বাংলাদেশ অপরাধ
ময়মনসিংহের সেই খণ্ডিত লাশের রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৪
ময়মনসিংহে পাওয়া খণ্ডিত লাশের রহস্য উন্মোচনের দাবি করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনস দরবার হলে বুধবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পাটগুদাম ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ মড়ের রাস্তায় ট্রলি ব্যাগে পাওয়া হাত-পা ও মাথাবিহীন অজ্ঞাত খণ্ডিত লাশের রহস্য উদঘাটন করেছে ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশ। মরদেহটি নেত্রকোনার পূর্বধলা থানার হুগলা গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলের। তার নাম বকুল। সে পোশাককর্মী। পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নেত্রকোনার পূর্বধলা থানার হুগলা গ্রামের মোজাফর আলীর ছেলে ফারুক মিয়া ও হৃদয় মিয়া, ফারুকের স্ত্রী মৌসুমী আক্তার ও বাবুল মিয়ার মেয়ে সাবিনা আক্তারকে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার বানিয়াচালা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা জানিয়েছেন, বানিয়াচালা এলাকার ভাড়া বাসায় বকুলকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর হাত, পা ও মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত, পা ও মাথা কুড়িগ্রামে আর বাকি অংশ ফেলা হয় ময়মনসিংহে।
পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলনপুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন জানান, বাবুল মিয়ার মেয়ে সাবিনা আক্তারের সঙ্গে বকুল মিয়ার বিয়ে নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
উল্লেখ্য, ২১ অক্টোবর ময়মনসিংহ শহরের পাটগুদাম ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ মোড়ের আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় ট্রলি ব্যাগে হাত-পা ও মাথাবিহীন একটি লাশ পায় পুলিশ। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
বাংলাদেশ অপরাধ
ময়মনসিংহের সেই খণ্ডিত লাশের রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৪
ময়মনসিংহে পাওয়া খণ্ডিত লাশের রহস্য উন্মোচনের দাবি করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনস দরবার হলে বুধবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পাটগুদাম ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ মড়ের রাস্তায় ট্রলি ব্যাগে পাওয়া হাত-পা ও মাথাবিহীন অজ্ঞাত খণ্ডিত লাশের রহস্য উদঘাটন করেছে ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশ। মরদেহটি নেত্রকোনার পূর্বধলা থানার হুগলা গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলের। তার নাম বকুল। সে পোশাককর্মী। পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নেত্রকোনার পূর্বধলা থানার হুগলা গ্রামের মোজাফর আলীর ছেলে ফারুক মিয়া ও হৃদয় মিয়া, ফারুকের স্ত্রী মৌসুমী আক্তার ও বাবুল মিয়ার মেয়ে সাবিনা আক্তারকে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার বানিয়াচালা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা জানিয়েছেন, বানিয়াচালা এলাকার ভাড়া বাসায় বকুলকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর হাত, পা ও মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত, পা ও মাথা কুড়িগ্রামে আর বাকি অংশ ফেলা হয় ময়মনসিংহে।
পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলনপুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন জানান, বাবুল মিয়ার মেয়ে সাবিনা আক্তারের সঙ্গে বকুল মিয়ার বিয়ে নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
উল্লেখ্য, ২১ অক্টোবর ময়মনসিংহ শহরের পাটগুদাম ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ মোড়ের আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় ট্রলি ব্যাগে হাত-পা ও মাথাবিহীন একটি লাশ পায় পুলিশ। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
ময়মনসিংহে পাওয়া খণ্ডিত লাশের রহস্য উন্মোচনের দাবি করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনস দরবার হলে বুধবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পাটগুদাম ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ মড়ের রাস্তায় ট্রলি ব্যাগে পাওয়া হাত-পা ও মাথাবিহীন অজ্ঞাত খণ্ডিত লাশের রহস্য উদঘাটন করেছে ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশ। মরদেহটি নেত্রকোনার পূর্বধলা থানার হুগলা গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলের। তার নাম বকুল। সে পোশাককর্মী। পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নেত্রকোনার পূর্বধলা থানার হুগলা গ্রামের মোজাফর আলীর ছেলে ফারুক মিয়া ও হৃদয় মিয়া, ফারুকের স্ত্রী মৌসুমী আক্তার ও বাবুল মিয়ার মেয়ে সাবিনা আক্তারকে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার বানিয়াচালা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা জানিয়েছেন, বানিয়াচালা এলাকার ভাড়া বাসায় বকুলকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর হাত, পা ও মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত, পা ও মাথা কুড়িগ্রামে আর বাকি অংশ ফেলা হয় ময়মনসিংহে।
পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলনপুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন জানান, বাবুল মিয়ার মেয়ে সাবিনা আক্তারের সঙ্গে বকুল মিয়ার বিয়ে নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
উল্লেখ্য, ২১ অক্টোবর ময়মনসিংহ শহরের পাটগুদাম ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ মোড়ের আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় ট্রলি ব্যাগে হাত-পা ও মাথাবিহীন একটি লাশ পায় পুলিশ। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
আপনার মতামত লিখুন :