বাংলাদেশ অপরাধ

রুম্পা মৃত্যুর ঘটনায় আটক ১


নিউজরুম ডেস্ক
সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং ০৫:০৭
NewsRoom


স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হত্যা মামলায় আব্দুল রহমান সৈকত নামে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা দক্ষিণ বিভাগ (ডিবি)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান বলেন, রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে শনিবার সৈকতকে আটক করা হয়। সৈকত রুম্পার প্রেমিক। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। রুম্পা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

সৈকত স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিবিএ বিভাগের ৫৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি পরিবারের সঙ্গে শান্তিনগরে ভাড়া বাসায় থাকেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে ডিএমপির রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শেখ মোহাম্মদ শামীম এনটিভি অনলাইনকে বলেছিলেন, ‘প্রেম-সংক্রান্ত কারণেই রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে, এটা নিশ্চিত। আমরা সৈকতকে খুঁজছি। প্রাথমিক তদন্তে আমরা নিশ্চিত হয়েছি এই তথ্য। ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার আগে রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে। ভবনটির ছাদের পরিবেশ অনেক নোংরা। ছাদের ওপর রুম্পার সঙ্গে কারো ধস্তাধস্তি বা হাতাহাতি হয়নি। ছাদে এমন কিছু ঘটলে ছাপ থাকত। তাঁকে একটি কক্ষে হত্যা করে সম্ভবত দুজন মিলে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিয়েছে।’

এর আগে গত বুধবার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় দুই ভবনের মাঝখানের গলি থেকে রুম্পার লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর লাশটি অজ্ঞাত হিসেবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়। পরিচয় না পাওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে রমনা থানায় মামলা করে। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রুম্পার স্বজনরা মর্গে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। তার বাবা রোকন উদ্দিন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি হবিগঞ্জে পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। রাজধানীর শান্তিবাগে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন রুম্পা।

রুম্পা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। লাশের ময়নাতদন্তে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রুম্পার লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, লাশের শরীরে আঘাত দেখে অনুমান করা হয়, উপর থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশ অপরাধ

রুম্পা মৃত্যুর ঘটনায় আটক ১


নিউজরুম ডেস্ক
সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং ০৫:০৭
NewsRoom


স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হত্যা মামলায় আব্দুল রহমান সৈকত নামে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা দক্ষিণ বিভাগ (ডিবি)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান বলেন, রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে শনিবার সৈকতকে আটক করা হয়। সৈকত রুম্পার প্রেমিক। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। রুম্পা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

সৈকত স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিবিএ বিভাগের ৫৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি পরিবারের সঙ্গে শান্তিনগরে ভাড়া বাসায় থাকেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে ডিএমপির রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শেখ মোহাম্মদ শামীম এনটিভি অনলাইনকে বলেছিলেন, ‘প্রেম-সংক্রান্ত কারণেই রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে, এটা নিশ্চিত। আমরা সৈকতকে খুঁজছি। প্রাথমিক তদন্তে আমরা নিশ্চিত হয়েছি এই তথ্য। ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার আগে রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে। ভবনটির ছাদের পরিবেশ অনেক নোংরা। ছাদের ওপর রুম্পার সঙ্গে কারো ধস্তাধস্তি বা হাতাহাতি হয়নি। ছাদে এমন কিছু ঘটলে ছাপ থাকত। তাঁকে একটি কক্ষে হত্যা করে সম্ভবত দুজন মিলে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিয়েছে।’

এর আগে গত বুধবার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় দুই ভবনের মাঝখানের গলি থেকে রুম্পার লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর লাশটি অজ্ঞাত হিসেবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়। পরিচয় না পাওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে রমনা থানায় মামলা করে। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রুম্পার স্বজনরা মর্গে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। তার বাবা রোকন উদ্দিন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি হবিগঞ্জে পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। রাজধানীর শান্তিবাগে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন রুম্পা।

রুম্পা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। লাশের ময়নাতদন্তে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রুম্পার লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, লাশের শরীরে আঘাত দেখে অনুমান করা হয়, উপর থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।

আপনার মতামত লিখুন :


রুম্পা মৃত্যুর ঘটনায় আটক ১

নিউজরুম ডেস্ক সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং ০৫:০৭ NewsRoom


স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হত্যা মামলায় আব্দুল রহমান সৈকত নামে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা দক্ষিণ বিভাগ (ডিবি)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান বলেন, রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে শনিবার সৈকতকে আটক করা হয়। সৈকত রুম্পার প্রেমিক। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। রুম্পা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

সৈকত স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিবিএ বিভাগের ৫৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি পরিবারের সঙ্গে শান্তিনগরে ভাড়া বাসায় থাকেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে ডিএমপির রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শেখ মোহাম্মদ শামীম এনটিভি অনলাইনকে বলেছিলেন, ‘প্রেম-সংক্রান্ত কারণেই রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে, এটা নিশ্চিত। আমরা সৈকতকে খুঁজছি। প্রাথমিক তদন্তে আমরা নিশ্চিত হয়েছি এই তথ্য। ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার আগে রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে। ভবনটির ছাদের পরিবেশ অনেক নোংরা। ছাদের ওপর রুম্পার সঙ্গে কারো ধস্তাধস্তি বা হাতাহাতি হয়নি। ছাদে এমন কিছু ঘটলে ছাপ থাকত। তাঁকে একটি কক্ষে হত্যা করে সম্ভবত দুজন মিলে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিয়েছে।’

এর আগে গত বুধবার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় দুই ভবনের মাঝখানের গলি থেকে রুম্পার লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর লাশটি অজ্ঞাত হিসেবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়। পরিচয় না পাওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে রমনা থানায় মামলা করে। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রুম্পার স্বজনরা মর্গে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। তার বাবা রোকন উদ্দিন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি হবিগঞ্জে পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। রাজধানীর শান্তিবাগে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন রুম্পা।

রুম্পা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। লাশের ময়নাতদন্তে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রুম্পার লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, লাশের শরীরে আঘাত দেখে অনুমান করা হয়, উপর থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd