাস চলছে। সেই সাথে রাজধানীতেও বাস চলাচল এখনো অনেকটাই সীমিত। রাজধানীতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অর্ধেক বাস চলছে বলে জানিয়েছেন পরিবহনমালিকেরা।
রাজধানীসহ সারা দেশে ১ জুন থেকে ৬৭ দিন বন্ধ থাকার পর বাস–মিনিবাস চালু হয়েছে।প্রতিটি বাসে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চালাতে হবে বলে সিদ্ধান্ত ছিল সরকারের। যাত্রী কম বলে স্বাস্থ্যবিধির এই কড়াকড়ি না মানার মতো পরিস্থিতিই তৈরি হয়নি। সরকার অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার শর্তের কারণে বাসের ভাড়াও ৬০ শতাংশ বাড়িয়েছে। তবে অভিযোগ আছে রাজধানীতে বাসে এর চেয়ে বাড়তি ভাড়া আদায়ের ।
রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী টার্মিনাল থেকে স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক গড়ে চার হাজার বাস যাতায়াত করে। এখন তা হাজারখানেকে নেমে এসেছে। সেই সাথে সব যাত্রায় পূর্ণ হচ্ছে না বাসের অর্ধেক আসনও । দূরপাল্লার পথে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসসেবা প্রায় বন্ধই রয়েছে। সব মিলিয়ে ২৫ শতাংশের বেশি বাস চলছে না বলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সূত্র জানিয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
করোনাভাইরাসের কারণে দূরপাল্লার পথে মাত্র এক–চতুর্থাংশ বাস চলছে। সেই সাথে রাজধানীতেও বাস চলাচল এখনো অনেকটাই সীমিত। রাজধানীতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অর্ধেক বাস চলছে বলে জানিয়েছেন পরিবহনমালিকেরা।
রাজধানীসহ সারা দেশে ১ জুন থেকে ৬৭ দিন বন্ধ থাকার পর বাস–মিনিবাস চালু হয়েছে।প্রতিটি বাসে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চালাতে হবে বলে সিদ্ধান্ত ছিল সরকারের। যাত্রী কম বলে স্বাস্থ্যবিধির এই কড়াকড়ি না মানার মতো পরিস্থিতিই তৈরি হয়নি। সরকার অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার শর্তের কারণে বাসের ভাড়াও ৬০ শতাংশ বাড়িয়েছে। তবে অভিযোগ আছে রাজধানীতে বাসে এর চেয়ে বাড়তি ভাড়া আদায়ের ।
রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী টার্মিনাল থেকে স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক গড়ে চার হাজার বাস যাতায়াত করে। এখন তা হাজারখানেকে নেমে এসেছে। সেই সাথে সব যাত্রায় পূর্ণ হচ্ছে না বাসের অর্ধেক আসনও । দূরপাল্লার পথে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসসেবা প্রায় বন্ধই রয়েছে। সব মিলিয়ে ২৫ শতাংশের বেশি বাস চলছে না বলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সূত্র জানিয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :