বাংলাদেশ অপরাধ
কুমিল্লায় বন্দুকযুদ্ধে ৩ জন নিহত
বন্দুকযুদ্ধে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য মতে তারা ‘ডাকাত দলের সদস্য’।
রোববার রাত আড়াইটার দিকে পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের কোমাল্লা গ্রামে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে বলে জানান বুড়িচং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাফায়েত হোসেন।
নিহতরা হলেন- বুড়িচং উপজেলার জগতপুর এলাকার মৃত আবুল হাশেমের ছেলে অলি মিয়া (৪২), দেবিদ্বার উপজেলার চরবাকর এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে বাবুল মিয়া (৩৮) এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গোপালনগর এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে এরশাদ মিয়া (২৬)।
পুলিশ জানিয়েছে বুড়িচং থানায় তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
পরিদর্শক সাফায়েত বলেন, ‘ডাকাতরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে’ খবরের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযানে যায়।
“পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল গুলি ছোড়ে। পুলিশও তখন আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশের আরেকটি দল ঘটনাস্থলে যায়। গোলাগুলির মধ্যে তিন ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়।”
পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি দেখে ‘ডাকাতদল’ পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ তিনজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে পরিদর্শক সাফায়েত জানান।
একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, একটি পাইপগান, দুটি ছোরা, একটি ড্যাগার, সাতটি মুখোশ, দুটি টর্চ, তিনটি স্ক্রু ড্রাইভার, তিনটি মোবাইল ফোন ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়াও এই অভিযানে বুড়িচং থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস, এসআই মো. মোয়াজ্জেম, এসআই পুষ্প বরণ চাকমা, এএসআই মহিউদ্দিন ও পুলিশ কনস্টেবল রফিক আহত হয়েছেন বলে জানান পরিদর্শক সাফায়েত।
বাংলাদেশ অপরাধ
কুমিল্লায় বন্দুকযুদ্ধে ৩ জন নিহত
বন্দুকযুদ্ধে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য মতে তারা ‘ডাকাত দলের সদস্য’।
রোববার রাত আড়াইটার দিকে পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের কোমাল্লা গ্রামে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে বলে জানান বুড়িচং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাফায়েত হোসেন।
নিহতরা হলেন- বুড়িচং উপজেলার জগতপুর এলাকার মৃত আবুল হাশেমের ছেলে অলি মিয়া (৪২), দেবিদ্বার উপজেলার চরবাকর এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে বাবুল মিয়া (৩৮) এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গোপালনগর এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে এরশাদ মিয়া (২৬)।
পুলিশ জানিয়েছে বুড়িচং থানায় তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
পরিদর্শক সাফায়েত বলেন, ‘ডাকাতরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে’ খবরের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযানে যায়।
“পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল গুলি ছোড়ে। পুলিশও তখন আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশের আরেকটি দল ঘটনাস্থলে যায়। গোলাগুলির মধ্যে তিন ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়।”
পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি দেখে ‘ডাকাতদল’ পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ তিনজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে পরিদর্শক সাফায়েত জানান।
একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, একটি পাইপগান, দুটি ছোরা, একটি ড্যাগার, সাতটি মুখোশ, দুটি টর্চ, তিনটি স্ক্রু ড্রাইভার, তিনটি মোবাইল ফোন ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়াও এই অভিযানে বুড়িচং থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস, এসআই মো. মোয়াজ্জেম, এসআই পুষ্প বরণ চাকমা, এএসআই মহিউদ্দিন ও পুলিশ কনস্টেবল রফিক আহত হয়েছেন বলে জানান পরিদর্শক সাফায়েত।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
বন্দুকযুদ্ধে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য মতে তারা ‘ডাকাত দলের সদস্য’।
রোববার রাত আড়াইটার দিকে পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের কোমাল্লা গ্রামে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে বলে জানান বুড়িচং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাফায়েত হোসেন।
নিহতরা হলেন- বুড়িচং উপজেলার জগতপুর এলাকার মৃত আবুল হাশেমের ছেলে অলি মিয়া (৪২), দেবিদ্বার উপজেলার চরবাকর এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে বাবুল মিয়া (৩৮) এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গোপালনগর এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে এরশাদ মিয়া (২৬)।
পুলিশ জানিয়েছে বুড়িচং থানায় তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
পরিদর্শক সাফায়েত বলেন, ‘ডাকাতরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে’ খবরের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযানে যায়।
“পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল গুলি ছোড়ে। পুলিশও তখন আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশের আরেকটি দল ঘটনাস্থলে যায়। গোলাগুলির মধ্যে তিন ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়।”
পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি দেখে ‘ডাকাতদল’ পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ তিনজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে পরিদর্শক সাফায়েত জানান।
একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, একটি পাইপগান, দুটি ছোরা, একটি ড্যাগার, সাতটি মুখোশ, দুটি টর্চ, তিনটি স্ক্রু ড্রাইভার, তিনটি মোবাইল ফোন ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়াও এই অভিযানে বুড়িচং থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস, এসআই মো. মোয়াজ্জেম, এসআই পুষ্প বরণ চাকমা, এএসআই মহিউদ্দিন ও পুলিশ কনস্টেবল রফিক আহত হয়েছেন বলে জানান পরিদর্শক সাফায়েত।
আপনার মতামত লিখুন :