বাংলাদেশ জাতীয়
হজের নিবন্ধনের সময় বাড়লো ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত
করোনাভাইরাস মহামারীতে অনিশ্চয়তার মধ্যেই চলতি বছরে সরকারি ও বেসরকারি ব্যববস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।
বুধবার ধর্ম মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়সীমা বাড়ানোর কথা জানায়। এর আগে নিবন্ধনের শেষ সময় ৮ এপ্রিল পর্যন্ত ছিল। এছাড়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ মার্চ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ মার্চ থেকে নিবন্ধন শুরু হয়।
মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালে হজ পালনে নিবন্ধনের জন্য পাসপোর্ট জমা দানকারী অনেকে সাধারণ ছুটির কারণে ব্যাংক থেকে নিবন্ধন ভাউচার গ্রহণ করতে পারেননি। এছাড়াও ইতোমধ্যে নিবন্ধন ভাউচার গ্রহণকারী অনেকে টাকা জমা করতে না পারায় নিবন্ধন করতে পারেননি। এ অবস্থায় ২০২০ সালে সরকারি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের নিবন্ধনের সুবিধার্থে হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত সব প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তিসহ হজ গমনে যে কোনো ব্যক্তি নতুনভাবে একইসঙ্গে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন করতে পারবেন।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা শুধু এক লাখ ৫১ হাজার ৯৯০ টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন করবেন। আপাতত কোনো অবস্থাতেই অতিরক্তি টাকা জমা করবেন না। কোনো এজেন্সি নিবন্ধনের জন্য এর অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।
হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় গৃহীত অর্থ কোনো অবস্থাতেই এ পর্যায়ে হজ কার্যক্রম বাবদ বাংলাদেশে ব্যয় করা যাবে না এবং সৌদি আরবেও পাঠানো যাবে না। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কোনো এজেন্সি ব্যাংক থেকে এ টাকা উত্তোলনও করতে পারবে না।
সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যেতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
তবে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে সবকিছুই এখন নির্ভর করবে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর।
এ কারণে এখনই হজের পরিকল্পনা চূড়ান্ত না করে পরিস্থিতি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে সৌদি আরব।
গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ ১৭৯৮ সালে একবার হজ বাতিল হয়েছিল। করোনাভাইরাস সঙ্কট দীর্ঘায়িত হলে এবারও তেমন কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়
হজের নিবন্ধনের সময় বাড়লো ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত
করোনাভাইরাস মহামারীতে অনিশ্চয়তার মধ্যেই চলতি বছরে সরকারি ও বেসরকারি ব্যববস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।
বুধবার ধর্ম মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়সীমা বাড়ানোর কথা জানায়। এর আগে নিবন্ধনের শেষ সময় ৮ এপ্রিল পর্যন্ত ছিল। এছাড়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ মার্চ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ মার্চ থেকে নিবন্ধন শুরু হয়।
মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালে হজ পালনে নিবন্ধনের জন্য পাসপোর্ট জমা দানকারী অনেকে সাধারণ ছুটির কারণে ব্যাংক থেকে নিবন্ধন ভাউচার গ্রহণ করতে পারেননি। এছাড়াও ইতোমধ্যে নিবন্ধন ভাউচার গ্রহণকারী অনেকে টাকা জমা করতে না পারায় নিবন্ধন করতে পারেননি। এ অবস্থায় ২০২০ সালে সরকারি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের নিবন্ধনের সুবিধার্থে হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত সব প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তিসহ হজ গমনে যে কোনো ব্যক্তি নতুনভাবে একইসঙ্গে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন করতে পারবেন।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা শুধু এক লাখ ৫১ হাজার ৯৯০ টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন করবেন। আপাতত কোনো অবস্থাতেই অতিরক্তি টাকা জমা করবেন না। কোনো এজেন্সি নিবন্ধনের জন্য এর অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।
হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় গৃহীত অর্থ কোনো অবস্থাতেই এ পর্যায়ে হজ কার্যক্রম বাবদ বাংলাদেশে ব্যয় করা যাবে না এবং সৌদি আরবেও পাঠানো যাবে না। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কোনো এজেন্সি ব্যাংক থেকে এ টাকা উত্তোলনও করতে পারবে না।
সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যেতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
তবে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে সবকিছুই এখন নির্ভর করবে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর।
এ কারণে এখনই হজের পরিকল্পনা চূড়ান্ত না করে পরিস্থিতি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে সৌদি আরব।
গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ ১৭৯৮ সালে একবার হজ বাতিল হয়েছিল। করোনাভাইরাস সঙ্কট দীর্ঘায়িত হলে এবারও তেমন কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
করোনাভাইরাস মহামারীতে অনিশ্চয়তার মধ্যেই চলতি বছরে সরকারি ও বেসরকারি ব্যববস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।
বুধবার ধর্ম মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়সীমা বাড়ানোর কথা জানায়। এর আগে নিবন্ধনের শেষ সময় ৮ এপ্রিল পর্যন্ত ছিল। এছাড়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ মার্চ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ মার্চ থেকে নিবন্ধন শুরু হয়।
মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালে হজ পালনে নিবন্ধনের জন্য পাসপোর্ট জমা দানকারী অনেকে সাধারণ ছুটির কারণে ব্যাংক থেকে নিবন্ধন ভাউচার গ্রহণ করতে পারেননি। এছাড়াও ইতোমধ্যে নিবন্ধন ভাউচার গ্রহণকারী অনেকে টাকা জমা করতে না পারায় নিবন্ধন করতে পারেননি। এ অবস্থায় ২০২০ সালে সরকারি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের নিবন্ধনের সুবিধার্থে হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত সব প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তিসহ হজ গমনে যে কোনো ব্যক্তি নতুনভাবে একইসঙ্গে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন করতে পারবেন।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা শুধু এক লাখ ৫১ হাজার ৯৯০ টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন করবেন। আপাতত কোনো অবস্থাতেই অতিরক্তি টাকা জমা করবেন না। কোনো এজেন্সি নিবন্ধনের জন্য এর অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।
হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় গৃহীত অর্থ কোনো অবস্থাতেই এ পর্যায়ে হজ কার্যক্রম বাবদ বাংলাদেশে ব্যয় করা যাবে না এবং সৌদি আরবেও পাঠানো যাবে না। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কোনো এজেন্সি ব্যাংক থেকে এ টাকা উত্তোলনও করতে পারবে না।
সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যেতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
তবে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে সবকিছুই এখন নির্ভর করবে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর।
এ কারণে এখনই হজের পরিকল্পনা চূড়ান্ত না করে পরিস্থিতি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে সৌদি আরব।
গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ ১৭৯৮ সালে একবার হজ বাতিল হয়েছিল। করোনাভাইরাস সঙ্কট দীর্ঘায়িত হলে এবারও তেমন কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :