শিল্প ও সাহিত্য সাহিত্য
সংসদ লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু কর্নার
জাতীয় সংসদ লাইব্রেরি
জাতীয় সংসদের লাইব্রেরিতে চালু হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার। এই কর্নারের পাশাপাশি রাখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার। লাইব্রেরিতে ঢুকার মুখেই এই দুটি কর্নার, যাতে থরে থরে সাজানো হচ্ছে সংশ্লিষ্ট বই। তিন কোটি টাকা ব্যয়ে সম্প্রতি লাইব্রেরির সংস্কার করার সময় এই দুটি কর্নার করা হয়। এ ছাড়া এ বছর দেশি-বিদেশি ৩০৯টি শিরোনামে ৩৬৫ কপি বই কিনেছে সংসদ।
সংসদের লাইব্রেরিতে প্রায় ৪০ হাজার বই আছে। এর মধ্য থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা প্রবন্ধ, নিবন্ধ, অনুবাদ, গল্প, উপন্যাস ও কবিতার বই নিয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নারে রাখা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ কর্নারও সেভাবে সাজানো হচ্ছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে সংসদ লাইব্রেরির পরিচালক (গ্রন্থাগার ও গবেষণা) মোশতাক আহমদ বলেন, লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারে সংশ্লিষ্ট বই সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে। এমপি ও গবেষকদের বসার জন্য আরামদায়ক সোফা রাখা হয়েছে। এসব কর্নারের জন্য প্রয়োজনে আরও বই কেনা হবে।
লাইব্রেরির কর্মকর্তারা জানান, সম্প্রতি লাইব্রেরির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর ওপর দেশে-বিদেশে প্রকাশিত সব বই সংগ্রহ করে সংসদের লাইব্রেরিতে আনার নির্দেশ দেন তিনি। এ ছাড়া ভারতের লোকসভা ও যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমেন্সের ওপর যতগুলো বই আছে তাও সংগ্রহ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার।
কোটি টাকার প্রজেক্টে লাইব্রেরিতে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এবং কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) নামে আরও দুটি কর্নার রাখা হয়েছে। বই যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য থাকছে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। বইয়ের দীর্ঘ স্থায়ীত্বের জন্য বই গ্রহীতার কাছ থেকে বই ফেরত পাওয়ার পর জীবাণুমুক্ত করতে বুক ট্যারিলাইজ মেশিনের (বই জীবাণুমুক্ত যন্ত্র) ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ছাড়া সংসদ লাইব্রেরির বইয়ের অনলাইন ক্যাটালগের জন্য কোহা লাইব্রেরি সফটওয়্যার (Koha Library) ইনস্টল করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩৮১টি শিরোনামের মোট ১ হাজার ২০০টি পুস্তকের ক্যাটালগ ইনপুট দেয়া হয়েছে। আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে লাইব্রেরির ৪০ হাজার বই অনলাইনে ইনপুটের কাজ চলছে। ২০১৪ সাল থেকে ই-নিউজ ক্লিপিংস’র কাজ নিয়মিত চলছে। সংসদ বিতর্ক সার্চের জন্য ২০১৪ সালের মার্চ মাস হতে ডি স্পেস’র (ডিজিটাল রেপোসিটরি সফটওয়্যার) ব্যবহার শুরু হয়েছে। এই সফটওয়ার ব্যবহার করে অষ্টম ও নবম সংসদের বিতর্ক থেকে যে কোনো তথ্য সার্চ করা যায়।
শিল্প ও সাহিত্য সাহিত্য
সংসদ লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু কর্নার
জাতীয় সংসদ লাইব্রেরি
জাতীয় সংসদের লাইব্রেরিতে চালু হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার। এই কর্নারের পাশাপাশি রাখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার। লাইব্রেরিতে ঢুকার মুখেই এই দুটি কর্নার, যাতে থরে থরে সাজানো হচ্ছে সংশ্লিষ্ট বই। তিন কোটি টাকা ব্যয়ে সম্প্রতি লাইব্রেরির সংস্কার করার সময় এই দুটি কর্নার করা হয়। এ ছাড়া এ বছর দেশি-বিদেশি ৩০৯টি শিরোনামে ৩৬৫ কপি বই কিনেছে সংসদ।
সংসদের লাইব্রেরিতে প্রায় ৪০ হাজার বই আছে। এর মধ্য থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা প্রবন্ধ, নিবন্ধ, অনুবাদ, গল্প, উপন্যাস ও কবিতার বই নিয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নারে রাখা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ কর্নারও সেভাবে সাজানো হচ্ছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে সংসদ লাইব্রেরির পরিচালক (গ্রন্থাগার ও গবেষণা) মোশতাক আহমদ বলেন, লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারে সংশ্লিষ্ট বই সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে। এমপি ও গবেষকদের বসার জন্য আরামদায়ক সোফা রাখা হয়েছে। এসব কর্নারের জন্য প্রয়োজনে আরও বই কেনা হবে।
লাইব্রেরির কর্মকর্তারা জানান, সম্প্রতি লাইব্রেরির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর ওপর দেশে-বিদেশে প্রকাশিত সব বই সংগ্রহ করে সংসদের লাইব্রেরিতে আনার নির্দেশ দেন তিনি। এ ছাড়া ভারতের লোকসভা ও যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমেন্সের ওপর যতগুলো বই আছে তাও সংগ্রহ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার।
কোটি টাকার প্রজেক্টে লাইব্রেরিতে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এবং কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) নামে আরও দুটি কর্নার রাখা হয়েছে। বই যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য থাকছে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। বইয়ের দীর্ঘ স্থায়ীত্বের জন্য বই গ্রহীতার কাছ থেকে বই ফেরত পাওয়ার পর জীবাণুমুক্ত করতে বুক ট্যারিলাইজ মেশিনের (বই জীবাণুমুক্ত যন্ত্র) ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ছাড়া সংসদ লাইব্রেরির বইয়ের অনলাইন ক্যাটালগের জন্য কোহা লাইব্রেরি সফটওয়্যার (Koha Library) ইনস্টল করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩৮১টি শিরোনামের মোট ১ হাজার ২০০টি পুস্তকের ক্যাটালগ ইনপুট দেয়া হয়েছে। আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে লাইব্রেরির ৪০ হাজার বই অনলাইনে ইনপুটের কাজ চলছে। ২০১৪ সাল থেকে ই-নিউজ ক্লিপিংস’র কাজ নিয়মিত চলছে। সংসদ বিতর্ক সার্চের জন্য ২০১৪ সালের মার্চ মাস হতে ডি স্পেস’র (ডিজিটাল রেপোসিটরি সফটওয়্যার) ব্যবহার শুরু হয়েছে। এই সফটওয়ার ব্যবহার করে অষ্টম ও নবম সংসদের বিতর্ক থেকে যে কোনো তথ্য সার্চ করা যায়।
আপনার মতামত লিখুন :
আরও পড়ুন
জাতীয় সংসদ লাইব্রেরি
জাতীয় সংসদের লাইব্রেরিতে চালু হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার। এই কর্নারের পাশাপাশি রাখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার। লাইব্রেরিতে ঢুকার মুখেই এই দুটি কর্নার, যাতে থরে থরে সাজানো হচ্ছে সংশ্লিষ্ট বই। তিন কোটি টাকা ব্যয়ে সম্প্রতি লাইব্রেরির সংস্কার করার সময় এই দুটি কর্নার করা হয়। এ ছাড়া এ বছর দেশি-বিদেশি ৩০৯টি শিরোনামে ৩৬৫ কপি বই কিনেছে সংসদ।
সংসদের লাইব্রেরিতে প্রায় ৪০ হাজার বই আছে। এর মধ্য থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা প্রবন্ধ, নিবন্ধ, অনুবাদ, গল্প, উপন্যাস ও কবিতার বই নিয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নারে রাখা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ কর্নারও সেভাবে সাজানো হচ্ছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে সংসদ লাইব্রেরির পরিচালক (গ্রন্থাগার ও গবেষণা) মোশতাক আহমদ বলেন, লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারে সংশ্লিষ্ট বই সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে। এমপি ও গবেষকদের বসার জন্য আরামদায়ক সোফা রাখা হয়েছে। এসব কর্নারের জন্য প্রয়োজনে আরও বই কেনা হবে।
লাইব্রেরির কর্মকর্তারা জানান, সম্প্রতি লাইব্রেরির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর ওপর দেশে-বিদেশে প্রকাশিত সব বই সংগ্রহ করে সংসদের লাইব্রেরিতে আনার নির্দেশ দেন তিনি। এ ছাড়া ভারতের লোকসভা ও যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমেন্সের ওপর যতগুলো বই আছে তাও সংগ্রহ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার।
কোটি টাকার প্রজেক্টে লাইব্রেরিতে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এবং কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) নামে আরও দুটি কর্নার রাখা হয়েছে। বই যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য থাকছে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। বইয়ের দীর্ঘ স্থায়ীত্বের জন্য বই গ্রহীতার কাছ থেকে বই ফেরত পাওয়ার পর জীবাণুমুক্ত করতে বুক ট্যারিলাইজ মেশিনের (বই জীবাণুমুক্ত যন্ত্র) ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ছাড়া সংসদ লাইব্রেরির বইয়ের অনলাইন ক্যাটালগের জন্য কোহা লাইব্রেরি সফটওয়্যার (Koha Library) ইনস্টল করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩৮১টি শিরোনামের মোট ১ হাজার ২০০টি পুস্তকের ক্যাটালগ ইনপুট দেয়া হয়েছে। আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে লাইব্রেরির ৪০ হাজার বই অনলাইনে ইনপুটের কাজ চলছে। ২০১৪ সাল থেকে ই-নিউজ ক্লিপিংস’র কাজ নিয়মিত চলছে। সংসদ বিতর্ক সার্চের জন্য ২০১৪ সালের মার্চ মাস হতে ডি স্পেস’র (ডিজিটাল রেপোসিটরি সফটওয়্যার) ব্যবহার শুরু হয়েছে। এই সফটওয়ার ব্যবহার করে অষ্টম ও নবম সংসদের বিতর্ক থেকে যে কোনো তথ্য সার্চ করা যায়।
আপনার মতামত লিখুন :