বাংলাদেশ অপরাধ

নকল মাস্ক সরবরাহের মামলায় আ'লীগ নেত্রী গ্রেফতার


নিজস্ব প্রতিবেধক
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০ ইং ০৭:০৭
NewsRoom


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নকল 'এন-৯৫' মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী আওয়ামী লীগ নেত্রী শারমিন জাহানকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় তাকে শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবি রমনা বিভাগের উপকমিশনার আজিমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে বিএসএমএমইউ'র প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোজাফফর আহমেদ বাদী হয়ে শারমিনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেন।

উপকমিশনার আজিমুল হক জানান, বিএসএমএমইউ'র পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলার আসামি শারমিন জাহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এরপর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক পদে ছিলেন। আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ছিলেন। এর আগের কমিটিতে একই উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রশাসন-১ শাখায় সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত তিনি। তার বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলার শ্যামগঞ্জের গোহালকান্দায়।

মামলায় মো. মোজাফফর আহমেদ উল্লেখ করেছেন, গত ২৭ জুন শারমিন জাহানকে ১১ হাজার মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। কার্যাদেশের বিপরীতে ৩০ জুন প্রথম দফায় ১ হাজার ৩০০টি, ২ জুলাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ৪৬০টি ও ১ হাজারটি এবং ১৩ জুলাই চতুর্থ দফায় ৭০০টি মাস্ক সরবরাহ করে। প্রথম ও দ্বিতীয় লটের মাস্কে কোনো সমস্যা ছিল না। তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় লট বিতরণ ও ব্যবহারে ত্রুটি পাওয়া যায় এবং মাস্কের গুণগত মান স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পাওয়া যায়নি। কোনো মাস্কের বন্ধনী ফিতা ছিঁড়ে গেছে, কোনো মাস্কের ছাপানো লেখায় ত্রুটিপূর্ণ ইংরেজি লেখা পাওয়া গেছে, কোনো কোনো মাস্কের নিরাপত্তা কোড ও লট নম্বর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে নকল বলে জানা গেছে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে মাস্কের গুণগত মান নিম্নমানের ছিল।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শারমিনকে ১৮ জুলাই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। শারমিন ২০ জুলাই দেওয়া জবাবে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন, যা দোষ স্বীকারের শামিল। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশ অপরাধ

নকল মাস্ক সরবরাহের মামলায় আ'লীগ নেত্রী গ্রেফতার


নিজস্ব প্রতিবেধক
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০ ইং ০৭:০৭
NewsRoom


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নকল 'এন-৯৫' মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী আওয়ামী লীগ নেত্রী শারমিন জাহানকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় তাকে শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবি রমনা বিভাগের উপকমিশনার আজিমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে বিএসএমএমইউ'র প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোজাফফর আহমেদ বাদী হয়ে শারমিনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেন।

উপকমিশনার আজিমুল হক জানান, বিএসএমএমইউ'র পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলার আসামি শারমিন জাহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এরপর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক পদে ছিলেন। আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ছিলেন। এর আগের কমিটিতে একই উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রশাসন-১ শাখায় সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত তিনি। তার বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলার শ্যামগঞ্জের গোহালকান্দায়।

মামলায় মো. মোজাফফর আহমেদ উল্লেখ করেছেন, গত ২৭ জুন শারমিন জাহানকে ১১ হাজার মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। কার্যাদেশের বিপরীতে ৩০ জুন প্রথম দফায় ১ হাজার ৩০০টি, ২ জুলাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ৪৬০টি ও ১ হাজারটি এবং ১৩ জুলাই চতুর্থ দফায় ৭০০টি মাস্ক সরবরাহ করে। প্রথম ও দ্বিতীয় লটের মাস্কে কোনো সমস্যা ছিল না। তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় লট বিতরণ ও ব্যবহারে ত্রুটি পাওয়া যায় এবং মাস্কের গুণগত মান স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পাওয়া যায়নি। কোনো মাস্কের বন্ধনী ফিতা ছিঁড়ে গেছে, কোনো মাস্কের ছাপানো লেখায় ত্রুটিপূর্ণ ইংরেজি লেখা পাওয়া গেছে, কোনো কোনো মাস্কের নিরাপত্তা কোড ও লট নম্বর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে নকল বলে জানা গেছে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে মাস্কের গুণগত মান নিম্নমানের ছিল।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শারমিনকে ১৮ জুলাই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। শারমিন ২০ জুলাই দেওয়া জবাবে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন, যা দোষ স্বীকারের শামিল। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন :


নকল মাস্ক সরবরাহের মামলায় আ'লীগ নেত্রী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেধক শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০ ইং ০৭:০৭ NewsRoom


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নকল 'এন-৯৫' মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী আওয়ামী লীগ নেত্রী শারমিন জাহানকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় তাকে শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবি রমনা বিভাগের উপকমিশনার আজিমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে বিএসএমএমইউ'র প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোজাফফর আহমেদ বাদী হয়ে শারমিনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেন।

উপকমিশনার আজিমুল হক জানান, বিএসএমএমইউ'র পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলার আসামি শারমিন জাহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এরপর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক পদে ছিলেন। আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ছিলেন। এর আগের কমিটিতে একই উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রশাসন-১ শাখায় সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত তিনি। তার বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলার শ্যামগঞ্জের গোহালকান্দায়।

মামলায় মো. মোজাফফর আহমেদ উল্লেখ করেছেন, গত ২৭ জুন শারমিন জাহানকে ১১ হাজার মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। কার্যাদেশের বিপরীতে ৩০ জুন প্রথম দফায় ১ হাজার ৩০০টি, ২ জুলাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ৪৬০টি ও ১ হাজারটি এবং ১৩ জুলাই চতুর্থ দফায় ৭০০টি মাস্ক সরবরাহ করে। প্রথম ও দ্বিতীয় লটের মাস্কে কোনো সমস্যা ছিল না। তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় লট বিতরণ ও ব্যবহারে ত্রুটি পাওয়া যায় এবং মাস্কের গুণগত মান স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পাওয়া যায়নি। কোনো মাস্কের বন্ধনী ফিতা ছিঁড়ে গেছে, কোনো মাস্কের ছাপানো লেখায় ত্রুটিপূর্ণ ইংরেজি লেখা পাওয়া গেছে, কোনো কোনো মাস্কের নিরাপত্তা কোড ও লট নম্বর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে নকল বলে জানা গেছে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে মাস্কের গুণগত মান নিম্নমানের ছিল।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শারমিনকে ১৮ জুলাই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। শারমিন ২০ জুলাই দেওয়া জবাবে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন, যা দোষ স্বীকারের শামিল। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ করেছে।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd