বাংলাদেশ রাজধানী
বিজিএমইএ ভবন ভাঙা শুরু হবে আজ
অবশেষে ভাঙা হচ্ছে হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন। ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হচ্ছে বুধবার (২২ জানুয়ারি)। সকাল ১০টায় রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত ভবনটি ভাঙার কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
গতকাল মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন।
জানা গেছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফোর স্টার গ্রুপ ১ কোটি ২ লাখ টাকায় ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করবে। সনাতন পদ্ধতিতে এটি ভাঙা হবে।
প্রথমে ভাবা হয়েছিল এক্সপ্লোশনের মাধ্যমে ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত হয় সনাতন পদ্ধতিতে ভাঙার। এতে ভবনে ব্যবহৃত কয়েক কোটি টাকার রটসহ বিভিন্ন দামি সরঞ্জাম রক্ষা পাবে বলে জানায় রাজউক।
সর্বশেষ গত বছরের ১২ এপ্রিলের মধ্যে তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠনের (বিজিএমইএ) এ ভবনটি সরিয়ে নিতে সময় দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সময় পার হওয়ার পর নির্দেশনা বাস্তবায়নে গত বছরের ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
২০০৬ সালের দিকে হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়। জলাশয়ে ভবনটি নির্মাণ করায় শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন পরিবেশবাদীরা। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। বিজিএমইএ ভবন অপসারণে আপিল বিভাগের দেওয়া এক বছর সময় শেষ হয় গত ১২ এপ্রিল। এর আগে ২ এপ্রিল সর্বোচ্চ আদালত ভবনটি অপসারণে বিজিএমইএ-কে ১ বছর ১০ দিন সময় দেন।
২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে বিজিএমইএ ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যানসারের মতো’ উল্লেখ করেন। রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন আদালত। এর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ, যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়।
বাংলাদেশ রাজধানী
বিজিএমইএ ভবন ভাঙা শুরু হবে আজ
অবশেষে ভাঙা হচ্ছে হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন। ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হচ্ছে বুধবার (২২ জানুয়ারি)। সকাল ১০টায় রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত ভবনটি ভাঙার কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
গতকাল মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন।
জানা গেছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফোর স্টার গ্রুপ ১ কোটি ২ লাখ টাকায় ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করবে। সনাতন পদ্ধতিতে এটি ভাঙা হবে।
প্রথমে ভাবা হয়েছিল এক্সপ্লোশনের মাধ্যমে ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত হয় সনাতন পদ্ধতিতে ভাঙার। এতে ভবনে ব্যবহৃত কয়েক কোটি টাকার রটসহ বিভিন্ন দামি সরঞ্জাম রক্ষা পাবে বলে জানায় রাজউক।
সর্বশেষ গত বছরের ১২ এপ্রিলের মধ্যে তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠনের (বিজিএমইএ) এ ভবনটি সরিয়ে নিতে সময় দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সময় পার হওয়ার পর নির্দেশনা বাস্তবায়নে গত বছরের ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
২০০৬ সালের দিকে হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়। জলাশয়ে ভবনটি নির্মাণ করায় শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন পরিবেশবাদীরা। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। বিজিএমইএ ভবন অপসারণে আপিল বিভাগের দেওয়া এক বছর সময় শেষ হয় গত ১২ এপ্রিল। এর আগে ২ এপ্রিল সর্বোচ্চ আদালত ভবনটি অপসারণে বিজিএমইএ-কে ১ বছর ১০ দিন সময় দেন।
২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে বিজিএমইএ ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যানসারের মতো’ উল্লেখ করেন। রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন আদালত। এর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ, যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
অবশেষে ভাঙা হচ্ছে হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন। ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হচ্ছে বুধবার (২২ জানুয়ারি)। সকাল ১০টায় রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত ভবনটি ভাঙার কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
গতকাল মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন।
জানা গেছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফোর স্টার গ্রুপ ১ কোটি ২ লাখ টাকায় ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করবে। সনাতন পদ্ধতিতে এটি ভাঙা হবে।
প্রথমে ভাবা হয়েছিল এক্সপ্লোশনের মাধ্যমে ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত হয় সনাতন পদ্ধতিতে ভাঙার। এতে ভবনে ব্যবহৃত কয়েক কোটি টাকার রটসহ বিভিন্ন দামি সরঞ্জাম রক্ষা পাবে বলে জানায় রাজউক।
সর্বশেষ গত বছরের ১২ এপ্রিলের মধ্যে তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠনের (বিজিএমইএ) এ ভবনটি সরিয়ে নিতে সময় দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সময় পার হওয়ার পর নির্দেশনা বাস্তবায়নে গত বছরের ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
২০০৬ সালের দিকে হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়। জলাশয়ে ভবনটি নির্মাণ করায় শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন পরিবেশবাদীরা। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। বিজিএমইএ ভবন অপসারণে আপিল বিভাগের দেওয়া এক বছর সময় শেষ হয় গত ১২ এপ্রিল। এর আগে ২ এপ্রিল সর্বোচ্চ আদালত ভবনটি অপসারণে বিজিএমইএ-কে ১ বছর ১০ দিন সময় দেন।
২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে বিজিএমইএ ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যানসারের মতো’ উল্লেখ করেন। রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন আদালত। এর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ, যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়।
আপনার মতামত লিখুন :